বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রিকুয়েস্ট এক্সেপ্ট অত:পর

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ছহিনুর রহমান বিন মনির (০ পয়েন্ট)

X . ১ আকিব ও নাদিয়ার পরিচয় হয় ফেসবুকে। আস্তে আস্তে তারা খুব ভাল বন্ধুতে হয় তারপর প্রেম। আকিব বলে সে ডাক্তার আর নাদিয়া অনার্স পড়ে। একদিন তারা সিদ্ধান্ত নেয় দেখা করবে। যেই ভাবা সেই কাজ। তারা বনানীতে দেখা করল। আকিব দেখতে বেশ হ্যান্ডসাম আর নাদিয়াও কম সুন্দরি না।আর নীল শাড়িতে তাকে পরীর মত লাগছে। তারা সারাদিন অনেক ঘুরাঘুরি করল। সন্ধ্যা বেলায় আকিব নাদিয়াকে বল্ল -নাদিয়া তোমাকে অনেক ভালবাসি। - আমিও তোমাকে অনেক ভালবাসি। আকিব নাদিয়াকে জড়িয়ে ধরল। তার খোলা পিঠে হাত বুলালো। তার ঘারে আলতো করে চুমা দিল। নাদিয়া শুরশুরি পেয়ে হাসি দিয়ে বল্ল - এই উফফ ছারো। প্রথম দিনই ন্যাকামো। - প্লিজ তোমাকে আমি ছাড়তে পারব না। তোমাকে আজ নিজের মধ্যে ভরে নিব। - হয়েছে আর রোমান্টিক হতে হবে না। - প্লিজ আজ আমার সাথেই থাকো। আমার বাসায়। নাদিয়া ভাবল আজ থাকা যায় কারন তার রুমমেটররা সবাই ছুটিতে গেছে। আর একা থাকতে নাদিয়ারও ভয় লাগে। - আচ্ছা থাকব তোমার সাথে।?? এখন খুশি। আকিব নাদিয়াকে তার বাড়ি নিয়ে যাচ্ছে। সিরিদিয়ে তারা উঠছে। আকিব একভাবে নাদিয়ার দিকে চেয়ে আছে। নাদিয়া লজ্জা পেয়ে বল্ল - কি দেখছো? - দেখছি তুমি কতটা মজার হবে. - মজার( ভ্যাবাচেকা) - মানে কত সুন্দর। একটু লজ্জা পেল। বাসায় ঢুকে বল্ল আকিব। - কি খাবে চা,কফি, জুস - একগ্লাস পানি দিলেই হবে। আকিব নাদিয়াকে পানি দিল। পানি খেয়ে নাদিয়ে আস্তে করে টলিয়ে গেল। যখন জ্ঞান ফিরল তখন নিজেকে বাথটাবে বসা পেল। তার হাত পা সব বাধা। কথা বলতে পারছে না। কারন তার জীবটা কেটে ফেলেছে। একটু পর আকিব ঢুকল। সাথে চুনের পাউডার। সেগুলা পানিতে মিশিয়ে দিল। বল্ল - আমার ডিনারের সময় হয়ে গিয়েছে। আজ অনেকদিন পর তোমার মত ভরাট দেহ দিয়ে তৃপ্তির ডিনার করব।হ্যা আমি মানুষ খাই, তবে মেয়েদের খেতেই ভালবাসি। তাদের মাংস বেশ নরম ও তুলতুলে হয়। তবে তার আগে চুন দিয়ে ভাল করে পরিষ্কার করে নিতে হবে তোমাকে। আকিব তার বড় দানবীয় হাত দিয়ে নাদিয়ার সমস্ত দেহ ডলে ডলে পরিষ্কার করল। আর নাদিয়ে শুধু ছটফট করছে। চিৎকারও করতে পারছে না। ধোয়া শেষ হলে একটি রেজার নিয়ে তার চুল কামিয়ে দেয়া শুরু করল। তার পুরাদেহের চুল কামিয়ে দিল। নাদিয়ে শুধু হাল্কা নড়াচড়া করছে। তার হাতপা খুব শক্ত করে বাধা। ২. নাদিয়াকে ধোয়া শেষ হলে তাকে কোলে করে রান্নাঘরে নিয়ে আসে আকিব। তাকে একটা বড় ঘরে শোয়ায়। এটাই তার রান্নাঘর। দেখলে মনে হয় কোন ৫ স্টার হোটেলের রান্নাঘর। নাদিয়াকে শুয়েয়ে সে রান্নার আয়জন করছে। তেল পেয়াজ রসুন আদাবাটা গরম মশলা বিরানির মশলা সব একটি বিশাল কড়াইতে পানিতে মিশিয়ে ঝল তৈরি করছে। এবার সে একটি বড় ছুড়ি নিয়ে আসল নাদিয়ার কাছে। নাদিয়ার পুরা শরিরে এবার ছুরিটা চালানো শুরু করল । নাদিয়াকে হাটু গেরে মাথা নিচু করে বসানো হল। নিচে একটা স্টিলের ডিশ রাখল। নাদিয়া শেষ বারের ছুটার চেস্টা করার আগেই সে ছুরিটা গলায় চালিয়ে দিল। ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হতে লাগল। নাদিয়া ছোটফট করতে করতে একদম স্থির হয়ে গেল। রক্তে ডিশ ভরে উপচে পরল এবার নাদিয়াকে রান্না করার পালা। একটি ছুরি দিয়ে নাদিয়ার পেট চিরে ভিতরের নাড়িভুঁড়ি বের করে ভিতর টাকে পরিষ্কার করল। এরপর তার চামরা একপাশ থেকে ছিলানো শুরু। চামরা ছিলানোর পর বাকি থাকলো তার লালমাংসের শরীরটা। একটা চাইনিজ কড়াত দিয়ে তার মাথা হাতপা কোমর সব কেটে আলাদা করল। তার গোল স্তন ও নিতম্বের মাংস কেটে নিল। এবার রান্নার শুরু তেল ঘি লবন মশলা ভিনেগার মাখাচ্ছে মাংসের টুকরা গুলায়। সব কড়াই য়ে ঢেলে দিল। তার সাথে ঢেলে দিল পোলাওএর চাল। ৩. এরপর বড় খুন্তি দিয়ে অনেক্ষন নাড়াচাড়া করছে। মাংস,চাল,মশলা একত্র হয়ে মিশছে। নাড়াচাড়ার পর পাতিল ঢেকে দিল। রান্না হতে অনেক সময় লাগবে। এবার তার নজর গেলো ডিশটার উপর যেটার উপর নাদিয়ার গলা কাটা হয়েছে। ডিশটা রক্তে টুইটুম্বর করছে। বেশ অনেকখানি রক্ত হবে। সে ডিশটায় আঙুল ডুবিয়ে দেখল রক্ত এখনও কিছু গরম আছে। খানিকটা জমে গেছে। জমা রক্তই তার ভাল লাগে। সে তার দুইহাত চুবিয়ে জমাট রক্তের খন্ড নিয়ে পান করল। খানিকটা গরম এবং বেশ নোনতা।অনেকদিন পর এমন রক্তের স্বাদ পেল। বুঝল রক্তটা O- । এরকম রেয়ার রক্তের স্বাদই অন্যরকম। কিছুটা খেয়ে বাকি রক্ত গুলো জগে ভরে নিল। তাতে দুধ, চকলেট সিরাপ ও বরফ কুচি মিশিয়ে মিল্কশেক তৈরি করল। সরি মিল্কশেক বললে ভুল হয়। বলা লাগে "ব্লাডশেক" তারপর সেটি ফ্রিজে রেখে দিল। পুরা ঘর বিরিয়ানির সুগন্ধে ভরে উঠল। মনে হল রান্না শেষ হয়েছে। এবার সে পাতিলের ঢাকনা সরিয়ে দেখল ভিতরের অবস্থা। না এখনও হয়নি। আরেকটু সিদ্ধ হোক। নাদিয়ার কাটাছিলা মাথা থেকে মগজ গলে বেরিয়ে গেছে। আকিব খানিকটা তেল ঢেলে আবার কিছু নাড়াচারা দিল যেন পাতিলের তলে পোড়া না লাগে। এভাবে অনেক্ষন পর রান্না শেষ হল। সেটা বিশাল ডিশে পরিবেশ করল। সবার উপরে রাখা হল নাদিয়ার মাথা। রান্না করার ফলে মাথাটা সাদা হয়ে আছে।। এবার সে মাথাটা দু হাতে তুলে নিল। সেটা তার মুখের কাছে আনল। জিহবা দিয়ে চেটে দেখল বেশ হয়েছে।। এবার সে নাদিয়ার মাথা থেকে খাওয়া শুরু, তার ঠোট কামড় দিয়ে গাল পর্যন্ত মাংস ছিরে আনল। এভাবে সমস্ত মাথা খেল। বাকি থাকে খুলিটা। সেটা একপাশে রেখে দিল। পরে একে একে তার হাতপা স্তন নিতম্ব এর মাংস খেল। পুরা বিরিয়ানি খাওয়া শেষ। এবার ফ্রিজ থেকে সেই "ব্লাডশেক " বের করল। এক ঢোকে সব ঠান্ডা রক্ত গুলো পান করল। এরপর সে সব পরিষ্কার করল। অবশিষ্ট নাড়ি-ভুড়ি হার গুলো বড় একটা শক্ত হলদু পলিথিনে ভরল। ভিতরে ব্লিচিং পাউডার দিয়ে দিল। পলিথিনের মুখ লাগিয়ে দিল। সেগুলা এলাকার কাছেই ফেলে দিল। ব্লিচিং পাউডারের ফলে কোন কুকুর বিড়াল সেই পলিথিনের কাছে আসবে না।তাই ধরা পরার ও সুযোগ নেই। রাতে শুয়ে শুয়ে নতুন রোমান্টিক গল্প লিখছে আকিব। আজ খাওয়াটা বেশ হয়েছে তাই মন মেজাজও ভাল। এই রোমান্টিক গল্পের ফাদেই পড়েছিল নাদিয়া। এভাবে নাদিয়ার আগে ৪ টা মেয়েকে দিয়ে তার ডিনার করে। ঠিক একই ভাবে মিটিং ডেটিং করে তার বাসা পর্যন্ত নিয়ে আসে আর কেউ ফিরে যেতে পারেনা। তারা চলে যায় আকিবের ডিনারে। এভাবে নতুন কেউ আসবে আবার, আকিবের সাথে পরিচয় হবে, এরপর মিটিং, ডেটিং অতঃপর তার ডাইনিং টেবিলের শোভা বাড়াবে। ৪. এবার আকিবের পিছনের কাহানীতে আসা যাক। আকিবের সাথে ১ বছর আগে বিয়ে হয় নাজিয়ার। বিয়েটা প্রেম করেই হয়। একই হাস্পাতালে চাকরি করত তারা। এভাবে প্রেম তারপর বিয়ে। বিয়ে করে ছোট্ট সংসার বাধে দুইজন। দুইজন একে অপর কে খুব ভালবাসত। আকিব নিজস্ব একটা ক্লিনিক দেয়। ২ মাস আগের ঘটনা একদিন তার ক্লিনিকে একজন বয়স্ক লোক আসে। চেহারাটা চুল দারিতে জঞ্জাল। সাথে ছোট একটা ছেলে, ৭/৮ বছর হবে শরীরে কামড়ের দাগ। এসে আকিবকে বলে - স্যার এ আমার নাতি ওকে কুকুর অনেক কামরিয়েছে। স্যার একটু দেখুন( কান্না) - আগে ভরতি করান তারপর দেখছি। ১৫০০ টাকা লাগবে.। - স্যার এত তো নাই। - নাই মানে( রেগে ঝারি দিয়ে) - স্যার দয়া করুন - বেরিয়ে যান এখান থেকে। আগে টাকা যোগাড় করুন তারপর দেখা যাবে। লোকটি আর কিছু বলার আগেই আকিব তাদের ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়। সেই রাতে লোকটির নাতি প্রচণ্ড কস্টে ছটফট করতে করতে মারা যায়। লোকটির ক্ষোভ সেখান থেকেই শুরু হয়। যে করেই হোক সেই ডাক্তারকে শায়েস্তা করতে হবে। সে কালোযাদু শুরু করল এভাবে এক পর্যায়ে একটা অশুভ জিনিসের ডাক এল। লোকটি সেই অশুভ জিনিসটাকে নির্দেশ দিল আকিবের ভিতর চলে যাওয়ার। সেদিন রাতে নাজিয়া ও আকিব ঘুমাচ্ছিল।সেই অশুভ অশরীরি আকিবের ভিতর প্রবেশ করল। আকিবের ঘুম ভেংগে গেল। কিন্তু সে কিছুই বুঝল না, আবার ঘুমিয়ে গেল। এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর সে কিছুটা অন্যরকম অনুভব করল। একরাতে তার হঠাত মানুষ খেতে ইচ্ছে করছে। না এমন হবে কেন। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না।তার সমস্ত শরীর খিচুনি দিচ্ছে। সে রান্না ঘরে গেল নাজিয়া রান্না করছে। নাজিয়ার পরনে ছিল লাল শাড়ী, তার কোমর পর্যন্ত লম্বা চুল গুলো বেণি করা। আকিব তাকে বলেছিল লাল শাড়ী আর চুল বেনি করলে তোমাকে অনেক সুন্দর লাগে।। তাই সে মাঝেমধ্যে এভাবে থাকে। আকিব তাকে পিছন থেকে কোমরে হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে। সে পিছনে না তাকিয়ে বল্ল - এই দুস্ট কি করছ।দুষ্টামি করতে হয় না। - নাজিয়া তুমি অনেক ভাল কিন্তু আমি যে খারাপ। - হুম্ম খারাপ এই রাতের বেলা বউয়ের সাথে দুস্টামি করছ। এখন ছাড়ো রান্না করি। পরে দুস্টামি কইরো। এইবার আকিব তার চুলের বেনীমুঠি করে পেচিয়ে টেনে ধরল। এবার নাজিয়ে ব্যাথা পেয়ে আকিবের হাত পিছন দিয়ে ধরে বল্ল - এই আকিব চুল ছাড়ো ব্যাথা পাচ্ছি অনেক।উহহহহফফ আকিব পাশে রাখা কিচেন নাইফটা নিল। আতংকিত ভাবে বল্ল - আকিব কি করছ তুমি? বলতে বলতেই ছুরিটা নাজিয়ার গলায় চালিয়ে দিল। তরতর করে রক্ত স্রোতের ন্যায় পরছে। আকিব সেই রক্তের ধারায় মুখ দিয়ে টেনে রক্ত পান করছে। একদম গরম রক্ত। নাজিয়ার দেহ টা টুকরা করে, ঝাল করে ভুনা করে রান্না করে আকিব। অতঃপর তৃপ্তি করে খায়। সে যতই খায় তার অস্থির লাগে না। বরং তার দেহ শক্তিশালী হতে থাকে। সেই অশুভ জিনিসটা সম্পুর্ন তার রক্তে রন্ধ্রে মিশে যায়। এভাবেই তার নেশা হয়। তার এক সহকারীকেও খেয়েছে কিন্তু মেয়েদের খেয়ে যতটা মজা লাগছে ছেলেদের খেয়ে তেমন মজা নাই, ছেলেদের মাংস শক্ত ও মেয়েদের মাংস অনেক নরম, তাই খেয়ে মজা। আর ফেবুতে রোমান্টিক গল্পলেখার কারনে অনেক মেয়ে ওতপেতে থাকে তার সাথে কথা বলার ও দেখা করার জন্য। নাদিয়ার আগে আরো ৫ জন ছিল সীমা,তানিসা, শান্তা, অথৈ , সালেহা। তাদেরও একই ভাবে ফাদে ফালিয়ে নিজের ক্ষুদা মিটিয়েছে। মেয়েরা অনেক খুশি হয় যখন আকিব তাদের ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট একসেপ্ট করে। কিন্তু তারা জানেনা যে তার রিকুয়েস্ট একসেপ্ট আর নিজের ডেথ সার্টিফিকেট একসেপ্ট একই কথা। কেউ আকিবের আসল পরিচয় জানে না। আর যখন জানে তখন সেটা জানানোর পর্যায়ে কেউ থাকেনা।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৬৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রিকুয়েস্ট এক্সেপ্ট অত:পর

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now