বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সীমা এবং অনন্ত -সীমান্ত
ঠিক তেমনি তোমার জীবনের একটা সীমান্ত থাকে যা পার হয়ে গেলে সব শেষ।
পূর্বান্ঞ্চলের ছোট এক গ্রামে বাস করে সীমা ও অনন্ত। ছোটকাল থেকে একে অপরকে তারা ভালোবাসে যদিও সবাই তা জানে এবং তা সবাই মেনেও নিয়েছে।
.
গ্রামে অনেক আগে একবার মারাত্মক মহামারী হয়। গ্রামের অনেই মারা যায়। তখন অনন্তের মা-বাবা, ভাই-বোন সেই মহামারীতে মারা যায়। ভাগ্যের জোড়ে অনন্ত বেচেঁ যায়। তখন ছোট্ট সীমা অনন্তের হাত ধরে পাশে এসে দাড়ায়। সীমার মাও সেই মহামারীতে মারা গেছে। শুধু বাবা আর অনন্তকে আগলে ধরেই বেচেঁ আছে
.
অনেক বছর হয়ে গেছে। দুজনেই পড়ালেখা শেষ করে অনন্ত ডাকঘরে চাকরি নিয়েছে আর সীমা সমাজ সেবা করে।
সীমা: এই সাইকেল আস্তে চালাও পরে যাবো তো!
অনন্ত: আরে পরবে না! আমার ওপর ভরসা নেই বুঝি
সীমা: হুম আছে কিন্তু সাইকের ওপর নেই। আর বলো মানুষ দেখলে কি বলবে?
অনন্ত: কারও কথাতে আমার কিছু আসে যায় না।
দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে আছে আর হঠাৎ,,
সীমা: এই সামনে দেখ রহিম চাচা আসছে
অনন্ত: আরে,,আরে
ঠাস!! সাইকেল ও রহিম চাচার ধাক্কা লেগে সবাই পরে যায়,,
রহিম চাচা: ছিঃ ছিঃ এতো বড় হয়ে গেছিছ তোরা তাও ছেলে বেলামি গেল না
দেখ আজ তোদের নামে আজিজ মিয়ার কাছে বিচার দিব
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now