বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
শিল্পী আব্বাসউদ্দিন একদিন অনেক খোঁজাখুঁজি
করে নজরুলকে না পেয়ে সকালে তার বাসায় গেলেন।
বাসায় গিয়ে দেখলেন নজরুল গভীর মনোযোগ দিয়ে
কি যেন লিখছেন। নজরুল ইশারায় আব্বাসউদ্দিনকে
বসতে বললেন। আব্বাস উদ্দিন অনকেক্ষণ বসে
থাকার পর জোহরের নামাজের সময় হলে তিনি
উসখুস করতে লাগলেন। নজরুল বললেন, “কি তাড়া
আছে, যেতে হবে?” আব্বাসউদ্দিন বললেন, “ঠিক
তাড়া নেই, তবে আমার জোহরের নামাজ পড়তে
হবে। আর এসেছি একটা ইসলামি গজল নেবার জন্য।
গজল না নিয়ে আজ যাওয়া হচ্ছে না।” [নজরুলকে
যেহেতু বাউন্ডেলে স্বভাবের কারণে পাওয়া যেত না,
তাই সবাই এইভাবে লেখা আদায় করত] নামাজ
পড়ার কথা শুনে নজরুল তাড়াতাড়ি একটি পরিস্কার
চাদর তার ঘরের আলমারি থেকে বের করে বিছিয়ে
দিলেন। এরপর আব্বাস উদ্দিন যথারীতি জোহেরর
নামাজ শেষ করার সাথে সাথে নজরুল
আব্বাসউদ্দিনের হাতে একটি কাগজ ধরিয়ে দিয়ে
বললেন, “এই নাও তোমার গজল।” আব্বাস উদ্দিন
বিস্ময়ের সাথে দেখলেন তার নামাজ পড়তে যে সময়
লেগেছে ঠিক সেই সময়ের মধ্যে নজরুল সম্পূর্ণ
একটি নতুন গজল লিখে ফেলেছেন। নীচে গজলটি দেয়া
হলো:
হে নামাজী আমার ঘরে নামাজ পড় আজ
দিলাম তোমার চরণ তলে হৃদয় জায়নামাজ।
আমি গোনাহগার বে-খবর
নামাজ পড়ার নাই অবসর
তব, চরণ-ছোওয়ার এই পাপীরে কর সরফরাজ
হে নামাজী আমার ঘরে নামাজ পড় আজ।
তোমার অজুর পানি মোছ আমার পিরহান দিয়ে
আমার এই ঘর হউক মসজিদ তোমার পরশ নিয়ে;
যে শয়তান ফন্দিতে ভাই
খোদার ডাকার সময় না পাই
সেই শয়তান থাক দূরে (শুনে) তকবীরের আওয়াজ
হে নামাজী আমার ঘরে নামাজ পড় আজ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now