বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সেদিন দেখা হয়েছিলো

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X বাসে করে আসতেছিলাম দূর সম্পর্কের খালার বাড়ি থেকে....। একটু ঠান্ডা লেগে গেছে....!! “হ্যাচ্চো.....!” দিলাম একটা হাঁচি....। পাশের সিটের মেয়েটা বললো, “ভাই.....! মুখের সামনে হাঁচি না দিলে হয়না...?? সাথে একটা রুমাল রাখবেন, হাঁচি আসলেই মুখ-নাক চেপে ধরবেন রুমাল দিয়ে....। এতে আমরা একটু শান্তিতে থাকতে পারি....। বুঝা গেছে ব্যাপারটা....?” আমি একটু নড়ে চড়ে বসলাম....। তারপর জানালা দিয়ে বাইরে তাকালাম....। “আকাশে এত্ত পাখি কেন আজ.....? পাখিদের সমাবেশ বুঝি.....?” জিজ্ঞাসা করলাম তাকে....। সে ভ্রু কুঁচকে আমার দিকে তাকালো....। আমি বললাম, “বিরক্ত হবেন না....। বিরক্ত হলে আপনাকে দেখতে খারাপ লাগে....। বস্তির মেয়েদের মতো লাগে”....। ভেবেছিলাম এই কথাশুনে মেয়েটা আরও রেগে যাবে....। মেয়েটা রাগলোনা....। হাসি হাসি মুখেই উত্তর দিল, “বস্তির মেয়েদের তো বস্তির মেয়েদের মতই লাগবে....। কোটিপতির মেয়ের মতো লাগবে নাকি....?” আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম.....। এত্তসুন্দর একটা মেয়ে বস্তিতে থাকে.....!! তবে আমাকে বেশিক্ষণ চিন্তিত থাকতে হলোনা....। মেয়েটার দামী আই ফোনের দিকে আমার চোখ যাওয়াতে বুঝতে পারলাম, মেয়েটা সুন্দরী, সাথে প্রচন্ড মিথ্যুক....। এধরনের মিথ্যুকদের সাথে কথা বলতে মজা লাগে...। মেয়েটাকে বললাম, “আপনার বাবার নাম রাশেদ.....!! সুন্দর নাম.....!! নামটা কে রেখেছিলো....?? আপনার দাদা....??” মেয়েটা হতভম্ব হয়ে আমার দিকে চোখ বড় বড় করে তাকালো....। আমি নখ কামড়ানো শুরু করলাম.....। নখ কামড়ানো আমার ছোটবেলার অভ্যাস....। মেয়েটা কিছুক্ষণ পর বললো, “ভাই, আপনি কি আমাকে চেনেন....??” আমি মিটিমিটি হাসলাম.....। তারপর, জানালার বাইরে তাকালাম....। বিদ্যুতের খাম্বাটা কত লম্বা.....! মেয়েটা হয়তো ঘাবড়ে গেছে.....। সুন্দরী মেয়েদের ঘাবড়ে দেয়াটা খুব মজার....। নিজেকে কিছু একটা মনে হয়....। কিন্তু আমি আর নিজেকে কিছু একটা মনে করতে পারলাম না....। তার আগেই মেয়েটা আমার পকেট থেকে তাঁর ভোটার আইডি কার্ডটা ছোঁ মেরে নিয়ে নিল....। যেইটা কিছুক্ষণ আগে আমি তাঁর ব্যাগ থেকে মেরে দিয়েছিলাম....। ভোটার আইডিতে বাবার নাম লেখা থাকে....। বয়ফ্রেন্ডের নাম লেখা থাকেনা....। তাহলে সিওর হওয়া যেত, মেয়েটা প্রেম করে কিনা...। মেয়েটা বাস থেকে নামার আগে কটমট করে আমাকে বলে গেল, “এভাবেমেয়েদের পটানো যায়না....। মেয়েদের হাতে থাপ্পর খাওয়া যায়”......। মেয়েটা খুব সুন্দর করে কথা বলে....। এতক্ষণ কথা বলার পর, হঠাত মেয়েটার বাস থেকে নেমে যাওয়াতে আমার মন খারাপ হবার কথা....। কিন্তু আমার খুব ভালো লাগছে....। কারন মেয়েটা আমার পকেট থেকে তাঁর আইডি কার্ডের সাথে কাগজে লেখা আমার মোবাইল নাম্বার টাও না বুঝেই নিয়ে গেছে....। নতুন সিমকার্ড আমার.....। নাম্বারটা মুখস্ত করার জন্য কাগজে লিখে রেখেছিলাম,যাক ভালই হলো....!!! মোবাইলে থাপ্পর দেয়া যায়না, কথা বলা যায়......।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সেদিন দেখা হয়েছিলো

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now