বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সন্তান প্রাপ্তি

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X সন্তান প্রাপ্তি . ডাক্তারবাবু চশমাটা চোখে দিয়ে রিপোর্ট দুইটা ভাল করে দেখতে লাগলো। রিপোর্ট দেখা শেষ হলে চশমাটা খুলে টেবিলের উপর রেখে দিয়ে বলল আপনার কোন সমস্যা নেই ভাই আপনার স্ত্রী সন্তান জন্ম দিতে পারবে না। সৃষ্টিকর্তা আপনার স্ত্রীর সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা দেয়নি। জান্নাত ডাক্তারের কথা শুনে ছলছল চোখে আমার দিকে তাকালো। আমি জান্নাতের মনের অবস্থা বুঝে ফেললাম। এর আগেও কয়েকবার এমন পরিস্থিতি সামাল দিয়েছি। আমি জান্নাতের মাথা টেনে এনে আমার কাঁধে রাখলাম। জান্নাত আমার হাত জড়িয়ে ধরে ফোঁপাতে লাগলো। জান্নাতের চোখের পানি ওর নেকাব ভেদ করে আমার শার্ট ভেজাতে ব্যস্ত হয়ে গেল। ডাক্তারবাবু জিজ্ঞাস করল কত বছর হলো বিবাহিত জীবনের? আমি বললাম জ্বী পাঁচ বছর হলো। ডাক্তার আমার কথা শুনে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল আমার বিবাহিত জীবনের সতেরো বছর কেটে গেছে আমি এখনো নিঃসন্তান । অথচ আমার পরে আমার ছোট ভাই বিয়ে করে ও দুই সন্তানের বাবা। জানেন আমার স্ত্রীর কোন সমস্যা নেই আমি নিজে বাবা হওয়ার ক্ষমতা রাখি না। সবই উপরওয়ালার ইচ্ছা তিনি যেটা ভাল মনে করেন সেটাই হয়। এতে আমাদের কারো কোন হাত নেই। ডাক্তারবাবুর বিল চুকিয়ে জান্নাতকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে আসলাম। জান্নাত এখন একদম চুপ কোন কথা বলছে না। আজ সারাদিন কারো সাথেই কথা বলবে না। প্রতিবার ডাক্তার দেখানোর পর ও চুপ হয়ে যায়। আজ শেষবারের মত ডাক্তারের কাছে এসেছিলাম আমি নিজে থেকেই, প্রতিবার শুধু জান্নাতের টেস্ট করা হতো কিন্তু এবার আমার নিজেরও টেস্ট করিয়ে নিলাম। সমস্যাতো নারীর একার থাকতে পারে না পুরুষেরও থাকতে পারে। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে রিক্সায় উঠলাম। রিক্সায় উঠে জান্নাত আমার কাঁধে মাথা রেখে আমার হাত ধরে রাখলো। . পৃথিবীর সবচেয়ে বড় উপহার হচ্ছে একজন গুণবতী পবিত্র স্ত্রী। মহান আল্লাহতালার দয়ায় আমি সেই উপহারটা পেয়েছি। জান্নাতের মধ্যে আল্লাহতালা সব গুণ দিয়ে রেখেছিল মনে হয়। চেহারা ব্যবহার ধর্ম ভীরু সব গুণ আছে ওর মধ্যে। পুরা সংসার জান্নাত একা চালায়। সকালে উঠে ও আর মা একসাথে নামাজ আদায় করে আমাকে আর বাবাকে মসজিদে পাঠায়।নামাজ শেষে নাস্তা বানায় আমাকে নাস্তা খাইয়ে অফিসে পাঠায়। আমি অফিসে আসলে বাবা মাকে নিয়ে নাস্তা করে একটু রেস্ট নেয় তারপর আবার দুপুরের রান্না শুরু করে। দুপুরের রান্না করার সময় প্রতিদিন মায়ের কাছে এসে শুনে যায় কী রান্না করবে। তরকারী চুলায় দিয়ে আবার এসে মাকে ডেকে নিয়ে যায়। মাকে বলে দেখেন তরকারীতে সব ঠিকঠাক আছেতো? মা সবকিছু দেখে মুচকি হেসে বলে আমায় না ডাকলে তোর শান্তি হয় না। মা একদিন জান্নাতকে জিজ্ঞাস করেছিল সব ঠিক থাকে তারপরেও প্রতিদিন আমায় ডাকিস কেন বলতো? আমার কাছে প্রতিদিন কী তরকারী রান্না করবি তাইবা শুনিস কেন? জান্নাত বলেছিল মা আমি আসার আগপর্যন্ত আপনি রান্নাঘর সামলেছেন। এতদিন আপনার রাজত্বে ছিল সংসারের দায়িত্ব হুট করেই আমি এসে আপনার রাজত্বে ভাগ বসিয়েছি আপনারতো কষ্ট লাগতে পারে এটাই স্বাভাবিক। আপনি হয়তো ভাবতে পারেন এতো দিন আমি সব সামলেছি দুইদিন ধরে আসতে পারলো না এর মধ্যেই সব রাজত্ব নিয়ে নিল।তাছাড়া আপনি এটাও ভাবতে পারেন আপনার ছেলেকে আমি আপনার থেকে কেড়ে নিয়েছি। তাই প্রতিদিন আপনার কাছে জিজ্ঞাস করি কী রান্না করব অথবা কোন কাজ কীভাবে করব। সবকিছু জিজ্ঞাসা করায় আপনার মনে কোন ভাবনার সৃষ্টি হলো না আপনার রাজত্ব আপনারই থেকে গেলো। আমি শুধু আপনার কথামত কাজ করে আপনার প্রজা থেকে গেলাম। মা জান্নাতের কথা শুনে অভিভূত হয়ে গেছিল। জান্নাতকে বুকেটেনে নিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে বলেছিল আল্লাহ্‌ তোর মঙ্গল করুক। . বাসায় আসলে মা আমাকে ডাক দিলো আমি মায়ের রুমে চলে আসলাম। জান্নাত আমাদের রুমে গেল। মা জিজ্ঞাস করলো ডাক্তার কী বলল? আমি বললাম মা ডাক্তার বলেছে জান্নাত মা হতে পারবেনা। মা আমার কথা শুনে কিছুক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে থেকে বলল তুই আর একটা বিয়ে কর। আমি বিচলিত হয়ে মায়ের দিকে তাকালাম। মা আমার তাকানো দেখে বলল আমি জানি জান্নাত অনেক লক্ষী মেয়ে। তুইতো আমাদের একমাত্র ছেলে বংশেরবাতি বলে একটা কথা আছে। তাছাড়া ইসলামে চারটা বিয়ে করা জায়েজ আছে।আমাদেরওতো নাতিনাতকুরের মুখ দেখতে ইচ্ছে করে তাই না? আমি মাকে বললাম আমি অন্য কাউকে বিয়ে করতে পারব না। তোমার মেয়ের ছেলেমেয়ে আছে তারা কী তোমার নাতিনাতনি না? আর তুমিওতো নারী তাই না? তুমি নিশ্চয় অনুভব করতে পারো সতীনের সংসার করা কেমন সুখ। মা আমার কথা শুনে বলল তুই যা ভাল মনে করিস তাই কর।আমি মায়ের রুম থেকে চলে আসলাম। রুমে ঢুকলেই জান্নাত বলল আমি তোমার আর মায়ের কথা শুনেছি তুমি মায়ের কথা মেনে নেও।এবার আমার মাথা গরম হয়ে গেল বললাম এরকম কথা আর একদিন বলছোতো তোমার খবর আছে। তুমি পারবে সতীনের ঘর করতে? বিয়ে করার সময় কী কোন শর্ত ছিল যে বাচ্চা না হলে আর একটা বিয়ে করতে হবে? বিয়ে মানেই কী বাচ্চা জন্ম দেওয়া? এতদিন ঘরসংসার করে এখন আবার অন্যকে বিয়ে করা সম্ভব? তোমার প্রতি যে ভালবাসা জন্ম নিয়েছে যে মায়া জন্ম নিয়েছে এগুলা অস্বীকার করা যায়? দুজন মানুষ একসাথে পাঁচ বছর থেকেছি দুজনের সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করে নিয়েছি একজন অন্যজনের মাঝে বিলীন হয়ে গেছি এখন বলছ আবার অন্য কাউকে বিয়ের কথা। আচ্ছা বলতে পারো মানুষের একটা হৃদয়ে কতজনকে জায়গা দেওয়া যায়? জান্নাত আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলো বলল আমাকে এতটা ভালবাস কেন? আমিওতো তোমাকে ছাড়া থাকতে পারব না কিন্ত, আমি ওকে থামিয়ে দিয়ে বললাম কোন কিন্ত নাই। . কয়েকদিন পরেই সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যায়। সবকিছু আবার আগের মতো চলতে থাকে। মা একদিন এসে জান্নাতের কাছে ক্ষমা চেয়েছিল। জান্নাত সেইদিন থেকে দুইদিন মায়ের সাথে কথা বলেছিল না মা ক্ষামা চেয়েছিল বলে। দুইদিন পর মা যখন বলেছিল মায়ের সাথে মেয়ে কথা না বলে থাকতে পারে? বুঝেছি আমিতো আর আপন মা না তাই না? মায়ের কথা শুনে জান্নাত সব অভিমান ভেঙে মায়ের বুকে মাথা লুকিয়েছিল। কয়েকমাস হলো জান্নাত রাতে উঠে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে মাঝেমাঝে আমাকে ডেকে তুলে জোড় করে নামাজ পড়ায়। আমি নামাজ পড়ে আবার ঘুমিয়ে যাই কিন্তু ও ঘুমায় না। না ঘুমিয়ে নামাজ পড়ে মোনাজাত করে অনেক কান্নাকাটি দোয়া করে আল্লাহ্‌র কাছে একটা সন্তান চায়। আমি বুঝতে পারি জান্নাতের মনের ব্যথা আসলে প্রতিটা মেয়ের সবচেয়ে সুখের মুহূর্ত তখন হয় যখন সন্তান তাকে প্রথম মা ডাকে। আমি জানি প্রতিটা মেয়ের মতো জান্নাতও মা ডাক শুনতে চায়। কিন্তু আল্লাহ যে ওর সেই ক্ষমতা দেয়নি। রাতে ডিনার করে বিছানায় শুয়েছিলাম জান্নাত ওর হাতের কাজ শেষ করে এসে মশারি টানাতে টানাতে বলল জানো আজ একটা পাগলী এসেছিল। আমি বলালাম তারপর কী হলো? জান্নাত বলল মাতো পাগলী দেখে ভয় পেয়েছিল। আমি সাহস করে জিজ্ঞাস করলাম কী চাই? পাগলী বলল মারে ক্ষুধা লাগছে কিছু থাকলে খেতে দে আমি এক টুকরা মাছ দিয়ে ভাত খেতে দিয়েছিলাম। খাওয়া শেষ হলে জিজ্ঞাস করল তোর ছেলেমেয়ে নাই? আমি বললাম আমার ছেলেমেয়ে হবে না। পাগলী তারপর কী বলছে জানো? আমি বললাম কী? পাগলী বলছে আমাকে খাওয়ানোর বিনিময় হিসাবে আল্লাহ তোর সন্তান দান করুক। আমি বললাম পাগলীর দোয়া কবুল হোক। জান্নাত মাশারির ভিতরে এসে আমার বুকে মাথা রেখে বলল তাই যেন হয়। . অফিস থেকে ফিরে বারান্দায় চেয়ারে বসে চা খাচ্ছিলাম আর পত্রিকা পড়ছিলাম। জান্নাত এসে আমার পাশের চেয়ারে বসল। আমি ওর দিকে তাকিয়ে বললাম কী ব্যাপার মন খারাপ কেন? জান্নাত বলল জানো প্রায় দুইমাস হলো আমার প্রিয়োড হচ্ছে না। আমি ওর কথা শুনে বললাম কী বলো? এতদিন বলো নাই কেন? জান্নাত বলল আমি ভাবছিলাম কিছুদিন পর হবে এমন করতে করতে দুইমাস হয়ে গেছে। জান্নাতের কথা শুনে ঘরে এসে মোবাইল নিয়ে অফিসে ফোন করে ছুটি নিলাম। জান্নাতকে বললাম কাল ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাব সকাল সকাল সবকাজ করে ফেলবে। জান্নাত সকালে উঠে রান্নাবাড়া করে রেডি হলো ডাক্তারের কাছে যাওয়ার জন্য। আমি আগে থেকেই রেডি হয়ে ছিলাম মায়ের কাছে বলে জান্নাত কে নিয়ে হাসপাতালে আসলাম। সেই ডাক্তারবাবুর কাছে যে সতেরো বছরেও বাবা হতে পারেনি। ডাক্তার কিছু টেস্ট দিলো টেস্ট করার রিপোর্ট হাতে নিয়ে ডাক্তার যা বলল তা শুনে আমি জান্নাত উভয়েই চমকে উঠলাম। ডাক্তার বলল আপনার স্ত্রী মা হতে চলেছে । আমি ডাক্তার বাবুকে বললাম কীভাবে সম্ভব? ওতো বন্ধাছিল এর আগে আপনার কাছ থেকে রিপোর্ট নিয়ে গেলাম। ডাক্তার আমার কথা শুনে বলল কী বলছেন? রিপোর্ট গুলো আছে আপনার কাছে? আমি ডাক্তারের কাছে ফাইল এগিয়ে দিলাম। ডাক্তার এক এক করে সব রিপোর্ট দেখে বলল ওফ এটাতো মিরাকল। ডাক্তারের কাছ থেকে সোজা চলে আসলাম শহরের কওমি মাদ্রাসার মুহতামিমের কাছে। সবকিছু খুলে বললাম আমার কথা শোনার পর হুজুর বলল আপনি কী জানেন হযরত ঈসা(আঃ) বাবা ছাড়া মায়ের গর্ভে এসেছিল? বাবা ছাড়াই সে জন্মগ্রহণ করেছিল খ্রিষ্টানরা যাকে বলে জিশু। আমি বললাম জ্বী হুজুর আমি জানি। হুজুর বলল আল্লাহ যদি বাবা ছাড়া সন্তান জন্ম দিতে পারেন তাহলে একজন বন্ধা মহিলাকে সন্তান দিতে পারেন না? আমি বললাম জ্বী আল্লাহ্‌ চাইলে সব পারেন। হুজুর বলল জ্বী আল্লাহতালা সবকিছু করার ক্ষমতা রাখেন। আপনি বললেন আপনার স্ত্রী গত দুই তিন মাস যাবত তাহাজ্জদ পড়ে কান্নাকাটি করে জানেনতো? তাহাজ্জদ নামাজ পড়ে দোয়া করলে আল্লাহ্‌ দোয়া কবুল করে। আর পাগলীর কথা বললেন হয়তো আল্লাহ পাগলীর খাওয়ানোর ভাতের বিনিময় আপনার সন্তান দিয়েছেন। বাসায় গিয়ে স্বামী স্ত্রী মিলে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে শুকরিয়া আদায় করেন। আমি পকেট থেকে দুই হাজার টাকা বের করে হুজুরের হাতে দিয়ে বললাম হুজুর এই টাকা দিয়ে ছাত্রদের কিছু মিষ্টি কিনে দিয়েন। আমাদের জন্য দোয়া করবেন। . হুজুরের রুম থেকে বের হয়ে জান্নাতের কাছে আসলাম। জান্নাতকে রুমের বাহিরে রেখে আমি হুজুরের কাছে গিয়েছিলাম। জান্নাত আমাকে দেখেই জিজ্ঞাসা করলো হুজুর কী বলল? আমি জান্নাতকে হুজুরের বক্তব্য শুনালাম জান্নাত সব শোনবার পর বলল আলহামদুলিল্লাহ। দোকান থেকে মিষ্টি নিয়ে বাসায় এসেই মাকে জড়িয়ে ধরলাম বললাম মা আমি বাবা হতে চলেছি। মা অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো। আমার চিল্লানী শুনে পাশের রুম থেকে বাবা এসে বলল কী রে এত চিল্লাচিল্লি কেন? আমি মা বাবা কে সব ঘটনা খুলে বললাম। আমাদের কথার মাঝে জান্নাত চলে আসলো, ও বোরখা খুলতে গিয়েছিল। আমার কথা শোনবার পর মা বাবা যখন জান্নাতের দিকে তাকালো দেখতে পেলো জান্নাত লজ্জায় মাথা নিচু করে রেখেছে। আমি বাইরে পায়চারী করছি আর আল্লাহ্‌ আল্লাহ্‌ করছি। বাইরে থেকেই মাঝেমাঝে জান্নাতের প্রসব বেদনার আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি। কিছুক্ষণ পর শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনতে পেলাম আমি আলহামদুলিল্লাহ বলে উঠলাম। জান্নাতের রুমে দরজা খোলবার আওয়াজ শুনে দরজার দিকে তাকিয়ে দেখি কাকী বেরিয়ে আসছে। আমাকে দেখেই বলল ওরে বারান্দায় গিয়ে আজান দিয়ে আয়। বাজার থেকে মিষ্টি আন তোর যমজ সন্তান হইছে এক জোড়ায় এক ছেলে এক মেয়ে। মানুষের যমজ সন্তান হলে শুধু ছেলে হয় না হলে মেয়ে হয় তোর ছেলে মেয়ে দুইটাই হইছে। ছেলেমেয়ে দুইটাই দেখতে মাশআল্লাহ্‌। আমি দৌড়ে বারান্দায় এসে উচ্চস্বরে আজান দিলাম। ঘর থেকে মানিব্যাগ নিয়ে বাজারের দিকে দৌড়াচ্ছি মিষ্টি কেনার জন্য। ভাবছি মহান সৃষ্টিকর্তা চাইলেই সব করতে পারেন। তিনি চাইলে বাবা ছাড়া সন্তান দিতে পারেন। বন্ধা নারীর বুকে সন্তান দিতে পারেন আবার এক জোড়াই ছেলেমেয়ে দিতে পারেন। যে আল্লাহ পানির উপর জমিন ভাসিয়ে রাখতে পারেন। কোন খুঁটি ছাড়াই আসমান দাঁড় করিয়ে রাখতে পারেন। সেই আল্লাহ কেন এক জোড়ায় ছেলেমেয়ে দিতে পারেন না? . লেখাঃ বিকৃত মনের মানুষ


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সন্তান প্রাপ্তি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now