বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মো,তুহিন
অাজ অসহনীয় ঠাণ্ডা পরেছে।যদিও এখন শীতকাল তবে প্রতিদিনের তুলনায় অাজকের শীতের প্রকোপটা অনেক বেশি।অার অামি এই তীব্রতর ঠাণ্ডা কে পরাজিত করার জন্য গায়ে সোয়েটার পায়ে মোজা নিয়েই অামার সদ্যবিবাহের কোমল গন্ধযুক্ত কম্বলের ভেতরে প্রবেশ করলাম।
অাহা কি শান্তি!খুব অারাম অনুভূত হচ্ছে।যেন অামার অপাদমস্তক জুড়ে অদ্ভুত এক প্রশান্তি যুক্ত শিহরনের দল অামাকে কুর্নিশ করছে।
.
এই মুহূর্তে অামি কিছুটা অস্বস্তিতে অাছি।কারন অামি শীতকে পরাজিত করার জন্য যে সব কর্মযোগ্য চালিয়েছি তার সব কিছুই অামার বউ দেখছে।তাকে দেখে মনে হলো সে তার সুগভীর অাবেগকে হালকা করে স্থিরদৃষ্টিতে এসব দেখছে।অামি কোন সাড়া শব্দ না করে ভীতিবিহ্বল মনে শুয়ে অাছি।কারন বড় ধরনের কোন ঝাড়ি ঝড়ের বেগে ছুটে অাসার সম্ভাবনা রয়েছে।বউ এবার অামার দিকে অাগাচ্ছে।অামি মনেপ্রাণে তার অতি সুমিষ্ট কন্ঠের তেতো ঝাড়ি হজম করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।কিন্তু সে কাছে অাসতেই উল্টটা ঘটলো।তার সুমিষ্ট কন্ঠে এবার তেতো কিছু না বেজে অতি সুমিষ্ট কথার ঝঙ্কা বেজে উঠলো।
--এই চলো না ছাদে যাই।
এই সংকটকালে তার এরূপ ব্যবহারে অামার ভেতরটা সেকেন্দার বক্সের মতো অাবেগে কেঁদেই ফেলল।অামার এত অাবেগ কেরে!!
অাবেগের কান্না মনের মধ্যেই রেখে অামি কিছুটা হকচকিয়ে বউয়ের দিকে চেয়ে অাছি।বউ এবার কাছে এসে পাশে বসে খুব অাল্হাদের সুরে বলছে।
---চলো।
অামি এবার বাংলার নবাবের মত গাম্ভীর্য নিয়ে বললাম।
---না না না!
তুমি কি বলিতেছ রানী।এই তীব্রতর শীতের রাতে ছাদে যাইতে?
হাহাহা!তা কখনই সম্ভব নহে।অামি বাংলার নবাব অামার ঠান্ডা লাগিলে এই দেশের কি হইবে।তাই কম্বলের তলদেশ থাকাই উত্তম বলিয়া বিবেচনা করছি।নতুন বিয়ে করেছি অামরা তাই এখন এই গৃহকোণে কক্ষের অালো নিভিয়ে তুমি অামি ফুটবল খেলিব।
[অাপনি হাসছেন?অামার বউও তখন না হেসে পারেনি তবে তার মুখের সে হাসি ছিলো খনিকের জন্য]
অামার এই রাজসিক ভাষণ শুনে অামার বউয়ে মুখে হাসির অাগমন।অার অামি মনেমনে তার সাথে ফুটবল খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।বুঝতেই পারছেন নতুন বিয়ে করেছি।
কিন্তু অামার সে অাশায় পানি ঢেলে।হঠাৎ করেই বউয়ের মুখের হাসিটা কোথায় যেন মিলিয়ে গেলো।
সে তার দীপ্ত কন্ঠে বলল।
---হিমেল আমার মাথা গরম করো না।তুমি বাসর রাতে কি প্রমিজ করেছ মনে নেই?
.অামি কিছুটা ভয়াতুর চোখে শান্তি বজায় রাখার জন্য বললাম।
---আচ্ছা রাত্রি তুমিই বলো বাইরে কত ঠান্ডা এই ঠান্ডার মধ্যে তাও অাবার এত রাতে কেউ ছাদে যায়?
সে তার কপাল কুচকে ঘাড়টা বাকিয়ে মাথাটা কিছুটা ঝাকিয়ে চক্ষুদ্বয়ে অাগুনের সঞ্চার করে বলল।
---ঐ তুমি যাবে কি না?
অামি পরাজিত সৈনিকের মত সাদা পতাকা উত্তোলন করে বললাম।
----রাত্রি আজ না হয় থাক।এই কথা দিলাম কাল ছাদে অনেক সময় কাটাবো।আজ একটু রুমে কাটাই।
এবার তার সুমিষ্ট কন্ঠ থেকে তেতো কথা ঝর্নার ন্যায়ে ঝরতে থাকলো।
----তুমি বিয়ের জন্য অফিস থেকে ছুটি নিয়েছ।অামাকে সময় দেয়ার জন্য।তার মানে কি সারাদিন অামাকে নিয়ে রুমে থাকবে?একটু বের হতে দেও না।সবাই নতুন বউ দেখতে অাসে।কিন্তু নতুন বউ তো রুমে।এই তোমার কি লজ্জা করে না?
----অামি খানিকটা হেসে বললাম।তুমি তো অামার আপন বউ।তোমার সাথে লজ্জা কিসের।
.
হিমেলের এসব কর্মকান্ডে রাত্রি খুবই বিরক্ত।রাত্রির বিরক্তের কারন কি?এ বিষয়ে রাত্রির মতামত।
মানলাম অামারা সদ্যবিবাহিত দম্পতী।তাই বলে কি সর্বক্ষণই বউয়ের অাচল ধরে থাকতে হবে?
সারাদিন রুমের মধ্যে থাকবে অামাকে একটু বের হতেও দেয় না।কত অাত্নীয়রা আসে নতুন বউকে দেখতে।কিন্তু বউ সারাদিন তার বরের কাছে।হিমেলের জন্য রাত্রির লজ্জার শেষ নেই।
তবে হিমেলের এক কথা।এত সাধনার পরে একখান বউ পেলাম।তাকে নিজে না দেখে অাত্নীয়দের কেন দেখাতে হবে?তারা নিজেরা বিয়ে করে দেখতে পারে না?
রাত্রির কাছে অামি বড্ড পাগল প্রকৃতির ছেলে।কারন অামি এসব পাগলাটে কথাবার্তা রাত্রির সাথে প্রায়শই বলে থাকি।
.
অামাদের পরিচয়ের শুরুটা একদম অন্যরকম ভাবে হয়েছিল।সেদিন অামি প্রতিদিনের মত শেষ বিকেলে গিটার নিয়ে ছাদে উপস্থিত।দিনের অালো ধীরেধীরে কালো বর্ন ধারন করছে।অার কিছুখন অপেক্ষা করলেই সন্ধ্যাটা একদম পূর্নতা পাবে।অাজ কেনো যেন কিঞ্চিৎ মন খারাপ।গিটারে সুর তুলতে ইচ্ছে করছে না।গলা ছেড়ে গাইছি না।অন্যদিন গিটারের টুংটাং শব্দে একেএকে কয়েকটা গান গেয়ে ফেলি তবে অাজ সেই ইচ্ছেটা কেনো যেন মরে গিয়েছে।খুব অস্বস্তি লাগছে।অামি ছাদে এপাশ থেকে ওপাশে পায়চারি করছি।হঠাৎ কারো বেসুরো গলায় গানের শব্দ পেলাম।একটা মেয়েলি কন্ঠে ভেসে অাসছে।হঠাৎ করে শব্দটা পেয়ে অামি কিছুটা ভড়কে গিয়েছি।সে শব্দ অনুসরণ করে শব্দের উৎস খুজতে চেষ্টা করছি।অামার চোখেমুখে বিরক্তির ছাপ।অামি ছাদের পেছন দিকে যেতেই যে দৃশ্য অামার চুক্ষু অালিঙ্গন করলো।তাতে অামি মুহূর্তের মধ্যেই থমকে গেলাম।বুকের ভেতরে কেমন যেন এক শুড়শুড়ি অনুভূত হলো।অামি মুগ্ধহয়ে সে দৃশ্যের সাক্ষী হচ্ছি।সেদিন অামি অনেকটা সময় স্থিরদৃষ্টিতে দেখেছিলাম সে দৃশ্য।
অামি যখন ছাদের পেছন দিকে গেলাম।দেখলাম খোলাচুলে এক বালিকার নাচ বহুল অভিনয়।ছাদটা কাছাকাছি থাকায় তাকে খুব স্পস্ট ভাবেই দেখতে পাচ্ছিলাম।অদ্ভুতসুন্দর লাগছিল তাকে। একটা নীলচে সবুজ রঙের কামিজ।যেন সে কামিজ অামায় অজস্র বার সবুজ সিগনাল দিয়ে যাচ্ছে।মেয়েটা কানে হেডফোন দিয়ে উচ্চস্বরে গাইছে সাথে তার মাথাটা নাড়াচড়া করছে।যদিও তার সে গানের সুর ছিল খুব বেসুরো।তবে তার এই অদ্ভুতসুন্দর ভঙ্গিমার কাছে এসব কিছুই না।হঠাৎ করে সেই বালিকা অামার উচ্ছ্বাসিত প্রাণবন্ত মনে বিষাদের জল ঢেলে দিয়ে।ছাদ ছেরে চলে গেলো।অার অামি তার সে পথপানে তীর্থের কাকের মত চেয়ে রইলাম।
তবে এই সামান্য মুহূর্তে সে অামায় যা দিয়েছে তাতে কয়েকটা রাত নির্দ্বিধায় নির্ঘুম কেটে যাবে।
.
পরেরদিন সকাল থেকে বিকেলের জন্য শুধু অপেক্ষার প্রহর গুনেছি।অবশেষে বিকেল হলো।অামি খুব দ্রুততার সাথে ছাদে গেলাম।অাজ মন খুশির সীমান্তরেখা অনেক বেশি অতিক্রম করেছে।শুধু রঙিন স্বপ্ন বুনছে।কারো প্রতিক্ষায় অাছে অামার মন।সে কখন অাসবে কখন তাকে দেখবো।এখন একটা গান গাইতে খুব ইচ্ছে করছে।কিন্তু কোন গানটা গাইব তা নির্দিষ্টকরণ করতে ব্যর্থ অামি।গিটারটা নিয়ে কোন এক অপরূপার কথা ভাবছি।
হঠাৎ একটা সুমিষ্ট কন্ঠ অতি মৃদুহাওয়ার মত অালতো করে অামার কান ছুয়েছে।কন্ঠটা শুনে মনেহলো কেউ যেন মিষ্টান্নে তেতো কিছু ঢেলে মিষ্টিস্বাদকে তেতো করার চেষ্টা করছে।কারন সে কন্ঠটা সুমিষ্ট হলেও একটু কর্কশ ভাবে প্রকাশের চেষ্টা চলছে তা অামি বুঝতে পারছি।
--এক্সিউজমি অামাকে শুনতে পাচ্ছেন।
অামি খুব চটজলদি করে পেছনে তাকালাম।তাকিয়ে যা দেখালাম তাতে নিজের অজান্তেই অামার মুখের হা ধীরেধীরে প্রশস্ত হতে লাগলো।হালকা বাতাসে তার চুলগুলোর নাড়াচড়া।কানে ঝুমকা জোড়ার মৃদু দুলোন।কেমন যেন বিশুদ্ধায় ঘিড়ে অাছে তার কাজলকালো চোখের চাহুনি।না চাহুনিতে কিছু ঘাপলার দল ঘাপটি মেরে অাছে।তার চোখে অামার চোখ পরতেই মনেহলো।তার শান্ত চক্ষুদ্বয় অশান্তিজনক চাহুনিতে অামায় গ্রাস করবে।
খুব ক্ষিপ্তভাবে বলল।
---এভাবে বোকার মত হা করে অাছেন কেনো।জীবনে মেয়ে দেখেননি?
অামি তখন কি বলব কিছুই ভেবে না পেয়ে অস্পষ্টভাবে বললাম।
-------না মানে হা মানে না।
---শুধু তোতলান কেনো অার মানে মানে কি?এখন তোতলাচ্ছেন কিছুই বোঝেন না।কাল তো ঠিকই লুকিয়ে লুকিয়ে অামায় দেখেছেন।কি প্রমান করতে চান।ভদ্রতার সাগর অাপনি?
এই মুহূর্তে অামি তার ব্যবহারে কিছুটা অাতঙ্কীত বোধ করছি।তবে যখন অামার চরিত্রহনন চলছে তখন অার চুপ থাকা ঠিক হবে না।
----দেখুন অামার সম্পর্কে অাপনার যে ধারনা সেটা সম্পূর্ন ভুল।অামি তেমন ছেলে না।
--তবে অাপনি কেমন ছেলে?লুকিয়ে লুকিয়ে মেয়েদের দেখেন অাবার বলেন তেমন ছেলে না?
অামি তার এরূপ ঝাঝাল কথার কাছে অসহায়ত্ব বরন করে কিছুটা ভয়াতুর ভাবে বললাম।
-----মানছি সেদিন অামি অাপনাকে লুকিয়ে দেখেছি।তার মানে এই না যে অামি সব মেয়েদের লুকিয়ে দেখি।শুধু একটা মেয়েকে লুকিয়ে দেখেছি।যাকে প্রথম দেখেই অামার দুনিয়া থমকে গিয়েছিল।নিজেকে সামলানোর বহু চেষ্টা করেও অামি ব্যার্থ হয়েছি।জীবনে অনেক মেয়ে দেখেছি তবে তাকে দেখার পরে।অামার ভেতরে অদ্ভুত এক অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছে।সত্যিই বলতে অাপনি অদ্ভুত সুন্দর।
সে রাগি ভঙ্গিমায় বলল।
----রাখেন আপনার সুন্দরী!যতসব পাগলের পাল্লায় অামাকে পড়তে হয়।
--কই রাখব বলেন?
এবার সে তার মুখটা কেমন যেন বাকিয়ে কড়া ধমক দিয়ে বলল।
----ফাজলামি করেন?
কি ভাবেন নিজেকে বলেন কাল লুকিয়ে লুকিয়ে অামাকে দেখে হাসছিলেন কেনো?
---সত্যি বলতে অাপনাকে দেখার পরে শুধু দেখে যেতে ইচ্ছে হচ্ছিল তাই দেখেছি।অার হাসি পেয়েছে তাই হেসেছি।
----এ কেমন উত্তর।অাপনার মাথায় নির্ঘাত বড় ধরনের সমস্যা অাছে।
---তা ঠিক কাল অাপনাকে দেখার পর অামারও মনে হচ্ছে মাথায় সমস্যা দেখা দিয়েছে।
এটা বলতেই সে তার চোখদুটো বড় করে অামার দিকে একদৃষ্টিতে চেয়ে অাছে।অামি তার সে চাহুনি উপেক্ষা করে একটু বেশি সাহসের সঞ্চার করে বললাম।
----কাল হঠাৎ করে এভাবে চলে গেলেন কেনো?
-----যাবো না তো কি করবো।যে ভাবে পাগলের মত হা করে তাকিয়ে ছিলেন।তাতে মনে হচ্ছিল না থাক কিছুনা।
তার এরূপ চটপটে কথার ধরন দেখে অামি মুচকি হাসতেই।সে তার অাঙুলটা উচিয়ে বলল।
------অাপনার খবর অাছে।নেহাত অাজ সময় কম তাই চলে যাচ্ছি।বি কেয়ার ফুল।
.
এরপর পরের দিন গুলো ছিলো অামার কাছে স্বপ্নের মতো।প্রায় প্রতিদিনিই অামাদের কথা হতো।শুরুতে অবশ্য রাত্রির ঝাড়ি চোখ রাঙানি দেখে অামাকে শান্ত থাকতে হতো।ধীরেধীরে সময় যত গড়ালো তার ঝাড়ি গুলো ভালোবাসার রংঙে মিলেমিশে একাকার।তারপরে নিজেদের অজান্তেই দুজনের প্রতি দুজনের গভির অনুভূতির সৃষ্টি।রাত্রির অনুপস্থতিতে অামি অস্থির হয়ে যেতাম।মাঝেমাঝে রাত্রির কথায় মনে হতো সে অামাকে খুবকরে চায়।প্রতিদিন গোধুলির চাদর অামাদের অালাদা করে ফেলত বাকি পৃথিবী থেকে।তখন অামাদের শরীর দুরে থাকলেও মন ছিলো খুব কাছাকাছি।যখন অাকাশে সন্ধ্যাতারা খুব স্পষ্ট ভাবে দেখা যেত।তখনই রাত্রির অদৃশ্য এক ছুটির ঘন্টা বেজে উঠতো।সে চলে যেতো অামি তার সে পথে চেয়ে থাকতাম।
.
না অামাদের প্রেমটা বাংলা ছবির মত সংশয়ের বেড়াজালে পরেনি।কোন সমস্যা ছারা অামরা সম্পর্কের পূর্নতা পাই।পরিবারের সম্মতিতে অামাদের বিবাহকার্য সম্পূর্ন হয়।
রাত্রির মতে এসব কিছু হয়েছে সেই সন্ধ্যা তারার জন্য।সে প্রতিদিন সন্ধ্যা তাঁরা দেখতে ছাদে অাসতো সেখান থেকেই ছাদের গল্পের শুরু।বাসররাতে তার অাবদার রোজ রাতে সে অামাকে নিয়ে অাঁকাশ দেখবে।একে তো বাসররাত যদি অসম্মতি জানাই তাহলে বাসর রাত বরবাদ হয়ে যাবে।তাই অামি তার অদ্ভুত বায়নায় সায় দিলাম।
.
হঠাৎ দরজায় ধপাস শব্দে অামি বাস্তবে ফিরলাম।রুমে রাত্রিকে না দেখে।বুঝতে বাকি রইলো না সে মাত্র রেগেমেগে রুম থেকে ছাদের উদ্দেশ্যে একাই চলেছে।
অতপর নিজেই নিজেকে তিরস্কারের ভঙ্গিতে বলছি।
---দুনিয়ার প্রথম অভাগা অামি।যার এত সুন্দর একটা বউ থাকতে কম্বলটাকে একা গরম করতে হচ্ছে।হায়রে সন্ধ্যাতারা বউ থাকতেও তোর জন্য বউ ছারা।
দরজার শব্দ রাত্রি ওয়াশ রুম থেকে বের হলো।তার মানে সে ছাদে যায়নি।
রাত্রি তার রাগি মুখটা অারো রাগি করে বলল।
----অামি গেলাম তুমি শান্তিতে ঘুমা।
----মনেহয় খুব রেগেছ।তুই তুমি দুটোই বলছ।
---যা ইচ্ছা তাই বলব।তুই বলছি কি করবা।
---একা যাবে অামাদের ছাদে তো পেত্নী থাকে।
------ঐ হিমেল তুই বললি।
----না মানে বললাম।তুমি জানো বিয়ের পর অামার অক্সিজেনের সমস্যা হয়।
রাত্রি এবার তার হাসি অাটকে রাখতে পারল না।
---সে রাগি মুখটায় মুচকি হাসিতে বলল।অার পেত্নীতে বউ নিয়া গেলে সারাজীবনের জন্য অক্সিজেনের অাশা শেষ।
রাত্রি ছাদের উদ্দেশ্যে চলল।অার অামি তার পেছনে চলছি।তবে ছাদে যেতেই রাত্রির দেখা নাই।অামি অন্ধকারে ছাদের সবখানে তন্নতন্ন করে খুজেও তাকে পেলাম না।অামি জানি সে এখানে কোথাও লুকিয়ে অাছে।সে হয়তো অামার পেছনে হয়তো বা অামার পাশে দাড়িয়ে অাছে।হয়তো এখন সে অামায় অক্সিজেন দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ছাদঘর থেকে শুরু!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now