বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্প:রাগ অথবা একটু বেশিই ভালবাসা
লিখা:Tanvir Emon(ঘুম বাবু)
.
.
"তুই আজ থেকে ফেসবুকে আর গল্প লিখবিনা" তিন্নির এই মেসেজটা দেখে শুধু অবাক নয় বেশ খানিকটা অবাক হলাম।
এর এই ধরনের কাজ কর্ম দেখলে বেশ বিরক্ত লাগে আবার খারাপও লাগে। নিজের বয়ফ্রেন্ডকে সে তুই করে বলে মাঝে মাঝে,মানে রেগে গেলে।
তিন্নি যেদিন কোনকিছুর বায়না ধরে বাসায় কথা কাটাকাটি করে বা ওর ছোট ভাইয়ের সাথে মারামারি করে সেই দিনের সমস্ত রাগ আমার উপর ঝারে,হয় ফেসবুকে মেসেজ দিয়ে না হয় কল দিয়ে তুই তোকারি বলা শুরু করে দেবে।
আমার মনে হয় এই মেয়েটার মাথায় গন্ডগল আছে।
.
তো তিন্নির সেই মেসেজ টা দেখে শুধু"হুম" লিখে রিপ্লাই দিয়ে ফেসবুক থেকে বের হয়ে আসলাম।
নয়তো এরকম মেসেজ একের পর এক আসতেই থাকবে।
ফেসবুক থেকে বের হয়ে আসার ২-৩ মিনিট পর আবার তিন্নির কল। কল দেখে একটু চিন্তা করলাম ঝারিগুলা কিভাবে খাবো!
ভাবতে ভাবতে কল রিসিভ করলাম।
.
ঐ তুই কল রিসিভ করে এতো সময় নিস ক্যান? আর আমি ফেসবুকে মেসেজ করতেছি বলে চ্যাট অফ করে রাখলি! কত্তোগুলা মেসেজ করছি চোখে দ্যাখোস না?
আমাকে আর ভালো লাগেনা তাইনা??
.
একনাগাড়ে এতোগুলা কথা শুনিয়ে তারপর একটু দম নিয়ে আবার যখন বলতে শুরু করবে তখন
তিন্নিকে থামিয়ে দিয়ে আমি বলা শুরু করলাম__
কি শুরু করেছো হ্যা?
সব কিছুর একটা সীমা থাকা উচিত। একদম অসহ্য।
আমি ফেসবুক থেকে বের হয়ে এসেছি সেই তখনি। আর তুমি বলছো চ্যাট অফ!
আর হ্যা ভদ্রভাবে কথা বলতে পারলে বইলো নয়তো বলতে হবেনা।
.
ফোনের ওপাশে তিন্নি একদম চুপচাপ। কোন কথাই শোনা যাচ্ছেনা।
আমি "বাই" বলে ফোনের লাইনটা কেটে দিলাম।
তারপর ফেসবুকে ঢুকে আইডিটা ডিএ্যাক্টিভ করে ফোনটাও অফ করে রাখলাম। মেজাজটাই খারাপ করে দিয়েছে।
যাইহোক শান্তিতে কয়েকদিন ঘুমানো যাবে। কেউ তো আর কল করতে পারবেনা।
..
..
..
আমার একটা গল্পে অপরিচিত একটা আইডি থেকে কমেন্ট করা হয়েছে "আপনার কপালে যেনো একটা সিনিয়র বউ জোটে,দোয়া করি"
আমি 'আমিন' লিখে রিপ্লাই করলাম।
আবার রিপ্লাই এসেছে...রিপ্লাইটা ঠিক এইরকম__"এতো সুন্দর একটা কমেন্ট করলাম এতেই তো ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট এক্সেপ্ট করা উচিত,সেই কতোদিন হলো তো ঝুলিয়েই রেখেছেন"।
আইডিটার প্রোফাইলে ঢুকলাম। ফিমেল আইডি। প্রোফাইলে তেমন কিছুই দেয়া নেই।
প্রোফাইলটা ভাল লাগলোনা তবে প্রোফাইল পিকচারটা ভাল লাগলো তাই এক্সেপ্ট করে নিলাম।
একটু পরেই মেসেজ আসলো "ধন্যবাদ"
আমিও রিপ্লাই করলাম "হুম, স্বাগতম"
-আপনি খুব ভাল গল্প লেখেন,মানে আপনার লেখা গল্পগুলো আমার খুব পছন্দ হয়। এত্তোগুলা ভালো।
-জ্বী এত্তোগুলা হাওয়া ভরে দেবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
-সত্যি বলছি...
-হুম..
-তো কেমন আছেন?
-ভাল,আপনি?
-ভাল।
-হুম।
.
জানলাম মেয়েটার নাম তিন্নি।
এইরকম টুকটাক আরো অনেক কথা হলো মেয়েটার সাথে।
প্রতিদিনই কথা হয়।
কথা বলতে বলতে আমরা আপনি থেকে তুমিতে চলে আসি। কিছুদিন পর ফোন নাম্বারও দেয়া নেয়া হয়।
প্রথম প্রথম ফোনে খুব একটা কথা বলতে পারতাম না আমারা কেউই । আমাদের মাঝে কেমন যেনো এক জড়তা কাজ করতো।
ধীরে ধীরে একদম ফ্রী হয়ে যাই দুজনেই। খুব ভাল বন্ধুত্ব বলা যায়।
তিন্নির সাথে কথা বলতে ভালই লাগে। চিকন কন্ঠ তো,এতে আরো ভাল লাগে।
ঘুম থেকে ওঠার পর অপেক্ষায় থাকতাম কখন তিন্নি কল দিবে,প্রতিনই কল করতো। আসলে আমার কল দেয়ে নিষেধ ছিল। ও ফ্রী হয়ে তারপর আমাকে কল করতো..
আমি তিন্নিকে জিগ্গেস করেছিলাম আমাকে কর দিতে দাওনা কেনো?
-ভয় করে যে তুমি কল দিলে যদি আমার বাসায় কেউ কল ধরে তাহলে তো ভেবে নিবে আমি প্রেম করি,আর আমাকে বিয়ে দিয়ে দেবে। আমি তো এতো তারাতারি বিয়ে করবোনা।
-হা হা হা,কেনো? বিয়ে করলে সমস্যা কি?
-বিয়ে করতে সমস্যা নেই,
যদি____
-যদি কি?
-না কিছুনা।
-বলো বলছি।
-কিছু মনে করবেনা তো?
-নাহ কিছু মনে করবোনা। বলো।
-যদি তোমার সাথে বিয়ে হয় তাহলে বিয়ে করে নেবো।
.
কিছুক্ষন নিরব থাকলাম দুজন।
কি বললো এটা তিন্নি! কথাটা আমার মনের ভিতর শুধু ঘুরপাক খাচ্ছে।
যদি আমার সাথে বিয়ে হয়!
.
আবারও তিন্নি বলতে শুরু করলো__ কি হলো থেমে গেলে কেনো? রাগ করলে? এজন্যই আমি বলতে চাচ্ছিলাম না।
-আরেহ না রাগ করিনি,
-ভয় পেয়ে গেছিলাম।
-হুম।
-আচ্ছা এখন রাখি,আম্মু ডাকছে,,কেমন?
-হুম।
-
-
তিন্নির কথাটা মন্দ নয়।
ওর সাথে আবারও এই ব্যাপারে কথা বলতে হবে।
কথাটা একদম মন্দ নয়। ওর মত একটা বউ পেলে বিয়ে করে নেয়া যায়।
দেখতে শুনতে বেশ,কন্ঠটাও চমৎকার,আবার আমার বেশ কেয়ারও করে!
হুম,ভালই হবে।
.
রাতেই তিন্নিকে প্রোপোজ করে বসলাম।
তিন্নি একটু চুপ থাকলো।
তারপর আবার বলা শুরু করলো__
-কথাটা কি তুমি মন থেকে বললে? নাকি ফান করলে?
-তোমার কি মনে হয়?
-আমার কোনো ধারনা নেই এই ব্যাপারে। সো তুমিই বলো।
-বাদ দাও এই প্রসঙ্গ।
-না,তোমাকে বলতেই হবে.
-হুম
-কি হুম?
-সুস্থ মন থেকে চিন্তা ভাবনা করেই কথাটা বলেছি।
-সত্যি!!!
-হুম।
-কি যে আনন্দ লাগছে এখন,তোমাকে বলে বোঝাতে পারছিনা।
-হুম,বুঝেছি।
-আসলেই কিন্তু আমি সত্যিই বলছি।
-উফ! আমিও সত্যিই বলছি।
-ছেড়ে যাবেনা তো?
-তুমি ছেড়ে দিলে আমিও ছেড়ে দেবো।
-তাই! আর হ্যা শোনো,আমার কালকেই দেখা করবো।
-কি বলছো? মাথা ঠিক আছে তো তোমার?
-হ্যা ঠিক আছে। দেখা করতে সমস্যা কি হ্যা??
-মানে কাল দেখা না করলে হয়না?
-না কালকেই দেখা করতে হবে।
-আচ্ছা দেখা যাক।
-না,দেখা যাক না,দেখা করতেই হবে।
-আচ্ছা ঠিক আছে। কিন্তু কোথায় দেখা করবো?
-আমাদের শহরের পাশে একটা পার্ক আছে,কাপলদের জন্য আদর্শ পার্ক,ঐখানে দেখা হবে।
-আচ্ছা ঠিক আছে।
.
.
তিন্নির আমাদের পাশের জেলাতেই থাকে। তাই দেখা করতে তেমন সমস্যা হবেনা।
নির্দিষ্ট সময়ের আগেই আমি ঐখানে পৌছে গেলাম।
একটুপর তিন্নিও এলো,দুজন দুজনকে চিন্তে কোনো সমস্যা হলোনা।
আমরা কোথাও না বসে সোজা হাটতে লাগলাম।
ফোনে আমরা যেভাবে কথা বলতাম,এখন সেভাবে ফ্রী ভাবে কথা বলতে পারছিনা,কেমন যেন লজ্জা!
তবুও নরমাল হওয়ার চেষ্টা করলাম।
আমাদের সামনে থেকে একটা মেয়ে আর ছেলে হাত ধরাধরি করে আসছিল,ওদের দিকে তাকিয়ে হাটছিলাম।
-ঐ শোন,আমার সাথে প্রেম করছিস অথচো তাকিয়ে আছিস ঐ মেয়ের দিকে! এসব চলবেনা,আমার জেলাস ফিল হয়।
কে দেখলি বল আমাকে?
.
কি সাংঘাতিক মেয়েরে!!
দুদিনের প্রেমেই আমার সাথে তুই করে বলা শুরু করলো?
আবার কিছু বলারও সাহস পাচ্ছিনা। এই মেয়ে তো দেখছি খুব বদরাগী!
.
এই মেয়ে দাড়াও তো।
তিন্নি পিছনদিকে যাওয়া মেয়েটাকে থামালো।
তার কাছে গিয়ে ভাল করে খেয়াল করলো,তারপর আমার কাছে আসলো..
-চলো,পার্কের বাইরে কিছু দোকান আছে ঐখানে যাবো।
-কেনো,কিছু কিনবা?
-হ্যা,তুমি আমার সাথে চলো।
-আচ্ছা চলো।
-
তিন্নির সাথে পার্কের বাইরে চলে আসলাম।
ও আমাকে একটা কসমেটিকস্ এর দোকানে নিয়ে গেলো,
-এইযে মামা,একটা লাল কলারের লিপস্টিক দিন তো..(তিন্নি)
-লিপস্টিক দিয়ে কি করবা এখন? (আমি)
-চুপচাপ দেখো আমি কি করি,কোনো কথা বলবানা বলে দিলাম।
-হুম।
তিন্নি লিপস্টিকটা কিনে,গ্লাসের সামনে গিয়ে গাঢ় করে ঠোটে লিপস্টিক মাখালো।
আমাকে বললো ঠিক আছে?
আমি শুধু হুম বললাম।
-চলো এখন যাওয়া যাক।
-হুম,চলো।
-
দুজন পাশাপাশি হাটছিলাম, একটুপরেই তিন্নি আমার হাত ধরলো, হাত ধরেই হাটতে লাগলো।
-চলো ঐ ব্রেঞ্চে বসি।
-হুম।
আসলে তিন্নির ঐরকম আচরনে মনটাই খারাপ হয়ে গেছে একদম।
..
..
-স্যরি,আসলে রাগটা বেশিই বেড়ে গেছিলো তো,তাই কন্ট্রোল করতে পারিনি। তোমাকে কি না কি বলে ফেলেছি। স্যরি।
-হুম।
-তুমি তো ঐ মেয়ের লিপস্টিকের দিকে চেয়েছিলে তাইনা? দেখো এখন আমিও তার চাইতে ভাল করে লিপস্টিক দিয়েছি। মেয়েটার দিকে তাকিয়েছিলে বলে আমার খুব রাগ হয়েছিল।
-আসলে আমি মেয়েটার দিকে তাকাইনি বা তার ঠোটের দিকেও তাকাইনি,আমি তাকিয়েছিলাম এদের হাতের দিকে,দুজন দুজনার হাত ধরে ছিল।
-তাতে কি! আমিও হাত ধরে হাটবো চলো.
-হুম।
.
দুজন হাত ধরে হাটতে লাগলাম।
-শোনো,এত গাঢ় করে লিপস্টিক দেয়াতে কিন্তু তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে।
-তাই! আগে বললা না কেনো?
আগে বলার মুড ছিলোনা,কিন্তু এখন আছে তাই এখন বললাম।
-
তিন্নি একটু হাসলো।
এভাবেই বেশ চলছিলো আমাদের দিনকাল।
..
..
..
ঘন্টা দুই পরে আমার ফোনটা অন করলাম।
একটুপরেই একেরপর এক মেসেজ আসতে শুরু করলো,সবগুলোই তিন্নির মেসেজ।
স্যরি,স্যরি,স্যরি সবগুলো মেসেজেই স্যরি বলা হয়েছে।
একটু পরেই তিন্নির কল আসলো,
রিসিভ করলাম।
-এমন করো কেনো আমার সাথে?
কান্না মিশ্রিত কন্ঠে বললো তিন্নি।
-হুম।
-আমি এখন বাসে আছি।সিরাজগন্ঞ্জ আসতেছি। ৩০ মিনিটের মতো লাগবে। বাসস্ট্যান্ডে এসো,কিছু কথা বলবো।
.
কি বলে এই মেয়ে! সিরাজগন্ঞ্জ আসতেছে!
এর মাথায় আসলেই গন্ডগল আছে। নয়তো এখন সিরাজগন্ঞ্জে আসবে কেনো?
-আচ্ছা কতক্ষন লাগবে আর?
-৩০ মিনিটের মতো.
-আমি বাসস্ট্যান্ডে আসতেছি তাহলে।
-
-
বাস থেকে একের পর এক যাত্রিরা নামছিলো,কিন্তু আমি শুধু তিন্নিকেই খুজছিলাম।
একটুপর তিন্নিও নামলো,আমাকেও দেখতে পেলো।
.
সোজা আমার কাছে চলে আসলো..
কি বলবো বুঝতে পারছিনা,চোখদুটো ফুলে লাল হয়ে গেছে,মানে খুব কেঁদেছে!
এই মেয়ে দেখছি যেমন রাগি তেমন আবেগী!
.
কেউ কিছু বললাম না,দুজনেই নীরবে হাটতে লাগলাম।
.
নীরবতা কাটিয়ে আমিই বলতে শুরু করলাম..
-আমার সাথে কথা না বলেই তুমি সিরাজগন্ঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দিলা কেনো?
যদি আমি ফোন অন না করতাম! কোথায় পেতে আমাকে,আর কোথায়ই বা যেতে?
-আমি ঠিকই খুজে বের করতাম তোমাকে।
-হুম।
-আজ কেনো এতো রাগ হয়েছিলো তোমার উপর,জানতে চাইবেনা?
-হুম,আমি এখন এটাই জিগ্গেস করতাম।
-তুমি ফেসবুকে গল্প দিলে মেয়েরা কত্তো রোমান্টিক কমেন্ট করে,ঐসব দেখলে আমার গা জ্বলে যায়।
তাই গল্প দিতে মানা করছিলাম।।
-তো ভাল ভাবে বলা যেতোনা?
-কয়েকটা কমেন্ট দেখে রাগটা আরো বেড়ে গিয়েছিলো তো,কি না কি বলে ফেলেছি। স্যরি।
-হুম।
-আমি একটুপরেই বাসায় চলে যাবো,বাসে উঠিয়ে দাও.
-আচ্ছা চলো,কিছু খাবে?
-না,বাসায় গিয়ে খেয়ে নেবো। এখন ক্ষুধা নেই।
-হুম,আর এরকম পাগলামী করবানা বুঝছো।
-
-বাস থেকে নেমেই আমাকে কল করবা।
-আচ্ছা।
-হুম
.
-শোনো এরকম আর রাগ করবেনা,নাহলে আবার চলে আসবো।
-
আমি আর কিছুই বললাম না।
বাস ছেড়ে দিয়েছে। দুজনে হাত নাড়িয়ে বাই জানালাম।
হাটতে লাগলাম। একটু পরেই তিন্নি কল দিলো,বাস দেখাই যাচ্ছে,অথচো এখনি কল কেনো?
রিসিভ করলাম_
-শোনো,তুমি আজ রাতেই ফেসবুকে গল্প দিবা। আর প্রতিদিনই গল্প লিখবা।
তুমি গল্প না লিখলে আমি কর গল্প পড়বো?
কে কি কমেন্ট করলো তা দেখাবোনা।
-হুম।
-হুমমমমমম,মনে থাকে যেনো।
-হুম।
-
.
এই মেয়ে যে কি না!
হয়তো বেশিই ভালবাসে।।।
.
.
বি:দ্র:গল্পের সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই,সম্পুর্ন কাল্পনিক।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now