বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রাসূলুল্লাহ সাল্লা ল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ❝কোনো মুসলিম যদি দুইটি কাজ নিয়মিত করতে পারে তাহলে জান্নাতে প্রবেশ করবে। কাজ দুইটি খুবই সহজ কিন্তু করার মানুষ খুব কম। প্রথমতঃ প্রত্যেক সালাতের পরে ১০ বার ❝সুবহানাল্লাহ❞, ১০ বার ❝আল-হামদুলিল্লাহ❞ ও ১০ বার ❝আল্লাহু আকবার❞ বলবে। এতে ১৫০ বার জিহ্বার জিকর হবে এবং আল্লাহর কাছে আমলনামায় বা মিজানে ১৫০০ সাওয়াব হবে। দ্বিতীয়তঃ বিছানায় শয়ন করার পরে ৩৪ বার ❝আল্লাহু আকবার❞, ৩৩ বার ❝আল-হামদুলিল্লাহ❞ ও ৩৩ বার ❝সুবহানাল্লাহ❞ বলবে। এতে মুখে ১০০ বার ও মিজানে ১ হাজার বার হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আঙুলে গুনে গুনে তা দেখান। সাহাবিরা প্রশ্ন করেনঃ ❝এই দুইটি কর্ম সহজ হওয়া সত্ত্বেও পালনকারী কম কেন?❞ তিনি উত্তরে বলেনঃ ❝কেউ শুয়ে পড়লে শয়তান এসে এগুলো বলার আগেই ঘুম পাড়িয়ে দেয়। সালাতের পরে এগুলো বলার আগেই তাকে তার বিভিন্ন কথা মনে করিয়ে দেয়।❞
(আবু দাউদ, ইবনে হিব্বান, তারগিব)
.
আয়াতুল কুরসি।
সহীহ বুখারী তে বর্ণিত হাদিস থেকে আমরা জানতে পারি যেঃ ❝কেউ রাতে বিছানায় শয়ন করার পরে আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে সারা রাত আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁকে হেফাজত করা হবে এবং কোনো শয়তান তার কাছে আসতে পারবে না।❞
.
সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত।
আবু মাসউদ (রাঃ) বলেনঃ ❝রাতের কিছু জরুরি আমল বলেছেনঃ ❝যদি কেউ রাতে সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করে তবে তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।❞❞
(সহীহ বুখারী ও মুসলিম)
.
সূরা কাফিরুন।
নাওফাল আল-আশজায়ী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ ❝তুমি সূরা ❝কাফিরুন❞ পড়ে ঘুমাবে, এ শিরক থেকে তোমার বিমুক্তি।❞
(তিরমিজি ও আবু দাউদ)
.
সূরা ইখলাস।
আবু সাঈদ খুদরি (রাঃ) বলেন, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবিদের বললেনঃ ❝তোমরা কি পারবে না রাতে কোরআনের এক-তৃতীয়াংশ তেলাওয়াত করতে?❞ বিষয়টি তাদের কাছে কষ্টকর মনে হলো। তারা বললেনঃ ❝হে আল্লাহর রাসুল, আমাদের মধ্যে কে-ই বা তা পারবে?❞ তখন তিনি বলেনঃ ❝কুল হুআল্লাহু আহাদ সূরাটি কুর'আনের এক-তৃতীয়াংশ।❞
আবু দারদা (রাঃ) থেকে একই অর্থে আরেকটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
(সহীহ বুখারী ও মুসলিম)
.
সূরা এখলাস, ফালাক ও নাস একত্রে (তিনবার) - দুই হাত একত্র করে এ সূরাগুলো পাঠ করে হাতে ফুঁ দিয়ে হাত দুইটি যথাসম্ভব শরীরের সর্বত্র বুলানো- এভাবে তিনবার করতে হবে। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ ❝রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি রাতে বিছানায় গমনের পরে তাঁর মোবারক দুইটি হাত একত্রিত করে তাতে ফুঁ দিতেন এবং তাতে উপরের তিনটি সূরা পাঠ করতেন। এরপর শরীরের যতটুকু স্থান সম্ভব দুই হাত দিয়ে মাসেহ করতেন। মাথা, মুখ ও শরীরের সামনের দিক থেকে শুরু করতেন। এভাবে তিনবার করতেন।❞
(সহীহ বুখারী)
.
অজু অবস্থায় ঘুমাতে যাওয়া।
ঘুমের জন্য অজু অবস্থায় শয়ন করা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাসনুন ইবাদত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এজন্য বিশেষভাবে উৎসাহ প্রদান করেছেন এবং এ জন্য বিশেষ দুইটি পুরস্কারের সুসংবাদ প্রদান করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেনঃ ❝তোমরা তোমাদের দেহগুলোকে পবিত্র রাখবে, আল্লাহ তোমাদের পবিত্র করুন। যদি কোনো বান্দা অজু অবস্থয় ঘুমান, তবে তার পোশাকের মধ্যে একজন ফেরেশতা শুয়ে থাকেন। রাতে যখনই এ ব্যক্তি নড়াচড়া করে তখনই এ ফেরেশতা বলেনঃ ❝হে আল্লাহ আপনি এ ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিন, কারণ সে অজু অবস্থায় ঘুমিয়েছে।❞❞
(ইবনে হিব্বান, তাবারানি, সহিহুত তারগিব)
.
অন্য হাদিসে মুয়াজ ইবনে জাবাল (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ❝যে কোনো মুসলিম যদি অজু অবস্থায় (আল্লাহর জিকরের ওপর) ঘুমায়, এরপর রাতে কোনো সময় হঠাৎ তার ঘুম ভেঙে যায় এবং সে (ওই অবস্থায় শুয়ে শুয়ে) আল্লাহর কাছে তার জাগতিক বা পারলৌকিক কোনো কল্যাণ কামনা করে তবে আল্লাহ তাকে তার পার্থিত বস্তু দেবেনই।❞
(আবু দাউদ, সহিহ তারগিব, নাসাঈ)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now