বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বাংলাদেশে যে কয়টি জমিদারবাড়ি সমৃদ্ধ ইতিহাসের সঙ্গে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, করটিয়া জমিদারবাড়ি তার মধ্যে অন্যতম। ইতিহাস আর ঐতিহ্যে করটিয়া জমিদারবাড়ি আলাদা স্থান করে নিয়েছে। টাঙ্গাইল শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে পুটিয়ার তীর ঘেঁষে আতিয়ারচাঁদ খ্যাত জমিদার ওয়াজেদ আলী খান পন্নীর জমিদারবাড়ি। প্রাকৃতিক এবং নিরিবিলি পরিবেশের এই জমিদারবাড়িটি প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ০.৫ কিলোমিটার প্রস্থবিশিষ্ট প্রাচীরঘেরা।
যেখানে রয়েছে লোহার ঘর, রোকেয়া মহল, রানীর পুকুরঘাট, ছোট তরফ দাউদ মহল এবং বাড়িসংলগ্ন মোগল স্থাপত্যের আদলে গড়া মসজিদ একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য। তবে এতসবের ভেতরে আপনাকে সবচাইতে বেশি টানবে রানীর পুকুরঘাট। তাছাড়াও এখানে আছে রোকেয়া মহল।
করটিয়া জমিদারবাড়ির দক্ষিণে অবস্থিত এই মসজিদটি প্রায় ১৪০ বছরের পুরোনো মসজিদ। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন সময়ে সম্প্রসারিত এই মসজিদটি তিনটি অংশে বিভক্ত। ১৮৭১ সালে হাফেজ মাহমুদ আলী খান পন্নী মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। মসজিদের সামনে রয়েছে ত্রিকোণবিশিষ্ট মিনার। মিনারের দুই পাশে সিঁড়ি। মসজিদের মূল অংশে পাঁচটি দরজা। দ্বিতীয় অংশে উত্তর ও দক্ষিণে একটি করে দরজা এবং তৃতীয় অংশের পূর্ব দিকে রয়েছে পাঁচটি দরজা। ভেতরে প্রাচীন আমলের তিনটি ঝুলন্ত ঝাড় এবং একটি সিন্দুক রয়েছে।
কিভাবে যাবেন?
ঢাকার মহাখালী থেকে বেশ কয়েকটি পরিবহনের বাস টাঙ্গাইলের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। সেগুলোতে চড়ে করটিয়া বাইপাসের কাছে নেমে গিয়ে একটি রিকশা নিয়ে চলে যেতে পারেন করটিয়া জমিদারবাড়ি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now