বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

শেষ বিকেল অথবা ছায়াকন্যার গল্প

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X শেষ বিকেল অথবা ছায়াকন্যার গল্প . এই মুহুর্তে আমাদের বাসায় ভয়াবহ অবস্থা চলছে। আক্ষরিক অর্থেই ভয়াবহ। আমার ছোট খালার গায়ে একটা টিকটিকি পড়ায় তিনি চিৎকার দিয়ে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছেন। তার চিৎকার শুনে রান্নাঘর থেকে ছুটে আসতে গিয়ে মা দরজায় পা বেঁধে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। কাজের মেয়েটা সব দেখে পুরোপুরি বিভ্রান্ত হয়ে গিয়ে এদিক ওদিক ছোটাছুটি করছে। বাবা উঁচু গলায় ধমক দিচ্ছেন সবাইকে। বইয়ে অনেকবার পড়েছি গগনভেদী চিৎকার। আজ শব্দটার সাথে বাস্তবে পরিচিত হলাম। আমি হেডফোনে গান শুনছিলাম। হঠাৎ সেই গানের শব্দ ছাপিয়ে কানে ভেসে এলো "ওরে আপা রে ", আমি অবাক হয়েই কান থেকে হেডফোন সরালাম। হেডফোনে যথেষ্ঠ জোরে সাউন্ড দিয়েই গান শুনি আমি, সেই শব্দ ছাপিয়ে যখন কারো চিৎকার কানে আসে তখন বুঝতে হবে ব্যাপার গুরুতর। আমার উচিৎ ছুটে গিয়ে ব্যাপার কি দেখে আসা। কিন্তু আমি ছুটে না গিয়ে আস্তে ধীরেই গেলাম , কারন ছোট খালা অল্প কিছুতেই চিৎকার চেঁচামেচি করতে ভালোবাসেন। আমার ধারনা এটা তার শখের মত ব্যাপার। আমি ধীরে সুস্থেই গেলাম এবং গিয়ে দেখলাম কাহিনী যা হওয়ার তা হচ্ছে। এখন আমি সামনের রুমে বসে আছি, সোফায় পা তুলে। ইতিমধ্যে বাবা এসে একবার আমাকে চোখ বড় বড় করে দেখে গেছেন। আমি বাবার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসি দিয়েছি। বাবার চোখ আরো বড় বড় হয়ে গেলো। তাকে দেখে মনে হলো, তিনি চোখের সামনে কোন এলিয়েন দেখছেন। "ভাইয়া টিকটিকির লেজ পড়ে যায় কেন?", অত্যন্ত গম্ভীর মুখে আমার সামনে এসে প্রশ্নটা করলো ইমন। ছোট খালার ছেলে, পাঁচ বছর বয়স। আমি আমার বাইশ বছরের জীবনে এমন অসাধারন দুষ্টু ছেলে দেখিনি। সে তার দুষ্টামি গুলো করে অত্যন্ত শান্ত-গম্ভীর ভাবে এবং এরপর যখন তাকে এর জন্য ধরা হয়, তখন ও সে শান্তই থাকে। দুই দিন আগে ভাত খেতে বসে হঠাৎ টের পাওয়া গেলো তরকারীতে কড়া ন্যাপথলিনের গন্ধ। ইমনকে চেপে ধরতেই সে শান্তভাবে জানালো নতুন কিনে আনা ন্যাপথালিনের প্যাকেট পুরোটাই গুঁড়ো করে সে তরকারীতে মিশিয়ে দিয়েছে। "টি্কটিকির লেজ নিয়ে ঘুরতে বিরক্ত লাগে, তাই লেজ ফেলে দেয়। কিন্তু তুই হাত পেছনে মুঠো করে রেখেছিস কেন?", বললাম আমি। ইমন হাত সামনে এনে অল্প ফাক করে দেখালো। ওর হাতে মাঝারি সাইজের একটা টিকটিকি। আমি কিছু বললাম না। ছোট খালু একমাসের জন্য বাইরে গেছেন। খালা আরো বেশ কিছুদিন আমাদের এখানে থাকবেন। কথাটা মনে করে দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। . ভেতরের রুম থেকে ছোট খালা এবং মা দুইজনেরই হাসি শোনা যাচ্ছে। আমি উঠে দাঁড়ালাম। ব্রিজের ওদিক থেকে ঘুরে আসা যাক। মফস্বলে থাকার দারুন একটা মজা আছে। আর তা হলো ইচ্ছেমত যেদিকে খুশি ঘুরে বেড়ানো যায়। ভার্সিটি থেকে যে কয়দিনের ছুটিতে বাসায় আসি , সে কয়দিন ইচ্ছেমত ঘুরে বেড়াই। এবার তো প্রায় মাস খানেকের ছুটি আছে। রাস্তায় বের হতেই টের পেলাম বিকেলের রোদের সাথে একটু একটু ঠান্ডা বাতাস ও আছে। আমাদের এদিকে একটু আগে আগেই শীত নামে। রাস্তা একদম ফাঁকা। হাঁটতে দারুন লাগছে। মিনিট পনেরোর মত হাঁটলেই সেতুটায় যাওয়া যায়।রীতিমত বড় সেতু। নদীর পাড় থেকে বাঁধানো চত্বরের সাথে সেতুর সিঁড়ি দেয়া আছে। সেটা ধরে সেতুর উপরে চলে যাওয়া যায়। আর গাড়ি সেতুতে ওঠে অন্য দিকের রাস্তা দিয়ে। চমৎকার ব্যাপার। ঘোরার জন্য খুব ভালো জায়গা। কিন্তু মফস্বল বলেই খুব একটা মানুষ এখানে দেখা যায় না। সেতুর নিচের বাঁধানো চত্বরটা প্রায় ফাঁকা। আমি সিঁড়ি ধরে উপরে চলে এলাম। দারুন লাগছে হাঁটতে। অল্প অল্প বাতাস। সেতু পুরো পার হয়ে ওপারে নিচে নেমে কিছুদূর হাঁটলেই দুটো চায়ের দোকান আছে। একদম নিরিবিলি জায়গা। মাঝে মাঝেই গিয়ে গাছের ছায়ায় চায়ের দোকানের বেঞ্চগুলোতে বসে থাকি আমি। একটু দূর দিয়ে হুশ করে গাড়ি গুলো ছুটে যায় সেতুর দিকে। দেখতে ভালো লাগে। উলটো দিকে ফিরে বসলে ওদিকের গ্রামের বিশাল একটা দীঘি আর ধানক্ষেত দেখা যায়। চায়ের দোকানের বেঞ্চে বসতেই দোকানদার হাসিমুখে চা বানানো শুরু করে দিলো। কিছু বলা লাগে না, প্রায়ই আসি তো তাই। রাস্তার দিকে মুখ করে বসতেই টের পেলাম শেষ বিকেলের আলো নেমেছে। ঠিক তখনই চোখের কোনে অন্য এ্কটা নড়াচড়া লক্ষ্য করতেই সেদিকে তাকালাম। আচ্ছা, সেই মেয়েটা এসেছে। গত কয়েকদিন ধরেই বিকেলে দেখি এদিকে আসে। ওপাশের চায়ের দোকানটার কিছুটা দূরে একটা টং এর মত বানানো আছে। ওখানে এসে বসে। নিজের মনে পা দুলিয়ে চা খায়। কখনো আবার হাঁটতে হাঁটতে রাস্তা পার হয়ে সেতুর দিকেও যায়। দেখে মনে হয় ওদিক থেকেই আসে। কিন্তু গ্রামের মেয়ে বলে মনে হয় না। আজকেও মেয়েটা বসে আছে টং এ। আমি চায়ে চুমুক দিয়ে সামনে তাকালাম। সেতুর উপর থাকা সোডিয়াম লাইটগুলো এক এক করে জ্বলে উঠছে। সুন্দর লাগছে দেখতে। "মামা কফি দেন এক কাপ", চা শেষ করেই বললাম আমি। কফিও এখানে পাওয়া যায় মাঝে মাঝে! আমার কথা শেষ হতেই পেছন থেকে শুনলাম কেউ বলছে, "কফি হবে?"। পেছনে তাকাতেই দেখলাম মেয়েটা। "কফি তো এক প্যাকেটই আছে, এই মামায় তো বইলা দিছে", দোকানদার আনন্দিত ভাবে বলল! মেয়েটাকে মনে হলো দারুন হতাশ হয়েছে। নিতান্ত বাধ্য হয়েই বললাম , "আপনি নেন কফি। অসুবিধে নেই"। "প্রায়ই দেখি আপনাকে এদিকে। এখানেই বাসা নাকি আপনার?" , কফিতে চুমুক দিতে দিতে জিজ্ঞেস করলো মেয়েটা। আমার পাশে বসে আছে। আর কফির গন্ধে আমার রীতিমত মন খারাপ! " আপনাকেও তো দেখি, আপনি কোথায় থাকেন",জানতে চাইলাম আমি। "কাছেই", ছোট্ট করে জবাব দিলো মেয়েটা। কিছুক্ষনের মধ্যেই জানলাম মেয়েটার নাম নীহার, এখানে ওদের বাড়ি। ও নিজে থাকে ঢাকায় , ভার্সিটিতে পড়ছে। কথা বলতে বলতে পুরো সন্ধ্যা নেমে গেছে। আর তখনই একদম একসাথে ধুপ করে সেতু এবং দুই পাশে রাস্তার সবগুলো লাইট নিভে গেলো। মেয়েটা একদম অবাক হয়ে বলল, "কি সুন্দর লাগছে! দেখছেন।! ইশ কারেন্ট গেলে এত সুন্দর লাগে এখানে! আগে দেখিনি তো!"। গতকাল প্রবারনা পুর্নিমা ছিলো। আজ তাই সন্ধ্যার সাথে সাথেই আকাশে বিশাল চাঁদ। হঠাৎ করে কারেন্ট চলে যাওয়ায় চাঁদের আলোয় সত্যি অদ্ভুত লাগছে সেতু এবং চারপাশের এলাকাটাকে। "যতক্ষন কারেন্ট না থাকে ততক্ষনই ভালো", আনন্দিত গলায় বল নীহার। "আপনার আশা পূরন হচ্ছে না। কোন কারনে হয়ত কারেন্ট গিয়েছে। এক্ষুনি চলে আসবে। এখানে কখনো কারেন্ট অফ রাখা হয় না। ", আমার কথা শেষ না হতেই কারেন্ট চলে এলো। নীহার ভ্রূ কুঁচকে এমনভাবে আমার দিকে তাকালো যে , আমি লজ্জা পেয়ে গেলাম! যেন কারেন্ট চলে আসার দোষটা আমার! "আমি যাই এবার। ধন্যবাদ কফি খাওয়ানোর জন্য", বলল নীহার। "এখান থেকে হেঁটে একা যাবেন নাকি? ভয় লাগবে না?", হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করলাম আমি। " সামনে একটু হেঁটেই পথের বামে নেমে গেলে আমাদের গ্রামের রাস্তা। শুরুতেই আমাদের বাড়ি। ভয় কিসের", কথাগুলো বলে ওদিকে হাঁটতে শুরু করলো নীহার। . পরদিন বিকেলে চায়ের দোকানে বসার আগেই দূর থেকে দেখলাম টং এর উপর বসে আছে নীহার। আমিই এগিয়ে গেলাম। "কেমন আছেন?", সামনে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলাম। "গ্রামের ওদিক ঘুরতে গেছেন কখনো? নাকি শুধু এখানে এসেই বসে থাকেন?" , পাটা প্রশ্ন করলো নীহার। "না, গ্রামের ভিতরে যাই নি। আসলে বেশিদিন তো থাকা হয় না"। "হুম, শহুরে ভাব", অন্যদিকে তাকিয়ে বলল নীহার। আমি তো অবাক। এ দেখি আক্রমনমূলক কথা! " চলেন, আজকে আপনার গ্রামেই যাওয়া যাক। ঘুরে দেখি আপনার গ্রাম", কথাটা বলতেই দাঁড়িয়ে উঠে নীহার বলল , "চলেন"। আরেকবার অবাক হতে হলো। এই মেয়ে দেখি একটু পাগলি টাইপ আছে! “আমাদের গ্রামটা দারুন। নদী কিন্তু ওদিক থেকে বাঁক নিয়ে গ্রামের একদম শেষ প্রান্ত ঘেঁষে গিয়েছে। ওখানে একটা বটগাছ আছে। যেদিন খুব জোছনা হয়, আমি ওখানে মাঝে মাঝে গিয়ে বসি ", হাঁটতে হাঁটতে বলছে নীহার। "আপনার বাড়িতে কেউ কিছু বলে না?", অবাক হয়েই জানতে চাইলাম আমি। "বাড়িতে আছেন শুধু বাবা আর ফুপু। আমাকে ওরা জানে। তাই কিছু বলে না", কথাটা শুনে আরো অবাক হয়ে তাকালাম আমি নীহারের দিকে। আপনমনে কথা বলছে ও। একপাশের চুলগুলো বাতাসে উড়ছে ওর। অদ্ভুত সুন্দর লাগছে শ্যামলা-রোগামত মেয়েটাকে। আমার কাছে সবকিছু ঘোরের মত লাগছে! . গত কয়েকদিনে আমার ঘোরটা কাটেনি। অনেক বেশি বেড়েছে। আজ ও আমি বসে আছি নীহারের পাশাপাশি। ওপাশের দোকানে কয়েকটা ছেলে মেয়ে এসেছে একসাথে। হৈ-হুল্লোড় করে চা খাচ্ছে ওরা। " আপনার সাথে কথা বলতে খুব ভালো লাগে", রাস্তার দিকে তাকিয়ে বললাম আমি। "আরে! আপনি কি আমার প্রেমে পড়ে গেছেন নাকি! কেমন করে যেন কথা বলছেন ", সরাসরি আমার দিকে তাকিয়ে বলল নীহার। আমি তখন লজ্জায় মাটির সাথে মিশে যাচ্ছি! আমার লজ্জা দেখে আরো জোরে হেসে উঠলো নীহার। ওদিক থেকে ছেলে-মেয়েগুলো অবাক হয়ে তাকাচ্ছে। "এত লজ্জা পাবেন না। চা নিয়ে আসুন। তা্রপর আমি বলবো যে, আপনার সাথে কথা বলতে আমার কেমন লাগে!", কোনমতে হাসি থামিয়ে বলল ও। আমি চায়ের দোকানের দিকে গেলাম। চা নিয়ে এদিক ফেরার আগেই তীব্র কর্কশ একটা শব্দ শুনে চমকে পেছন ফিরতেই আমি দেখলাম বসার জায়গাটা থেকে কয়েক হাত দূরে ছিটকে পড়ছে নীহার , আর একটু সামনেই রাস্তার পাশ থেকে ধান ক্ষেতের দিকে উলটে যাচ্ছে একটা মাঝারি পিক আপ। কিভাবে ব্রিজের দিকে ছুটে গিয়ে একটা মাইক্রোবাসকে থামিয়েছি , তা আমি নিজেই বুঝতে পারি নি। মাইক্রোবাসে আমি বসে আছি নীহারের মাথা ধরে। সাথে আছে ওপাশের চায়ের দোকানে বসে থাকা ছেলে মেয়েগুলো। কিছুক্ষন পরেই খুব স্পষ্টভাবেই টের পেলাম নীহার আর নিঃশ্বাস নিচ্ছে না। . ভদ্রলোক নিঃশব্দে আমার দিকে তাকিয়ে আছেন। আমি তাকিয়ে আছি নীচের দিকে। সভ্য সমাজে বাস করার খুব যন্ত্রনা। এখানে অনেক অদ্ভুত নিয়ম-কানুন মানতে হয়। তার মধ্যে একটা হচ্ছে ছেলেরা কাঁদতে পারবে না। আমি এই মুহুর্তে সেই নিয়ম মানার চেষ্টা করছি। " কাল কি আপনার কোন বিশেষ দিন? ", কিছুটা চমকেই তাকালাম আমি ভদ্রলোকের দিকে। কাল ২ রা নভেম্বর। এই দিনই নীহারের সাথে শেষ কথা হয়েছিলো। ওই জায়গাটায় কাল যেতে না পারলে আমার অসহ্য লাগে। তাই,অফিস মোটামুটি ফেলে এসেই বাসে উঠেছি। "অবাক হবেন না, মাঝে মাঝে আমার ইন্ট্যুইশন ভালো কাজ করে"। আমি কিছু বললাম না। ভদ্রলোক বাস কাউন্টারে বসে থাকা অবস্থায় আমাকে অবাক করে দিয়ে বলেছিলেন, আমি একটা গল্প শুনতে চাই কিনা। আমি বিস্মিত হয়ে মাথা নাড়তেই তিনি তার জীবনের অদ্ভুত এক গল্প আমাকে শুনিয়েছিলেন। এরপর বাসে উঠে কথায় কথায় কিভাবে যে আমার নিজের কথাগুলো চলে এলো তা টের পাই নি। ভদ্রলোক চুপ করে জানালার দিকে তাকিয়ে আছেন। আমিও তাকালাম বাইরের দিকে। . অন টপিকঃ কিছুদিন আগে একটা গল্প লিখেছিলাম। যেখানে একজন মধ্যবয়স্ক ভদ্রলোক তার তরুন সহযাত্রীর কাছে নিজের জীবনের গল্প বলছেন বাস কাউন্টারে বসে। সেই ধারাবাহিকতায় মনে হলো , এবার নাহয় সেই তরুনের গল্প শোনা যাক। দুইজন মানুষ, যাদের জীবনে দু'রকমভাবে এসেছে দুটো না পাওয়া, তাদের পাশাপাশি বসিয়ে কিছু না জানা কথা শোনার লোভ সামলাতে পারিনি। . ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১২ রাত ৯:২১ মিনিটে সামুতে লেখাটি প্রথম পোস্ট করেছিলাম .নাহিয়ান বিন হোসেন


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ শেষ বিকেল অথবা ছায়াকন্যার গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now