বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বোরকায় আপাদমস্তক ঢাকা রহমানের মা কাঠের পুতুলের মতো চেয়ারে আড়ষ্ট হয়ে বসে বক্তৃতা শুনলেন । ডান হাতে ধরা রইল মুখের ওপর দুচোখের দুটো ছ্যাদাওয়ালা আবরণীয় ফালিটি । এরপরে যথারীতি গান ও কবিতা আবৃত্তি হলো । আবদুর রহমানের যুবক সাথীরা দুচার কথা বলে চাচি আম্মাকে সান্ত্বনা জানালো । অবশেষে কিছু বলার জন্য অনুরোধ করা হলো রহমানের মাকে । রমানের মা কোনরকম ভূমিকা না করে বললেন,রহমাইন্যা চাইছিল দ্যাশটারে স্বাধীন করতে । দ্যাশ স্বাধীন হইছে । এহন আপনারা দ্যাশের দশজনে যদি দ্যাশের মাইনষেরে খাওন পরন থাকন দিবার পারেন,তাইলে আপনারা আপনেগো কাম করবেন । মহল্লার মাইয়্যা ছ্যাওয়ালগো লেহাপড়া শিখানোর এই ইস্কুলটার লাইগ্যা রহমান খাটছে । এই ইস্কুলটা যেন থাহে । আমি আমার রহমাইনারে দিছি । অরে কোলে কইরা বেওয়া হইছিলাম । এতটা ডাগর করছিলাম । আমার আর কিছু নাই । তবু কই । দ্যাশের লাইগ্যা যদি কাজে ডাকেন,আমু । আমি শহিদের মা । আমি রহমানের মা ।হাততালিতে সভা জমজমাট হয়ে উঠল ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now