বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রাত ঠিক ১২টা বাজলেই গ্রামের পুরোনো ডাকবাক্সটিতে একটি করে চিঠি এসে পড়ত। কেউ কখনও চিঠি রাখতে দেখেনি, আবার কেউ নিতে আসতেও দেখেনি।
গ্রামের মানুষ ভয় পেত। তাই বহু বছর ধরে কেউ সেই ডাকবাক্স ছুঁয়েও দেখেনি।
একদিন শহর থেকে আসা তরুণী সাংবাদিক ইশা এই রহস্যের কথা শুনে সিদ্ধান্ত নিল— সে সত্যিটা জানবেই।
রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে সে ডাকবাক্সের সামনে লুকিয়ে রইল।
১২টা বাজতেই হঠাৎ ঠান্ডা বাতাস বয়ে গেল। চারপাশ নিস্তব্ধ। পরের মুহূর্তেই টুপ করে একটি চিঠি ডাকবাক্সে পড়ল।
ইশা দৌড়ে গিয়ে চিঠিটি খুলল।
তাতে মাত্র এক লাইন লেখা—
"যে এই চিঠি পড়ছে, পরের চিঠি তার জন্যই লেখা হবে।"
ইশা হেসে বলল, "এ তো কারও মজা।"
পরদিন সকালে সে বিষয়টি ভুলেই গেল।
কিন্তু সেই রাতেই তার দরজার নিচ দিয়ে একটি খাম ঢুকে এল।
খাম খুলতেই সে দেখল— ভেতরে লেখা আছে সারাদিনে সে যা যা করেছে, সবকিছু। এমনকি শেষ লাইনটি ছিল—
"আগামীকাল বিকেল ৫টা ১৭ মিনিটে তুমি আবার এই চিঠি পড়বে।"
অবাক হয়ে ইশা ঘড়ির দিকে তাকিয়ে রইল।
পরদিন ঠিক ৫টা ১৭ মিনিটে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেল। অন্ধকারে খুঁজতে গিয়ে আবার সেই চিঠিটাই হাতে উঠে এল।
এবার তার নিচে নতুন একটি লাইন ফুটে উঠল—
"এখনও সময় আছে। যদি জানতে চাও কে লিখছে, তবে আজ রাত ১২টায় ডাকবাক্সে নিজের নাম লিখে রেখে এসো।"
সাহস করে সে তাই করল।
রাত ১২টা পেরোতেই ডাকবাক্স খুলে দেখল, তার কাগজটি নেই।
তার বদলে একটি পুরোনো সাদা-কালো ছবি।
ছবিতে দাঁড়িয়ে আছে এক তরুণী...
মুখটা হুবহু ইশার মতো।
পেছনে লেখা—
"আমি তুমিই। তবে ৩০ বছর পরের। কিছু ভুল শুধরে দেওয়ার জন্যই এই চিঠিগুলো লিখছি। কিন্তু সাবধান... আগামী চিঠি যদি না পড়ো, তাহলে আমার মতো তোমার জীবনও বদলে যাবে।"
ইশা আকাশের দিকে তাকাল।
দূরে আবার টুপ করে আরেকটি চিঠি ডাকবাক্সে পড়ার শব্দ হলো... আর গল্পটা সেখানেই শেষ নয়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now