বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রহস্যময় পুতুল ৪র্থ পর্ব

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আর.এচ জাহেদ হাসান (০ পয়েন্ট)

X শ্বেতপাথরের মূর্তিটা সেই কালো বেদিটার উপর নেই।আমি তো চমকে উঠলাম।ভাবলাম মূর্তিটা কী চুরি হয়ে গেলো!তখন মালিকও বাড়িতে নেই,ব্যবসার কাজে দেশের বাইরে গেছেন।আমি জানি এই মুর্তিটাই হলো মালিকের ধ্যান ও ঙ্ঘান।এটার জন্য মালিক তার সব সম্পদ বিলিয়েও দিতে পারেন।কিন্তু মূর্তিটাকে তিনি হাত ছাড়া করতে রাজি নন।তখন আমার মাথায় কিছুই আসছেনা। হঠাৎ কানে এলো বদি চিন্তা করোনা,আমি এ ঘরেই আছি।তুমি এখন যাও।আমি অবাক হওয়ার বদলে ঘাম দিয়ে যেনো আমার জ্বর ছাড়লো। দুই ঘন্টা পর আবার দরজা খুললাম।ভেতরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে চোখ চলে গেলো বেদির দিকে।আর তখনই সারা শরীর জুড়ে কেউ যেনো শান্তির পরশ বুলিয়ে দিলো। মুর্তিটা আগের মত একই ভঙ্গিতে দাড়িয়ে আছে।বুঝতে আর বাকী থাকলোনা যে একথাগুলো মূর্তিটাই আমাকে বলেছে।আমি অদৃশ্য সেই আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আরো যত্ন সহকারে মূর্তিটাকে পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন করলাম।মনের মধ্যে যে কথাটি ছিলো সেটা মনের অজান্তেই মুখে চলে এলো। আমি তোমার সব ইতিহাষ জানতে চাই।এমন অভূতপূর্ব কান্ড এ যে ভাবাই যায়না। তোমার মালিককে বলো,সে বলবে। তারপর একদিন নানান কথার মধ্যে আবার মালিককে মূর্তির কথাটা বললাম।মালিক কোন উত্তর করলেন না,হঠাৎ একদিন রাতের খাওয়া শেষ। হলে মালিক বললেন, বদি একবার ছাদে এসো।আমি বুঝলাম,আমার আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।আমি ওপরে গেলাম,নিঝুম পরিবেশ। আলো ঝলমল শহরের বিচ্ছুরিত আলোয় বাড়ির ছাদে অপরুপ এক মায়ার আবেগ সৃষ্টি হয়েছে।মালিক ধীরে ধীরে শুরু করলেন রহস্যময় সেই মূর্তির গল্প। , তিনি বললেন প্রায় এক যুগ আগে প্যারিস শহরের দোকানগুলোতে আমি আর আমার স্ত্রি ঘুরছিলাম।অনেক কেনাকাটা করলাম।একটা বড় দোকানে দেখলাম,ঘর সাজাবার মতো বড় বড় পুতুল ছাড়াও নানান রকম সামগ্রীতে ঠাসা।কাঠ,পাথর,পিতল,রুপা আরও অনেক ধাতুর তৈরি পুতুল সেখানে। আমার স্ত্রি বললো,শ্বেতপাথরের মূর্তিগুলো সত্যি চমৎকার।আমি বললাম,আমাদের তো ছোট ছেলেমেয়ে নেই,পুতুল নিয়ে কী হবে?দোকান থেকে বেরিয়ে এলাম। আমার স্ত্রি বললো,শ্বেতপাথরের একটা মূর্তি নিলে মন্দ হয় না,আমার খুব পছন্দ হয়েছে।আমাদের ঘরে বেশ মানাবে।আমি আবার সেই দোকানে গিয়ে পুতুলটা নিলাম।বাড়িতে আসার পর দেখলাম,পুতুলটার প্রতি আমার স্ত্রির মায়ার যেনো অন্ত নেই।ঠিক এক সপ্তাহ পর সে নিজেই গাড়ি ড্রাইভ করে যাচ্ছিল তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে।গাড়িটা খুব স্পিডে চালাচ্ছিলো সে।হটাৎ এক্সিডেন্ট,ব্যাস-সব শেষ।স্ত্রিকে কবর দিয়ে শূন্য ঘরে ফিরে এলাম।বেশ কিছুদিন পর মনটা। ..............চলবে............


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রহস্যময় পুতুল ৪র্থ পর্ব

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now