বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমরা তখন টাংগাইল থাকি।তখন বাবা বললেন,তাকে মধুপুর বদলি হতে হবে।আমার বাবা ছিলেন শিক্ষক ও মা গৃহিণী।যাহোক আমরা দুই ভাইবোন মধুপুর যাওয়ার জন্য তৈরি হলাম।আমরা আমাদের নিজস্ব গাড়িতে বসেছিলাম ও বোঝাইয়ের গাড়িকে আমাদের ফলো করতে বলি।আমরা সকাল ৯টায় রওনা দেই।মধুপুরে বাবার এক বন্ধু বাসা ঠিক করেছিলেন,তাই আমাদের বাসা খুঁজতে হয়নি।আমরা বিকাল ৩টায় বাবার বন্ধুর বাসায় উঠি, রেস্ট নেই।বিকাল ৪টা থেকে আমরা বাসা গোছানোর কাজ করি।আসলে বাসার চারদিক ভালো,সামনে সবুজ মাঠ,তবে পাশে একটা বাশঝোঁপ আছে।বাসার ভিতরে ৩টা রুম,কিছু পুরোনো ক্যালেন্ডার আছে,রুমগুলো মাকড়সার জালে ভরপুর।আমাদের বাসা ঠিক করতে সন্ধ্যা হয়ে যায়।রাতে আমি ও বাবা একরুমে,মা ও আপু আরেকরুমে ঘুমাতে ঠিক করলাম।পাশের রুমে ছিল রান্নাঘর ও গোসলখানা।সবাই রাতে ঘুমানোর পর আমি রাত ২টায় শুনি গোসলখানায় কিছু টপটপ করছে।আমি ভাবলাম বাবা বোধহয়।কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে বাবা আমার পাশেই ছিল।পরদিন রাতে আমি ১টায় প্রস্রাব করতে বাইরে বের হই,দেখি একজন সাদা পোষাক পরে আছে।ভয় পেয়ে আমি গোসলখানায় মুখ ধুতে এসে রক্ত দেখি ও চিৎকার দেই।সবাই যখন আসে তখন দেখি পানি।আজও এটা আমার কাছে রহস্য।এরপর থেকে আমি আর একা বাইরে বের হইনি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now