বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
'আক্কেলগুডুম' নামে বাংলা ভাষায় একটি প্রচলিত বাগধারা আছে । যা দেখে গুডুম শব্দে আক্কেল থুবড়ি খেয়ে পড়ে-তাই আক্কেলগুডুম । মাজেদা খালাকে দেখে আমার মাথায় নতুন একটা বাগধারা তৈরী হলো-'দৃষ্টিগুডুম' । আক্কেলগুডুমে যেমন আক্কেল থুবড়ি খেয়ে পড়ে,দৃষ্টিগুডুমে দৃষ্টিরও সেই অবস্থা হয় । আমার দৃষ্টি থুবড়ি খেয়ে মেঝেতে পড়ে গেল । খালা হুলুস্থুল আকার ধারণ করেছেন । ফুলে ফেপে একাকার হয়েছেন । ইচ্ছা করলেই বিশ্বের এক নম্বর মোটা মহিলা হিসেবে তিনি যে কোনো সার্কাস পার্টিতে জয়েন করতে পারেন । আমি নিজের অজান্তেই বলে ফেললাম-ইয়া হু ।
*
মাজেদা খালা তীক্ষ্ণ গলায় বললেন,কী বললি?
আমি বিনীতভাবে বললাম,ইয়া হু বলেছি ।
খালা বললেন,ইয়া হু মানে কী?
ইয়া হুর কোধো মানে নেই । আমরা যখন হঠাৎ কোনো আবেগে অভিভূত হই তখন নিজের অজান্তেই ইয়া হু বলে চিৎকার দেই । যারা ইসলামি ভাবধারার মানুষ,তারা বলে, ইয়া আলি ।
ইয়া হু বলার মতো কী ঘটনা ঘটেছে ?
আমি বললাম,ঘটনা তুমি ঘটিয়েছ খালা । তোমার যে অবস্থা তুমি যে কোনো সুমো রেসলারকে প্যারাসিটামল ট্যাবলেটের মতো কুৎ করে গিলে ফেলতে পার । ব্যাটা বুঝতেও পারবে না । খালা হতাশ গলায় বললেন,গত বছর শীতের সময় টনসিল অপারেশন করিয়েছ,তারপর থেকে এই অবস্থা ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now