বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ঋষিতা

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X তখন গভীর ঘুমে মগ্ন । বারবার কানের পাশে ফোন বেজে উঠছে । ম্যাজাজটা গরম হয়ে যাচ্ছে । আজকে ঈদের দিন ,সবাই ম্যাসেজ দেয় । কিন্তু কেউ তো আর বারবার ফোন দেয় না । এবার ফোনটা ধরতেই হবে । ফোনটা ধরে ব্যাটাকে আচ্ছা ঝাড়ি দিতে হবে । ঘুমে তাকাতে পারছিলাম না । এক চোখ বন্ধ করেই ফোনটা রিসিভ করল...আমি কিছু বলার আগেই... *এই এতক্ষণ ঘুমাতে হয়?(কন্ঠ শুনেই বুঝে গেলাম ঋষিতা । আমার কোন সাহস নেই তার উপর কথা বলা ।) _কই এতক্ষণ ঘুমালাম? আমাকে তো ঘুমাতেই দেওনি । কানের পাশে শুধু হাসের মতো প্যাক প্যাক করছো । *কি আমি হাসের মতো প্যাক প্যাক করছি? _সরি,হাসের মতো না মেয়ে হাসের মত । *যাও তোমার সাথে কথা নেই । তোমাকে আর ফোন দেবো না । _আচ্ছা,তাহলে ম্যাসেজ দিও । *পাগল একটা । তাড়াতাড়ি উঠো নামাজ পড়তে যাও । _সকাল ৭টায় আবার কিসের নামাজ? *সে কি আজকে ঈদ এটা মনে নেই? _ও ...ঈদ মোবারক । *কিসের ঈদ মোবারক আগে নামাজ পড়ে আব্বা আম্মাকে সালাম করে নাও । তারপর ঈদ মোবারক । আর শোনো বিকেলে রাস্তার মোড়ে আমার জন্য অপেক্ষা করবে । _বিকেলে যেতে পারবো না ঘুমাবো । *কি! আমি যা বলছি তাড়াতাড়ি সেটা করবে বলে দিলাম । ফোনটা কেটে দিলো । আমি রাত চারটা পর্যন্ত ঋষিতার সাথে কথা বলেছি । তাই ঘুম হয়নি । আর এত সকালেই সে আমার ঘুমটা ভেঙে দিলো । যাই হোত তার কথা অমান্য করার মত সাহস আমার হয়নি । বিছানায় হাত দুটো টানা দিয়ে উঠে পড়লাম । এরপর গোসল করে নামাজ পড়ে তার কথা মতো সব কাজ শেষ করে ঘুমিয়ে পড়লাম । আবার বিকেল ৩টা কি সাড়ে ৩টা । খুব ঘুম পাচ্ছিল । কিন্তু উপায় নেই । ঋষিতার সাথে দেখা করতেই হবে । তাই রেডি হলাম । আর তার জন্য পকেট ভর্তি চকলেট নিয়ে নিলাম । নয়তো ঝগড়া শুরু করে দিবে । রাস্তার মোড়ে গিয়ে কাউকেই দেখতে পেলাম না । ঋষিতার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম । এই প্রথম মনে হচ্ছে ছেলেরা মেয়েদের জন্য অপেক্ষা করছে । সব সময় ছেলেরাই তো দেরি করে আসে ! আর ঋষিতা এত চকলেট খেতে পারে যে মনে হয় বিয়ের পর তাকে ভাতের বদলে চকলেটই খাওয়াতে হবে । এই যে দাড়িয়ে আছি তার দেখা পাচ্ছিনা । কত লোক আসে যায় ঋষিতা আসে । হঠাৎ দেখি মহারানী রিক্সা নিয়ে হাজির । *এই দাড়াও আগে সালাম করে নিই । _কি বলছো সবার সামনে এই রাস্তায় সালাম করবে? *তাতে কি? এই বোকা পাঞ্জাবীর ১টা বোতাম খোলা কেন কে মেরে দেবে? _কে আর তুমি মানে আমার বউ । *যাও আর ঢং দেখাতে হবে না । একি এটার তো বোতামই নেই । _ও...বোধহয় কোথাও পড়ে গেছে । *তাই! বোতামকেই সামলাতে পারো না আর বিয়ে করলে বউকে কিভাবে সামলাবে? _তুমি শিখিয়ে দেবে । *ঢং কত! রিক্সায় উঠো । দুজনে রিক্সায় উঠলাম ঘুরার জন্য । বাতাসে তার চুলগুলো আমার মুখে লেগে গেছে । ইচ্ছে করছিল তার চুলের দিকে তাকিয়ে থাকি । কিন্তু সুন্দরের দিকে এত তাকাতে নেই ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ঋষিতা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now