বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সাইকো কিলার

"রোমাঞ্চকর গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান al amin [ made in soil] (০ পয়েন্ট)

X আহ,কি দারুন লাগছে মাংস গুলো খেতে,খাওয়ার ফাকেই টাটকা গরম তরল গুলো পেটে চালান দিলাম। . এতদিন যানতাম যে মেয়েরা অনেক সুন্দর হয়,কিন্তু আজ এমন একটা মেয়ে দেখলাম যার তুলনায় আর সব মেয়েরা কিছুই না। মনে মনে ঠিক করলাম যে করেই হোক মেয়ে টাকে আমার লাগবেই। যেই ভাবা সেই কাজ,খুব সহজেই মেয়েটার নাম্বার যোগাড় করে নিলাম। নাম্বার যোগাড় করেই আমার প্রথম পদক্ষেপ নিলাম, একটা মেসেজ দিলাম। "ভালোবাসি তোমায় হয়তো জেনেছো বহু আগেই.. জেনেছো হৃদয়ের গহীনে তোলপাড় ঝড় সে-ও তোমার জন্যই । তোমাকে নিয়েই তো স্বপ্নের পারাপার! বেঁচে থাকার অনিঃশেষ ইচ্ছে তে দিবারাত্রির পার , বড্ড ভালোবাসি তোমায় ! বর্ষ থেকে একটি দিন নয় , নয় বিদায়ী কিছু মুহূর্ত মাত্র! এ তো অশেষ , অনন্তকাল শুধু তোমায় ভালোবাসা ।" কোনো রিপ্লাই পেলাম না। এর কিছু ঘন্টা পরই আরেকটা অই টাইপের মেসেজ দিলাম। এবার মেয়েটা রিপ্লাই দিলো। "কে আপনি " কিছুক্ষণের ভিতরেই তার নাম্বার থেকে কল আসলো। আমি মনে মনে খুশি হলাম,কারণ টা না হয় কিছুক্ষণ পরেই বলি। কল টা রিসিভ করেই কিছুক্ষণ অনেক গুলো বকাবকি এবং কথা শুনতে হল। মেয়েটা থামার সাথে সাথেই আমি বলা শুরু করলাম "সেই প্রথম দিন থেকেই তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি। তোমাকে ছাড়া আমার জিবন্টাই অসম্পূর্ণ আমাকে কি দিবে তোমার মনের একটু খানি যায়গা" সাথে সাথেই কলটা কেটে দিলো। আমি হাসলাম,আমার প্লেন কাজ করেছে মনে হচ্ছে। এরপর ৩ দিন এভাবেই মেসেজ করে কাটিয়ে দিলাম। এরপর একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখি তার মেসেজ। এত ভালোবাসেন কেনো আমায়। আর অনেক গুলো কল। আমিতো খুশি,আমার প্লেন কাজ করেছে। তাড়াতাড়ি কল দিলাম এবং সরাসরি বললাম,তার সাথে দেখা করতে চাই। সেও দেখলাম কোনো কিছু বলছে না,তাই আমি আবার কথা বললাম,জায়গা এবং সময় বলে দিলাম কল কেটে,কারণ আমি জানি মেয়েটা আসবে। ওহ,মেয়েটার নামই বলা হল না, নাম হল রুপা। তো আমি তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে চলে গেলাম নির্দিষ্ট স্থানে।কিছুক্ষণ পর দেখলাম রুপা আসছে।আসার সাথে সাথেই হাটু গেরে বসে প্রপোজ করলাম,দেখলাম মেয়েটার মুখ লজ্জায় লাল হয়ে গেছে,সেও হাত বাড়িয়ে দিলো। শুরু হলো নতুন এক অধ্যায়। একসাথে ঘুরা,আমার কাধে ওর মাথা রেখে হাতে হাত রেখে বসে থাকা। প্রায় একমাস কেটে গেলো। এবার বুঝলাম আমার মনের কথা ওকে বলার সময় এসেছে,তাই একদিন সকালে তাকে বললাম আমারা আজ একটি জায়গায় যাবো, তারাতারি আমাদের বাসার সামনে চলে আসো, সে তারাতারি চলে আসলো। এরপর তাকে নিয়ে অনেক দুরে একটা নদীর কাছে নিয়ে গেলাম,সেখানে তেমন কেউ আসে না, সে তো খুশিতে আটখানা। কারণ এখনো রুপা জানে না তার সাথে কি ঘটবে। সে আমার কাধে মাথা রেখে একটার পর একটা কথা বলেই যাচ্ছে।হঠাত আমি তার মুখে আলতো করে একটা কাপড় ধরলাম। কিছু বুঝে উঠার আগেই তার সুন্দর মুখটা আমার কোলে ঢলে পরলো। প্রায় ৩০ মিনিট পর রুপার ঘুম ভাঙ্গালাম পানির ছিটা দিয়ে, এখন আমরা আছি আমার একটা এপার্টমেন্ট এ। রুপার আমাকে দেখেই উঠে দাড়ানোর চেষ্টা করলো। কিন্তু তখন সে টের পেলো তার হাত পা এবং মুখ শক্ত করে টেপ দিয়ে আটকানো। এবার তার মনে ভয় দেখা দিলো যা তার সুন্দর চোখে তাকিয়েই বুঝলাম। বুঝলাম আর দেরি করা ভালো হবে না। আমার হাতে একটা সার্জিকেল ব্লেড, সেটা দিয়ে তার ভোকাল কর্ডটা একটানে কেটে দিলাম, এবার আমাকে খুব তারাতারি কাজ করতে হবে, তাড়াতাড়ি চাপাতি টা দিয়ে মাংস কাটতে বসলাম, প্রথমেই বুক্টা কেটে কলিজা টা বের করে নিলাম।এরপর আস্তে আস্তে প্রত্যেকটা নরম মাংস কেটে নিলাম। সেগুলো ফ্রিজে রেখে এসে দেহটাকে একটা বড় লাগেজে ঢুকিয়ে কিছুদুরের নদিতে ফেলে দিলাম। এবার অনেক শান্তি লাগছে আজ, এতদিনের মনের বাসনা আজ পুরো হবে। ঘরে এসেই ফ্রিজ থেকে মাংস গুলো বের করে অনেক সুন্দর করে রেধে নিলাম। এখন আমি মন খুলে মাংস খাচ্ছি, আর সাথে টাটকা গরম তরল.............রক্ত। জানতাম মজা পাবো খেয়ে কিন্তু এতোটা মজা পাবো তা আশা করি নি। এখন খেতে খেতে ভাবছি আরো খেতে হবে এমন মাংস!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সাইকো কিলার

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now