বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গত লেখার পর:
'আশা রাখি শীঘ্রি হবে।' বললাম আমি।
'আমি বুঝি না মাস্টার্সে এত ভাল রেজাল্ট করেও কেন তুমি চাকরি
পাচ্ছ না। কত অগা-মগা কোনমতে পাশ করে চাকরি পায়, আর তুমি
একটা চাকরি দুই বছরেও জোগাড় করতে পারছ না!' রাগত স্বরে বলল
নীলা।
মুখে এক টুকরা হাসি নিয়ে বললাম, 'আশা রাখি এবার চাকরি হবে।
গত সপ্তাহের ইণ্টারভিউ বেশ ভাল হয়েছে।'
আমার হাসি দেখে নীলার রাগ আরোর বাড়তে লাগল, রাগলে নীলাকে
আরোও সুন্দর দেখায়, দেখতে বেশ ভালোই লাগে।
নীলা বলল, 'দেখো, আবীর, আমি তোমাকে অনেক সময় দিয়েছি। আমি
আর পারবো না-বাসা থেকে বিয়ের জন্য খুব চাপ দিচ্ছে। যা করার
একটু তাড়াতাড়ি করো। আমার আর ভাল্লাগছে না।' নীলার দিকে
তাকাতে তাকাতে বললাম, 'তুমি টেনশান কোরো না-সব ঠিক হয়ে যাবে।'
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে নীলা বলল, 'হলে তো ভালই হয়।' কী যেন কিছুক্ষণ ভাবল,
তারপর বলল, 'আজকে যাই, দেরি হয়ে যাচ্ছে। প্লিজ, একটু তারাতারি
তোমার কাছে আনার ব্যবস্থা করো।'
নীলার চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে থাকলাম।যতবারই নীলার সাথে দেখা হয়
ততবারই ওর যাওয়ার পর মনটা খারাপ হয়ে যায়।
পরদিন বেশ সকাল সকালই বাসা থেকে বেরোলাম। এত তাড়াতাড়ি না বেরোলেও
হত। আজকে সকাল সন্ধ্যা হরতালের কারণে রাস্তাঘাট বেশ ফাকা।
কারওয়ান বাজারের এক অফিসে আজকে আমার চাকরিতে জয়েন করার কথা।
এজন্যই অবশ্য সকাল সকাল বেরোলাম।
(চলবে)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now