বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লা
আমাদের হাজার বছরের লোকজ কৃষ্টি সংস্কৃতির অন্যতম লোকগাঁধা ‘বাঁশ শিল্প’। কিন্তু এই বাঁশ দিয়েই গড়ে তোলা হয় এই ‘শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লা’। নিবীড় পল্লীতে যেন স্বপ্নের মতো আধুনিক নান্দনিক নির্মাণশৈলী। বাংলার সর্বশেষ নবাব সিরাজ উদ্দৌলার সময়কার ত্রিপুরার রাজা এ শমসের গাজীর নামেই নামকরণ করা হয় পর্যটন কেন্দ্রটির। ২০ টাকা দর্শনীর বিনিময়ে বাঁশের এই রিসোর্টে আছে একই সঙ্গে পারিবারিক ঘরোয়া পরিবেশে থাকা-খাওয়ার আয়োজন। এ ছাড়াও পাঠ কক্ষ, মেহমান কক্ষ ও চা কর্নার রয়েছে। এরই মধ্যে লন, আবার পানির ফোয়ারা, পাহাড়ি গাছপালার আবহ, পাশেই দৃষ্টিনন্দন লেক, লেকের ওপর একটি সুদৃশ্যময় পারাপার ব্রিজ, ব্রিজের পাশেই আছে ভাস্কর্য।
গ্রামবাংলার লোকসংস্কৃতির আরও অনেক উপকরণের সমন্বয় প্রায় ৫ একরের পুরো পর্যটনকেন্দ্র চমকপ্রদ করে তোলার চেষ্টা করেছেন উদ্যোক্তা। এখনকার প্রতিটি আসবাবপত্র বাঁশ দিয়ে তৈরি করা। রিসোর্টের বাইরেও রয়েছে নানা শৈল্পিক আয়োজন, বাইরের বাগানের পাশের খোলা আঙ্গিনার ধারে বাঁশের মাচা করে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার ঐতিহ্যবাহি পাহাড়ি ঘর। সেখানে যে কোনো সাহিত্য আড্ডা কিংবা মুক্ত অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যবস্থা। পাশে ছোট ছোট ফলগাছের বাগানের মাঝে মাঝে রয়েছে বসার ছোট ছোট বেঞ্চি. অপর পাশে লেকের পানিতে ঘুরে বেড়ানোর জন্য রয়েছে হাতে ঘোরানো বৈঠা দেয়া আসন পাতা সুদৃশ্যময় নৌকা। কেল্লায় ঢুকতেই সবার চোখে পড়বে ‘ঐকতান’ নামের একটি ঢোলক, তবলা, হারমোনি ও একতারা সংবলিত ভাস্কর্য। ত্রিপুরার রাজা শমসের গাজীর স্মৃতিতে গড়ে তোলা এই পর্যটন কেন্দ্রটি থাইল্যান্ড ও জাপানের বিভিন্ন শৈল্পিক রেস্ট হাউসের আদলে নির্মাণ করা হয়েছে। এর আর্কিটেক্ট হিসেবে কাজ করেছিলেন কানাডার লুই ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য প্রকৌশলী ‘সুরান না’। আগে থেকে যোগাযোগ করে গেলে আপনি তিনবেলার খাবার ও অন্যান্য সব আয়োজন উপভোগ করতে পারবেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now