বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রাত জাগা তারা 2

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান নাসরুল্লাহ (০ পয়েন্ট)

X লোকটা যেন এরকম একটা প্রশ্নই আশা করছিল। তাই একটুও বিচলিত না হয়ে, ঠান্ডা সুরেই উত্তর দিল, “তোমার কাছে তো লুকোনোর কিছু নেই মা। আমার ক্যান্সার লাস্ট স্টেজ। কেমোর উপর বেঁচে আছি। জীবনের শেষ ক’টা দিন তাই তোমাদের সাথে, তোমাদের মাঝে…” কথাটা শেষ হওয়ার আগেই কলিং বেল বেজে উঠলো! মৌ উঠে গিয়ে দরজাটা খুলে দেয়া মাত্র এক সুদর্শন ছেলে ঘরের ভেতর ঢুকল। এরপর সোফায় বসা ভদ্রলোকের পাশে গিয়ে বসে কি যেন বলতে লাগল, মৌ দরজায় দাঁড়িয়ে শুনতে পারছিলো না। ও ভেতরে গিয়ে বসামাত্র ছেলেটা ভাঙ্গা ভাঙ্গা বাংলায় বলে উঠল, “আমি ওনাকে নিতে এসেছি।” এ কথা বলেই ছেলেটা সোফার পাশে রাখা হুইল চেয়ারটাতে লোকটাকে ধরে বসাচ্ছে। মৌ কি বলবে বুঝে উঠতে পারছিল না। মা মারা যাবার পর ও ভীষণ একা হয়ে পড়েছিল তা সত্যি! তবে এত বছর পরে আজ যেন সেই একাকীত্বে আবারও প্রবল কড়া নেড়ে দিল এই লোকটা। এতোদিন তার জীবনে যে মানুষটার কোন অস্তিত্ব ছিল না। এতদিন পরে হঠাৎ সেই লোকটা মনের মধ্যে কেমন যেন একটা ঝড় তুলে দিয়ে চলে যাচ্ছে। কিন্তু, মৌয়ের ইচ্ছে করছে না লোকটাকে যেতে দিতে। ‘মানুষটাকে ক্ষমা করে দিলে মা কি খুব বেশি কষ্ট পাবে?’ ওর ভীষণ ইচ্ছে করছে- আজ সজ্ঞানে প্রথমবারের মতো ‘বাবা’ শব্দটা উচ্চারণ করতে, ইচ্ছে করছে- দৌড়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরতে, তাকে জিজ্ঞেস করতে, “এতদিন কেন তোমার কাছ থেকে আমায় এত দূরে রেখেছিলে?” আপ্রাণ চেষ্টা করেও মৌ চোখের জল আটকাতে পারছে না। অস্ফুট স্বরে আপন মনেই বলে উঠলো, “বাবা!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রাত জাগা তারা 2
→ রাত জাগা তারা 1

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now