বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখকঃ (শরিফ),,,,,,,,,,
এক রাজ্যে এক কুমার পরিবার থাকত। পরিবারে কর্তাচিল হাবাগোবা। তার নাম ছিল কানাই।
কানাই খুবিই অলস চিল। তাই তার
গিন্নির (বৌ)সবকাজ একাই করতে
হত। একদিন সকালে তার গিন্নি হাঁড়ি
বানিয়ে রৌদ্রে শুকাতে দিল। আর কানাইকে বল্ল। হাঁড়ি পাহারা দিতে
যাতে হাঁড়ি কেও না মারাতে পারে।
কানাইর বৌ তাকে এক বাটি গুড়
মুড়ি দিয়েগেল। সে খেয়ে আপন
মনে হাড়ি পাহারা দিতে লাগল।
হাঠাৎ তার খাওয়ার সময় এক ফুটু
গুড় হাঁড়ির ওপর পরল। সেই গন্ধে
মাছির দল এসে হাজির হল। হঠাৎ
কানাইর চোখ পরল হাঁড়ির ওপরে।
সে দেখে অনেক গুলো মাছি হাড়ির
ওপর বসে আছে। তখন সে রাগাম্বিত
হয়ে বল্ল বটে আমি তাকতে হাঁড়ি মারানো হচ্চে,এই বলে সে মাছি মারার জন্য সজুরে লাঠি দিয়ে হাঁড়ির ওপর আগাত করল। ফলে সাতটা
মাছি মারা গেল। তখন সে আনন্দে
রিতিমত লাফাতে শুরু করেচে।
তার গিন্নি পুকুর ঘাট তেকে এসে দেখে সব হাড়ি ভেঙ্গে ফেলেচ্চে।
তখন দুঃখে বলতে লাগল হায় পুরা
কপাল আমার এ আমি কার ঘরে
এসে পরলাম। তখন সে কানাইকে
জিগেসা করল,হাঁড়ি বাঙ্গলে কেন
কানাই বীরত্বের সাতে বল্ল ওরা
হাড়ি মারিয়ে চিল তাই এক গায়ে
সাতটাকে মেরেচি। কানাইর এই
আজগুবি বীরত্বের কথা শুনে তার গিন্নি আরো ঝুরে কাৎতে লাগল।
আর কানাই অৎভূত পোষাকও পাগরি পরে মনের আনন্দে রাজ বাড়ির দিক হাটা শুরু করল। এক
সময় সে রাজ বাড়ির প্রধান পটকের
সামনে এসে হাজির হল। এবং প্রহরিকে বল্ল.,রাজা মাসাইকে গিয়ে
বল সাতমার পালোয়ান আপনার
সাতে দেখা করতে চাই। তখন প্রহরি
রাজার কাছে সব বল্ল। রাজা
আনুমতি দিল সবা কক্ষে হাজির হতে
তখন কানাই রাজার সামনে হাজির
হল। রাজা বল্ল তা আমার কাচে কি
চাও হে পালোয়ান, কানাই বল্ল বুল হয়েচে আপনার শুধু পালোয়ান নয়
সাতমার পালোয়ান । তা আমার
কাচে কি চাও। কানাই বল্ল আঙ্গে
একটা চাকরি। রাজা বল্ল আমি তোমাকে আমার পালোয়ান নিজুক্ত করলাম,,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now