বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রহস্য ৮

"গোয়েন্দা কাহিনি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Fahim (০ পয়েন্ট)

X আট 'স্যার আমরা চোর নই', বোঝানোর চেষ্টা করল রিনক। 'প্রমাণ কি?', জিজ্ঞাসা করল পুলিশ।'তোমরা যে চোর নও' 'এ দেখুন স্যার',অবশেষে মুখ খুলল জাহিদ।পকেট থেকে দুইগোয়েন্দার একটা কার্ড বের করে তা বাড়িয়ে দিল পুলিশটার দিকে।হাত বাড়িয়ে সেটা নিয়ে চোখের সামনে তুলে ধরল পুলিশ অফিসার।ভ্রু কুচকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে কার্ড টা ফেরত দিলেন তিনি। 'হু', মাথা দোলাল অফিসার। 'তোমরা তাহলে গোয়েন্দা?' 'জ্বী', বলল জাহিদ। 'এখানে একটা ইনভেস্টিকেশানে এসেছি আমরা।' 'আই সি।তোমাদের কোথাও যেন দেখেছি.......ওহ হ্যা হ্যা মনে পড়েছে।তোমাদেরতো ক্যাপ্টেন সাইফুলের সাথে দেখেছি।' 'ঠিক ধরেছেন স্যার', সামনের দাত বেড়িয়ে পরল রিনকের। 'যাইহোক তোমাদের কয়েকটা কেস ফাইল পড়েছি আমি।প্রতিটি কেসেই মাত্রাতিরিক্ত বিপদ ছিল।বর্তমান কেসেও যদি তেমন কিছু ঘটে তাহলে কিন্তু সাথে সাথে আমাদের জানাবে।' 'ওকে স্যার',ঘাড় কাত করে বলল রিনক। জীপে গিয়ে উঠে স্টার্ট দিয়ে চল গেল পুলিশ অফিসার।সেদিকে রিনক ভ্রু কুচকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে জাহিদের দিকে ফিরল। 'এখন কি করবে?', জিজ্ঞাসা করল সে। 'আবার গিয়ে উঠবে মেশিনের উপর? চোখ রাখবে আশেপাশে?' 'না', মাথা নাড়ল গোয়েন্দা প্রধান।'আমর মনে হয় না ড.গ্রিফানো আজ আর আসবে না।তারচেয়ে বরং ফিরে যাওয়া যাক।রাতে হেডকোয়াটারে চলে এস' বাড়ীর দিকে রওনা দিল দুজনে।এখানে এসেছে অনেক্ষণ হয়েছে।ক্ষিদেয় পেট চৌ চৌ করছে দুজনের। রাতে হেডকোয়াটারে এসে প্রবেশ করল রিনক।নিজের ডেস্কের ওপাশে চেয়ারে গম্ভির হয়ে বসে রয়েছে জাহিদ। 'তুমিতো বলেছিলে কেসের সমাধান করে ফেলেছ', ধপাস করে নিজের চেয়ারে বসে পরল রিনক। 'কিন্তু কি সমাধান করলে তাতো কিছুই আমাকে বললে না' 'ঐ দানবটা হচ্ছে জনি', জাহিদ বলল। 'ড.গ্রিফানোর সহকারি।ড. তার আবিষ্কার পরিক্ষা করার জন্য জনির শরীরে দানবেন ডিএনএ ইঞ্জেক্ট করেছেন।' 'এটাতো আমার জানা কথা', রিনক বলল। 'নতুন কি জানতে পেরেছো বল।' 'তাজা রক্তের গন্ধ পাচ্ছি', আনমনে বলল গোয়েন্দা প্রধান জাহিদ। 'কি!', চেচিয়ে উঠল রিনক। 'কিসের গন্ধ পাচ্ছো?' 'না- না', চটপট নিজেকে সামলে নিল জাহিদ। 'তেমন কিছু না।কাজের কথায় আসা যাক।আমি শিউর ঐ খেপা বিজ্ঞানী তার নতুন শিকার খুজে চলছে।যে করেই হোক তারর বিরুদ্ধে আমাদের প্রমাণ খুজে বের করতে হবে।' 'কিভাবে?', হাত উল্টে জিজ্ঞাসা করল রিনক। 'জনির শরীরে যেখানে দানবের ডিএনএ ইঞ্জেক্ট করা হয়েছে সে জায়গাটার খোজ পেয়েছি আমি।', বলল জাহিদ। 'এবং আমার বিশ্বাস সেখানে গিয়ে খুজলে কিছু না কিছু অবশ্যই পাব।' 'কোথায় সে জায়গা?' 'দক্ষিণের পাহাড়ে' নয় পরদিন ভোরবেলা জাহিদ আর রিনক বেড়িয়ে পরল দক্ষিণের পাহাড়ের উদ্দেশ্যে।নিরবে সাইকেল চালাচ্ছে দুজনে।কাধে রয়েছে ভারি ব্যাকপ্যাক।পাহাড়ে উঠা আর তদন্তের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সাথে করে নিয়ে এসেছে।পাহাড়ের সারি পেরিয়ে আরও কিছুদূর যাওয়ার পর একটা উচু পাহাড়ের সামনে থামল ওরা। 'এটাই সে পাহাড়', ইশারা করে দেখাল জাহিদ। পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে ঢোক গিলল রিনক।এত উচুতে যে ড.গ্রিফানো কি করে উঠেছিল তা ভেবেই বেশ অবাক লাগছে তার।ব্যাগ থেকে দড়ি বের করে পাহাড়ের নিচে গিয়ে দাড়াল জাহিদ।তার পাশে এসে দাড়াল রিনক।দুজনের হাতেই শক্ত নাইলনের দড়ি।বড় একটা দম নিয়ে দুজনে একসাথে পাহাড় চড়তে শুরু করল।পাহাড় চড়ার বিশেষ ট্রেনিং থাকায় চূড়োয় উঠতে বিশেষ একটা অসুবিধে হল না ছেলেদের।স্কুলে শিখেছে কি করে বড় বড় পাহাড়ে উঠতে হয়।চূড়োয় পৌছেই এদিক ওদিক অনুসন্ধানি চোখে কিছু একটা খুজতে লাগল জাহিদ।রিনক দেখে মনে করল সূত্র খুজছে।তাই বেশ নিশ্চিন্ত মনে পাহাড়ের একদম কিনারায় চলে এল রিনক।একটা পাহাড়ি ঝর্ণা এ পাহাড়ের বুক চিড়ে নিচের দিকে বয়ে চলছে।আর এ ঝর্ণা থেকে সৃষ্টি হয়েছে এক পাহাড়ি নদীর। এদিকে একদৃষ্টে রিনকের দিকে তাকিয়ে রয়েছে রিনক।সে যে এখানে তদন্তের জন্য আসেনি তা টেরই পায়নি রিনক।ছেলেটা কত বোকা-ভাবল সে।তার একটা কথা বিশ্বাস করেই তার সাথে চলে এসেছে এখানে।জায়গাটা নির্জন আর পাহাড়ি হওয়ায় ফন্দি করে রিনককে এখানে এনেছে ও।উদ্দেশ্য রিনককে শেষ করা।ছেলেটার রক্ত খাওয়া এতটা সহজ নয় বুঝতে পেরেই এ ফন্দিটা এটেছে ও।প্রথমে কোণঠাসা করবে তারপর রক্ত খাবে।রিনকের তাজা রক্তের গন্ধে উন্মাদ হয়ে গেল গোয়েন্দা প্রধান।উঠে দাড়াল সে।ঘায়ের লোমগুলো সব বড় হয়ে গেল।মুখের সামনে দিয়ে বেড়িয়ে পরল দুটো বড় বড় দাত।রিনক সে আগের মতই অবাক দৃষ্টিতে অপরূপ প্রকৃতি দেখছে।এটাই উপযুক্ত সময়।ভাবছে মানব ভ্যাম্পায়ার।নিঃশব্দে রিনকের পেছনে এসে দাড়াল তার বন্ধু জাহিদ।ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল পাহাড়ের উপর থেকে।নিচে ধপাস করে একটা আওয়াজ শুনা গেল।হয়তো রিনকের পরার আওয়াজ।সে সাথে একটা আর্তনাদ।সে আর্তনাদ শুনে পৈসাচিক এক হাসি ফুটে উঠল জাহিদের মুখে। চলবে.......


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২৩৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ইথারের রহস্য
→ পরীর রহস্যময় আলো
→ রহস্যময় আলুটিলা সুড়ঙ্গ
→ চা-বাগানের শীতল রহস্য
→ রহস্যময় রঙিলার ঝোপ - সারোওয়ারে জুলফিকার
→ আজও রহস্য
→ রহস্যময় রাত
→ রহস্যময় ট্রেন
→ রহস্যময় পারিবারিক আত্বহত্যা
→ একটি রহস্যময় মৃত্যু
→ সৃষ্টির রহস্য সমাধান!সত্যিই কী সম্ভব?
→ আমাজন রহস্য
→ রহস্যে মোড়া নিউট্রন তারকা
→ বক্রোষ্ঠ ব্যক্তির রহস্য [দ্য ম্যান উইথ দ্য টুইসটেড লিপ]
→ বক্রোষ্ঠ ব্যক্তির রহস্য [দ্য ম্যান উইথ দ্য টুইসটেড লিপ]

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now