বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এটা ঠিক গল্প বা ভালোবাসার গল্প নয়, সাধারন কিছু কথা। অনেকেই হয়তো এড়িয়ে যাবেন, কিংবা যারা পড়বেন তাদের অনেকেই হয়তো ফালতু বলে আখ্যা দিতে পারেন। কিন্তু যদি একটা লোকও আমার সাথে একমত পোষন করে বা আমার এই লেখার মাধ্যমে অনুপ্রেরনা খুজে পায় তবেই আমার স্বার্থকতা।
বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ভালোবাসার দিন। কিন্তু আসলে কি দিনটা ভালোবাসার দিন?
নাকি দিনটা প্রেমিক-প্রেমিকাদের? প্রেম আর ভালোবাসা কি এক? আমারতো মনে হয়না।
অনেকে প্রেম আর ভালোবাসাকে সমর্থক হিসেবে ব্যবহার করলেও আমার কাছে মনে হয় ব্যাপ্তিগত দিক দিয়ে প্রেম আর ভালোবাসার মধ্যে বিস্তর তফাৎ। জীবনের একটা নির্দিষ্ট স্তর বা সময়ে প্রেমের আগমন। যা ব্যাক্তিবিশেষে একেক জনের জীবনে একেক সময়ে আসে। কিন্তু ভালোবাসা? ভালোবাসার সূচনা মাতৃগর্ভ থেকে, আর এর কোন পারিসমাপ্তি নেই। মৃত্যুর পরেও প্রজন্মের পর প্রজন্ম মানুষ বেঁচে থাকে শুধুমাত্র ভালোবাসার জোরেই।
প্রেম ক্ষনস্থায়ী। হয়তো ক্ষনিকের ভুল বোঝাবুঝিতেই পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে প্রেমের। আর ভালোবাসা? যারা আমাদের সত্যি সত্যিই ভালোবাসে তারা শত অপরাধেও আমাদের ছেড়ে যায় না। কারন তাদের ভালোবাসা নিঃস্বার্থ। তারা আর কেউ না, আমাদের মা-বাবা, আমাদের পরিজনরা।
কিছুদিন আগে আমি একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম, যদিও তেমন একটা সারা পাইনি। তবুও সেখান থেকে কয়েকটা কথা নি নিলেই নয়।- তোমাকে জীবনের চেয়েও বেশী ভালোবাসি এই কথাটা বলার জন্য আমারা আমাদের কাঙ্খিত মানুষটির জন্য জীবনে কত কিছুই না করি! কিন্তু একটি বার ও কথাটি বলা হয়না আমাদের প্রিয় মাকে, যে কিনা আমাদের জীবনের চেয়েও বেশী ভালোবাসে।
আমাদেরকে যদি কেউ সত্যিই কেউ নিঃস্বার্থ ভালোবেসে থাকে তাহলে তা আমাদের বাবা-মা। তাই ভালোবাসা দিবসটা হওয়া উচিৎ ছিলো বাবা-মায়ের জন্য। কিন্তু ভালোবাসা দিবসে সেই বাবা-মাকে কষ্ট দিয়েই অনেক কিছু করি। এইদিনেও তাদের একটি বারের জন্য বলা হয়না ভালোবাসি কথাটি!
এছাড়া বন্ধুদের কথা নাহয় না-ই বললাম, যারা আমাদেরকে এক আকাশ হৃদয় দিয়ে ভালোবাসে।
১৪ ই ফ্রেবুয়ারী যদি সত্যিই ভালোবাসা দিবস হয়ে থাকে তাহলে সেটা হওয়া উচিৎ বাবা-মা, পরিবার-পরিজন, বন্ধুদের জন্য স্পেশাল, অন্যথায় ১৪ ই ফেব্রুয়ারিকে ভালোবাসা দিবসের পদমর্যাদা থেকে সরিয়ে আনা হোক। তাতে অন্তত ভালোবাসা শব্দটিকে আর অপমানিত হতে হবে না।
ভালোবাসার মাঝে কোন মোহ থাকে না, পক্ষান্তরে প্রেম সম্পূর্নই আবেগ আর মোহর সংমৃশ্রন। যার একটা কেটে গেলেই সেখানে আর ভালোবাসা থাকে না। আর এটা প্রেমের বেলায় অহরহরই হচ্ছে।
লিখাঃ প্রসেনজিৎ রায়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now