বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

শালী দুলাভাই এরর প্রেম

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X নাম দেখেই খারাপ ভাব্বেন না আগে গল্পটা পড়েন তার পর বলুন। : : : ___নিসাত এর বোনের আজকে বিয়ে। খুব খুশি সে,বড় বোনের বিয়ে বলে কথা। সারা বাড়ি মাতিয়ে রাখছে। হই হুল্লর করে। বিয়ের সব কিছু ঠিক ঠাক মত চলল, যখন নিসাত এর আপু কে বিদায় দিবে ঠিক করা হল মেয়ের সাথে নিসাত এর যেতে হবে। নিসাত এর প্রথমে যেতে চাইল না, ভাবল তবে নীল এর সাথে কয়দিন দেখা হবে না। ও নীল তার বয়ফ্রেন্ড এর নাম। অনেক ভালবাসে নীল। নিসাত ও তাকে অনেক বেশি ভালবাসে। নিসাত নীল কে এসএমএস দিয়ে বলল আমি আপুর সাথে তার শ্বশুর বাড়ি যাচ্ছি সময় পেলে ফোন দিব। নিসাত এর আপু বিদায় এর বেলায় অনেক কান্না কাটি করল। সব শেষে নিসাত এর আপুদের গাড়ি রওয়না দিল। নিসাত এর আপু,নিসাত আর তার দুলাভাই আর কিছু লোক এক সাথে যাচ্ছে। নিসাত মাঝে মাঝে ফলো করছিল তার দুলাভাই তার দিকে তাকাচ্ছে। নিসাত ফান করেই বলল কি দুলাভাই এত কি দেখেন? তার দুলাভাই বলে বসল দেখছি আমার বউ এর থেকে শালী বেশি সুন্দরী। নিসাত একটু লজ্জা পাইল। অনেক টাইম পর তারা চলে আসল তাদের দুলাভাই এর বাড়ি। বাড়ির সবাই তাদের বরণ করল। অনেক গল্প হল সারাক্ষন। নিসাত ও ভাবতে লাগল তার দুলাভাই অনেক মজার লোক।আর ভাবতে লাগল আপু অনেক লাকি তাই এমন ভাল মানুষ কে পাইছে তার জীবনে। কিন্তু নীল কি তালে এত ভালোবাসবে? এই কথা ভাবতে ভাবতে নীল কে ফোন দিল.................. নিসাত - বাবু কি কর তুমি? নীল - একটু অভিমানীর স্বরে এইত বাসায়। নিসাত - বাবু তুমি কি রাগ? প্লিজ রাগ করো না আমি তোমায় ছেড়ে আসতে চাইনি। কি করব বল সবাই জোড় করে পাঠিয়ে দিল আর আমি তো ২দিন পর চলে আসছি। নীল- আচ্ছা কি আর করা তারাতারি এস। আর আসার সাথে সাথে দেখা করবে। নিসাত- আচ্ছা ঠিক আছে বাবু। নীল - কিন্তু শোন বিয়ে বাড়ি সবাই ভাল না।রাতে একটু সাবধানে থেক। আর একলা ঘুম পরো না। নিসাত - আরে ভেব না আমার দুলাভাই খুব ভাল। কিছু হবে না।আর আপু আছে না। ; ; ; নীল একটু বেশি চিন্তা করে তার জন্য। অনেক ভালবাসে দেখে এত চিন্তা করে। ; ; যার প্রতি ভালবাসা বেশি থাকে তার জন্য চিন্ত ও বেশি থাকে। নিসাত অনেক মজা করল সবার সাথে এখন গুমানোর পালা। নিসাত আর আপু তাদের বাসরঘর এ গেল। আর নিসাত কে আলাদা একটা রুম দেওয়া হল নিসাত সেই খানে থাকবে। রাতে নীল কে আবার ফোন দিয়ে কথা বলে গুমাতে গেল। : : তাদের কথা বলা দেখা করা খুব কম হয়,দূরে থাকলে ও তাদের ভালোবাসা ১বিন্দু কমেনি। : : পরের দিন সকালে নিসাত এর একটা মেয়ের সাথে পরিচয় হল তার বোনের খালাত ননদী। মেয়েটার নাম ছোঁয়া। অনেক কথা হল ছোঁয়া এর সাথে। আজকে তারা গুরতে যাবে সবাই, নিসাত ছোঁয়া কে বলল চল তুমিও আমাদের সাথে,ছোয়া বলল না আমি যাব না। আমি গেলে তোমার দুলাভাই এর প্রব্লেম হতে পারে। আর নিসাত কে বলল পারলে দুলাভাই এর কাছ থেকে দূরে দুরে থেক। : ; এই বলে মেয়েটা হাসতে লাগল। নিসাত ভাবল মজা করছে ছোঁয়া। তারা সবাই ঘুরে বিকালে আসল বাড়িতে অনেক টা ক্লান্ত। : : বিকালে সবার সাথে গল্প করে রাতের খাবার খেয়ে গুমিয়ে পরল। রাত তখন ২টার বেশি নিসাত ঘুমাচ্ছে....................... : : হঠাত তার ফোনে ফোন আসল তার দুলাভাই এর নাম্বার থেকে নিসাত হ্যলো ভাইয়া এত রাতে? নিসাত এর দুলাভাই বলছে, নিসাত তোমার আপু একটু অসুস্থ তুমি একটু দরজা খুলে আস। নিসাত কিছু চিন্তা না করেই দরজা খুলে আসতে লাগল। যেই দরজা খুলল দেখল কেউ হাত দিয়ে তার মুখ চেপে ধরে আবার তার রুমের মধ্যে নিয়ে যাচ্ছে। তার কিছু বলার শক্তি পাচ্ছে না। একটা ওরনা দিয়ে তার মুখ বেধে আর হাত পা বেধে খাটে ফেলে দিল। রুমের দরজা লক করল। কি করবে নিসাত দেখল তার দুলাভাই নিজে। নিসাত এর আর কিছু বুঝতে বাকি রইল না। : : পশুটার যা মন চাইল করল নিসাত কিছু করতে পারল না শুধু তার নীলের কথা মনে পরতে ছিল। নীল তাকে সত্যি বলছিল। ছোঁয়া মেয়েটার কথা মনে পরছিল সে ঠিক বলছিল। তার দুলাভাই তার মুখের বাঁধন খুলে তাকে বলল এই কথা যদি কাউকে বলিস তবে তোর বোনকে তালাক দিব। সারা জীবনের জন্য দুই বোন পস্তাবি। : : : নিসাত শুধু কাঁদছে আর চোখেরজল ফেলছে। কিছু করার নাই তার,কি করতে পারবে, কাউকে কিছু বলতে গেলেই নিজের বোনের শুরু হওয়া সংসার ভেঙে যাবে। নিজের মনের মধ্যে কষ্ট লুকিয়ে ৩দিনের দিন বাড়ি ফিরে গেল। আর ভাবছে নীলের সাথে দেখা করবে কিনা। এই কয়দিন নীল অনেক বার ফোন দিছে কিন্তু কোন উত্তর দেয়নি সে। একবার ভাবে নিজের জীবন নিজে শেষ করে দিবে আবার ভাবে না আগে নীল কে একবার বলুক,দেখুক সে কি বলে। যদি নীল ফিরিয়ে দেয় তবে সে নিজেই নিজের জীবন শেষ করে দিবে। : : : নীলকে ফোন দিয়ে দেখা করতে বলল। দেখা করে নিসাত সব তাকে বলল। নীল তার কথা গুলি শুনে শুধু নিসাতকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগল। আর বলতে লাগল কি দরকার ছিল যাবার,নিসাত নিলের কাদা দেখে নিজেই কাঁদতে লাগল। আর বলতে লাগল আমায় ভুলে যাও। কিন্তু নীল তো তাকে ভুলে যেতে ভালবাসেনি। : : : আচ্ছা চল এই বলে নীল নিসাত কে নিয়ে রওনা দিল, নিসাত শুধু যানতে চাচ্ছে কই নিয়ে যাচ্ছ? একটু পর নীল তাকে নিয়ে একটা কাজী অফিসে গেল। আর নিসাত কে সারা জীবনের জন্য নিজের করে নীল। বিয়ের পর নীল শুধু বলল আমায় ছেড়ে কোন দিন যাবে না তো? নিসাত তার চোখের দিকে তাকিয়ে শুধু কাঁদতে লাগল আর তাকে জড়িয়ে ধরে বলতে লাগল না বাবু আমি কোনদিন যাব না। : : : আজকে তাদের ৭তম বিবাহ বার্ষিকী। কথা গুলি নিসাত ভাবছে আর নীলের জন্য অপেক্ষা করছে। : : কখন তার সেই ভাল মানুষ টা আসবে। সত্যি মানুষ এত ভাল হয় তা সে নীল কে না দেখলে জানত না। আজকে তারা অনেক হ্যাপি। সারা জীবন এমন হ্যাপি থাকুক এই দোয়া করি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৬৪৮০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ শালী দুলাভাই এরর প্রেম

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now