বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সখী কে বলে পিরিতি ভালো (রিভিউ)

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Tayaba Islam (০ পয়েন্ট)

X আজ আপনাদের একটা গল্প বলবো...gjgj . . লতার গল্প.. ও লতাকে তো আপনারা চেনেন না.. লতা গ্রামের মেয়ে... অতি চঞ্চল...মতি মিয়ার গাছের লিচু....জুলফিকর চাচার আম.. ডাব.. এমনকি আলতা খালার গাছের পেঁপে পর্যন্ত রেহাই পায় না...অভাবের কারনে ৮ম শ্রেণীতেই তার বিদ্যালয় গমন বন্ধ হয়.... গ্রামের প্রেমগুলো খুব মিষ্টি.. কিন্তু লতা এসবের মাঝে নেই...সে ঘোরে ফেরে খায় দায় তার দিন কেটে যায়... . . . . তাদের বাড়ি থেকে তাদের নানা বাড়ি হেটে যেতে লাগে ৪ মিনিট... দৌড়ে যেতে লাগে ২ মিনিট কিন্তু লতার লাগতো ১ মিনিটgj তার নানা বাড়ির পাশেই ছিল মামুনদের বাড়ি... মামুন লতাকে অনেক পছন্দ করতো হয়তো ভালোও বাসতো... লতার প্রতি তার দুর্বলতা ধীরে ধীরে বাড়তে লাগলো... লতাকে একবার দেখতে সে লতাদের বাড়ির পিছনের পচাডোবায় গলা অবধী পানিতে ডুবে ছিল....লতা তাকে পাত্তা দিতো না...কিন্তু কথায় আছে না....কপালের লেখন না যায় খণ্ডন... তাই মামুনের গানকে হয়তো টোপ বানিয়ে লতাকে তার কপাল মামুনের কাছে টেনে নেয়.... . . .শুরু হয় লতা আর মামুনের প্রেম কাহিনি....লতা serious ছিল না... লতা এখন বেশি সময়টা নানি বাড়িতে কাটায়....রাতে লুকিয়ে তারা দেখা করতো... মামুনের গলার রুমাল পেতে মেহেগুনি বনে পিঠাপিঠি বসে চাঁদের আলোয় গল্প করতো... লতাকে কেউ খুঁজত না কারণ সবাই জানে লতা কাছারিঘরে ঘুমিয়ে আছে...গল্প শেষে লতা আবার এসে গুটিসুটি দিয়ে শুয়ে পড়ত... তাদের ২ জনের সাক্ষী ছিল প্রকৃতি.... . . . . . . কিন্তু প্রকৃতি কখনও absolute beauty সহ্য করতে পারে না তাই বোধ হয় তাদের জীবনে রুবেল আসলো....gj রুবেল লতার চাচির কাছে এসেছিল মেয়ে দেখতে... লতার চাচি মেয়ে দেখতে যাওয়ার সময় লতাকে সাথে নিয়ে যায়...লতার চঞ্চলতা রুবেলকে মুগ্ধ করে....লতা দেখতে কালো সুন্দরি নয় কিন্তু চেহারায় এক অসম্ভব মায়া কাজ করে....গ্রামে অনেক সুন্দর মেয়ে দেখে কিন্তু রুবেল লতার চাচির কাছে আবদার করে যদি লতাকে পায় তবে বিয়ে করতে রাজি আছে...এদিকে লতা যায় মামুনের সাথে আবার দেখা করতে... সেদিন লতা ছিল নিজেদের বাড়ি....কেন যেন আজ সবাই লতাকে খোঁজে.... . . . . . . . . . ৩ ঘণ্টা হয়ে যায় লতা আসে না....পুরো গ্রামে লতাকে তন্নতন্ন করে খোঁজে.... কাছারিঘরে লতা তার দাদির পাশে শুয়ে ছিল...লতার চাচি কাছারিঘরে লতাকে ৩ বার খোঁজে.....৪র্থ বার লতার মামা।কাছারিঘরে লতাকে দেখে ঘুমিয়ে আছে...চুলের মুঠি ধরে বাইরে নিয়ে আসে... কোথায় গেছিল জিজ্ঞাস করলে সে বলে সে ঘুমিয়ে ছিল....তারপর কি হল শুনবেন... লতার মামা লতাকে ঠাস........ করে এক চড়..... দিল... সেই চড়ের পর মনে হল লতা serious হয়ে গেল... সে এখন মামুনকে সত্যিকারে ভালবাসে... . . . . . এইঘটনার পর রুবেলের সাথে লতার বিয়ে ঠিক হল যদিও লতার অবিবাহিত বড় একটা বোন ছিল....লতা সবার সামনে ভান করল সে রাজি কিন্তু সিদ্ধান্ত নিল সে পালাবে.... বিয়ের আগের রাত ১২ টায়.... লতার এই কথা শুধু তার বান্ধবী রুপাকে বলল... . . . . . . . . . . ৩ বছর কেটে গেছে.... লতার একটা মেয়ে আছে.. বয়স দেড় বছর... নাম সিনথিয়া.... সিনথিয়াকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয় তার মায়ের নাম কি? সে আদোআদো গলায় বলে "ততা (লতা)" তার বাবার নাম কি? সে আদোআদো গলায় বলে "উবেল (রুবেল)"..... . . . রুবেল সিনথিয়ার বাবা হওয়ার একটাই কারণ সেই দিন বিয়ের রাতে মামুন আসেনি লতাকে নিতে.... সে লতাকে ধোকা দেয়নি লতার সুখের জন্য করেছে কারণ মামুন বেকার আর রুবেল চাকুরীজীবী.... . . . . . . . . . ও আপনাদের তো সেই বিয়ের রাতের কথা বলাই হয়নি....বিয়ে ঠিক মতো সম্পন্ন হল... রুবেল প্রবেশ করল বাসর ঘরে.... . . আপনি ভাবুন যদি বাসর ঘরে ঢুকে দেখন আপনার বউ অন্য একটা ছেলের জন্য বিরতিহীন ভাবে কাঁদছে আপনি কি করবেন?????আমি হলেতো লংকা কান্ড বেধে যেত.... কিন্তু রুবেল কি করল জানেন???? সে বসে বসে কান্না দেখল...যখন প্রায় ভোর তখনও লতা কাঁদছে.... রুবেল তার মোবাইলটা বের করে লতার হাতে দিলো... লতা মামুনের সাথে কথা বলল আর রুবেল বসে বসে দেখল... লতা এখন আর মামুনের সাথে কথা বলে না.... মামুন বিদেশ থাকে.... . . . লতা এখনও মামুনের নাম্বার ডায়াল করে কিন্তু সবুজ বাটনটা চাপেনা বরং লাল বাটনটা চেপে নাম্বারটা মুছে দেয়...এর কারণ একটাই..... রুবেল এতো ভালো যে লতা ইচ্ছা করলেও মামুনকে মনে করতে পারেনা..... . . . . . . . লতার এখন একটা কথা খুব বেশি মনে পরে..... অনেক আগে লতার এক বান্ধবীর প্রেম ধরা পরলে তাকে অন্য জায়গায় বিয়ে দিয়ে দেয়...সেই বান্ধবী অনেক কেঁদেছিল তখন লতা বলেছিল . . . "সখী কে বলে পিরিতি ভালো হাসিতে হাসিতে পিরিতি করিয়া কান্দিয়া জনম গেল...." . . . . .বিঃদ্রঃ গল্পটি সত্যিকারের জীবন থেকে নেয়া...তাই সবাইকে free advice প্রেম হতে সাবধান.... আমিও একটা ডায়ালগ দেই??? " ভালোবাসার প্রতিফল..বুকে ব্যাথা..চোখে জল " gjgj


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সখী কে বলে পিরিতি ভালো (রিভিউ)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now