বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রজাপতির কুঠার (the silent axe)

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মো মজিবুর রহমান (০ পয়েন্ট)

X লেখক ~ মজিবুর_রহমান পর্বঃ৪ ‘আম্মাজান, আপনার যেদিন জন্ম হয়েছিল, সেদিন ছিল শুক্রবার। আপনি এমন এক দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, যেই দিনে পৃথিবীর প্রথম মানবের সৃষ্টি হয়েছিল। যেদিন আমাদের পিতা আদম (আ.)-কে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছিল। আপনি এমন এক দিনে আমাদের কোলে এসেছিলেন, যেই দিনটি ছিল সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে পবিত্র দিন। এই কারণে আপনার দুই কানে আপনার পিতা আজান দেওয়ার পর “আরিয়ানা” নামটা আপনাকে শুনিয়েছিলেন। আরিয়ানা—যার অর্থ পবিত্র। আপনি আসলেই পবিত্র, আমার আম্মাজান! সন্তান হচ্ছে ফুলের মতো, যে ফুল নারী ছিঁড়ে বের হয়। আপনি একটি ফুল হয়েই জন্ম নিয়েছিলেন, যেই ফুলের সুবাস ছড়িয়ে পড়েছিল পাবনার আনাচে-কানাচে। কিন্তু একটা কথা জানেন কি, আমার আম্মাজান? এই পৃথিবীটা ফুলদের জন্য একদম উপযুক্ত নয়। আর যে ফুলের কাঁটা নেই, সেই ফুল এই দূষিত পৃথিবীর বাতাস একদণ্ডও সহ্য করতে পারে না। তবে আপনি চিন্তা করবেন না। আপনার নিজস্ব কাঁটা না থাকলেও, আপনার আছে একটি কাটাওয়ালা দেয়াল। আপনার আব্বাজান—আশরাফ তালুকদার। আমার দেখা কোনো মেয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ আব্বাজান। এই কারণে আপনার প্রতিও আমি মাঝে মাঝে হিংসা অনুভব করতাম। এটা কাউকে বলবেন না, এমনকি আপনার ভবিষ্যত সন্তানদেরও না! তাহলে আমি খুব লজ্জা পাবো। আপনার আদুরে বুলিতে তালুকদার মঞ্জিল সবসময় মুখরিত থাকত। আপনার বাবা, যিনি একদণ্ডও ঘরে থাকতেন না, সেই ব্যক্তি এখন ঘর থেকে বের হতে চাইতেন না, তাকে জোর করে ঘর থেকে বের করতে হতো। কি এক ঝামেলা, আম্মাজান! এরকম করলে কি চলে বলেন? সকল কাজ ফেলে সারাক্ষণ আপনার সাথেই লেগে থাকত। এরকম খুনসুটি করতে করতে আপনি বড় হচ্ছিলেন। কিন্তু আশরাফ তালুকদারের তনয়া “আরিয়ানা” নামক এই ফুলের দিকে একদিন এক অশুভ ছায়া পড়ে। আপনার বাবা তখন মোহসিন তালুকদারের প্রকৃত উত্তরসূরি হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছিলেন। কত তরুণ ছিলেন আপনার বাবা তখন! একদিকে বাইরে কঠোর, অন্যদিকে ঘরে কোমল বাবা! বাবার কাজের জন্য বাইরে যেমন বন্ধু তৈরি হচ্ছিল, তেমনই শত্রুও তৈরি হচ্ছিল। শত্রু তৈরি হওয়া কোনো বড় বিষয় নয়, যদি শত্রু হয় ব্যক্তিত্ববান। কিন্তু সব শত্রু ব্যক্তিত্ববান হয় না!’ আরিয়ানা নিচে আয়। মায়ের লেখা ডায়েরিটা সে পেয়েছে আশরাফ তালুকদারের লাইব্রেরিতে। যে অংশটায় তার বাবার ব্যবসায়িক কাগজপত্র রাখা হতো। এই অংশে সে আগে কোনোদিন আসেনি। তার বাবা প্রতিদিন বিকেল বা রাতে হিসাব-নিকাশ এখানে বসে করতেন। কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর এখানে আর কেউ আসেনি, যার কারণে ধুলোবালিতে বইগুলো নোংরা হয়ে গিয়েছিল। সেগুলো পরিষ্কার করাই শুরু করেছিল সে। তখনই ২০১০ লেখা ডায়েরিটার দিকে নজর পড়ে। কৌতূহল বশে খুলতেই মায়ের হাতের লেখা সহজেই চিনে ফেলল সে। মেঝো চাচি সাইমা বেগমের ডাকে পড়া থেকে উঠতে হলো তাকে। আজ তাদের বাইরে ঘুরতে যাওয়ার কথা। অনেকদিন হলো কোথাও যাওয়া হয়নি। শরীর এবং মন ফ্রেশ করার জন্য ঘুরাঘুরির চেয়ে ভালো কোনো মাধ্যম নেই! তাই চাচি সাইমা বেগমের এই উদ্যোগ। ঘুরতে যাবে শুনে সবচেয়ে খুশি হেনা। আনন্দ আটকাতে না পেরে আশপাশের সমবয়সী সব মেয়েকে ডেকে এনেছে। এতে তার মা বেজায় রেগে আছেন, কিন্তু তাতে হেনার আনন্দে বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি। সে মনের আনন্দে মেয়েদের তার পোশাক দেখাচ্ছে, কোনটা পরে যাবে তা ঠিক করছে। সবুজ একটা জামা নিয়ে দৌড়ে গেল আরিয়ানার রুমে, জামাটা দেখাবে বলে। ‘আপু, দেখ! এই জামাটা সুন্দর না? আমি এটা পরব।’ আরিয়ানা কোনো কথা বলল না। আলমারি থেকে দুটি বোরকা বের করে, একটি নিজে পড়তে শুরু করল, আরেকটি হেনাকে পড়তে বলল। যে আনন্দ নিয়ে হেনা এসেছিল, সেই আনন্দ এক মুহূর্তে শেষ হয়ে গেল। 'কোনো মানুষ যদি দীর্ঘদিন ঘর থেকে না বের হয়, তাহলে তার মধ্যে চঞ্চলতা কমতে থাকে এবং এক প্রকার ডিপ্রেশনের আবির্ভাব ঘটতে থাকে। আর প্রাকৃতিক পরিবেশ মানুষের সেই ডিপ্রেশন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সাইকোলজির ভাষায়, প্রকৃতির মাঝে সময় কাটালে মস্তিষ্কে ‘কোর্টিসল’ নামের স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা কমে যায়, ফলে মানুষ স্বস্তি অনুভব করে এবং মনের ওপর চাপ কমে যায়। গাছ, পাখির ডাক, হাওয়ার শব্দ, খোলা আকাশ এবং সবুজের মাঝে থাকলে মানুষের মস্তিষ্কে ডোপামিন ও সেরোটোনিন নিঃসরণ বাড়ে, যা মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। প্রাকৃতিক পরিবেশে হাঁটার সময় মনোযোগ প্রকৃতির দিকে চলে যায়, যার ফলে নেতিবাচক চিন্তাগুলো হ্রাস পায় এবং মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ে। সাইকোলজির “Attention Restoration Theory” অনুযায়ী, প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানো ক্লান্ত মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেয় এবং মানসিক পুনর্গঠন ঘটায়। গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে অন্তত ৩০ মিনিট সবুজ পরিবেশে হাঁটলে হালকা থেকে মাঝারি মানসিক চাপ এবং ডিপ্রেশন কমে যায়। রোদে হাঁটার ফলে ভিটামিন-ডি বৃদ্ধি পায়, যা মুড ভালো রাখতে সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন কিছু সময় গাছপালা, আকাশ এবং প্রকৃতির সাথে কাটানো আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এবং ডিপ্রেশন থেকে ধীরে ধীরে মুক্তি দিতে সহায়ক হতে পারে।' আরিয়ানা বাইরে ঘুরার বিষয়টা বিরক্তির সহিত নিলেও, বাহিরের পরিবেশ তার বিরক্তিভাবটা উড়িয়ে দিয়েছে। এখন আর বিরক্তি লাগছে না, বরং বাইরে আসার পর তার মনটা অনেকাংশে ভালো হয়ে গেল। দুশ্চিন্তাগুলোও কর্পূরের মতো উড়ে যাওয়া শুরু করল। ‘আপু, দারাও, তোমার একটা ছবি তুলে দিই।’ ‘একদম না হেনা, অপ্রয়োজনে ছবি তোলা কোনো ভালো কাজ নয়। এটা অপরাধের সামিল, তুমি জানো না?’ ‘এর চেয়ে বাহিরের পরিবেশ উপভোগ করো।’ হেনা তার বোনকে মনে প্রাণে ভালোবাসলেও, এই একটা বিষয়ে সে বোনের উপর বেজায় বিরক্ত থাকে। ‘সবসময় আমার বেলায় কেন এতো শাসন!’ কিন্তু কিছু বলে না সে, মন খারাপ একপাশে রেখে গ্রামের স্নিগ্ধ পরিবেশ উপভোগ করতে থাকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত এই বিশ্ববিদ্যালয়, জন্ম দিয়েছে হাজারো কিংবদন্তি। যেমন জন্ম দিয়েছে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মতো বিখ্যাত নেতা, হুমায়ূন আহমেদের মতো উপন্যাসিক, সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, গোলাম আযমের মতো ভাষা আন্দোলনের শীর্ষ নেতা। সেই একই বিশ্ববিদ্যালয় জন্ম দিয়েছে গোলাম কিবরিয়া পিন্টুর মতো কুখ্যাত সন্ত্রাসী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যেমন হাজারো আলোকিত মানুষ জন্ম দিয়েছে, তেমনি কিছু ব্যক্তি এখানে পড়াশোনা করে ক্ষমতার অপব্যবহার, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে নিজের জীবন ও সমাজকে কলুষিত করেছে। কিন্তু তারপরও শিক্ষার্থীদের কাছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটা আবেগের নাম। একসময় এরকমই আবেগ ছিল এসআই আকরামেরও। কিন্তু সবার আবেগ বাস্তবতার কাছে টিকে থাকতে পারে না। তারটাও পারেনি। স্কুলে থাকাকালীন বাবার মৃত্যুতে পরিবারের দায়িত্ব নেমে এসেছিল তার কাঁধে। ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ইচ্ছেটা ঝেরে ফেলতে হয়েছিল তার। কিন্তু স্বপ্নকে কখনো সে ছেড়ে দেয়নি। যার ফলে আজকে সে এই জায়গায় দাঁড়িয়ে। ‘তো বলুন মিস্টার আকরাম সাহেব, কী সাহায্য করতে পারি?’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিসে বসে এতক্ষণ অতীতের স্মৃতিচারণ করছিল এসআই আকরাম। ‘একজনের পরিচয় লাগবে।’ ‘নাম, রোল, পাসের সাল লাগবে?’ ‘রোল তো জানি না, তবে পাসের সাল ২০০০, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়তো, নাম জোবায়দা খান।’ ‘একটু অপেক্ষা করুন।’ ‘জোবায়দা খান, গোকর্ণ ইউনিয়ন, সরাইল উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা।’ ‘তার কোনো সহপাঠী বা বান্ধবী?’ ‘অপর্ণা দাশ, বিখ্যাত সাংবাদিক গৌতম দাশের স্ত্রী।’ _____ মোহসিন তালুকদার এই দুই মাসে তিনটা কাজ করেছে- আশরাফ তালুকদারের সকল শত্রুদের সাথে সম্পর্ক ঠিকঠাক করা, নোমান চৌধুরীকে তার পক্ষে নিয়ে আসা এবং আরিয়ানার বিয়ের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া। প্রথম দুই কাজে সফল হলেও, তৃতীয় কাজটা এখনো শুরু করেনি। প্রথমে ভেবেছিলেন, আয়মানের সাথে আরিয়ানার বিয়েটা দেওয়া যায় কি না। কিন্তু মেয়ে আফসানার সাথে আলাপ করে বুঝতে পারলেন, আরিয়ানা এতে কখনো রাজি হবে না। তাই এই বিষয়ে আর চিন্তাও করেনি সে। তবে আরেকটা বিষয় নিয়ে সে চিন্তিত। আশরাফের জীবনে শুধু শত্রুই ছিল না, বন্ধুও ছিল। আহমদ খান, সম্পর্কে তার শালা ছিল। আশরাফ তালুকদারের শত্রুদের সাথে সম্পর্ক ঠিকঠাক করায়, সে এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবে? গত এক সপ্তাহ ধরে আরিয়ানা কলেজে যাওয়া শুরু করেছে। অনেকদিন একটানা কলেজে না যাওয়ার কারণে পড়ালেখা তো জমেছেই, পাশাপাশি নিজেকে একদম নতুন শিক্ষার্থীর মতো মনে হচ্ছে। পড়ালেখার প্রতি তার মনোযোগ কম থাকলেও, সে জীবনে একটা বিষয় ভালোভাবে অনুসরণ করেছে—সৎ বন্ধু জোগাড় করা। তাই কলেজে ভর্তি হওয়ার পর সে ফারজানাকে বন্ধু বানিয়েছে, টানা তিন মাস পর্যবেক্ষণ করার পর। ‘এই নে তোর নোট, গত এক মাসে যা যা পড়ানো হয়েছে সব আছে। আর পারলে হোস্টেলে চলে আসিস, নিয়মিত ক্লাস না করলে পরীক্ষার মধ্যে ঝামেলা হতে পারে।’ ‘ঠিক আছে, বাড়িতে কথা বলব।’ ‘তোর বাড়ির কি খবর? চাচা-চাচি ভালো আছেন?’ ‘সবাই ভালো আছেন।’ ‘আরেকটা খবর আছে।’ একটু লাজুক কণ্ঠেই কথাটা বললো ফারজানা। বান্ধবীর মুখ লাজরাঙা হতে দেখে আরিয়ানা বিষয়টা কি তা অনুমান করতে পারলো। তাই কিছুটা কৌতুক শুরু করলো। ‘তাই নাকি? শুনি, কী খবর!’ বান্ধবীর গলায় কৌতুকের সুর শুনে, মুখ থেকে লাজরাঙা ভাবটা মুহূর্তেই কেটে গেল ফারজানার। সেই জায়গায় আশ্রয় নিল রাগের আবাস। সতর্ক হয়ে দূরে সরে যাওয়ার আগেই আরিয়ানার উপর ঘূর্ণিঝড় নেমে এলো। হঠাৎ হাসি থামিয়ে দিল আরিয়ানা। কতদিন পর প্রাণখুলে হাসলো সে। ফারজানাও বুঝল বিষয়টা। পরিবেশ ঠিকঠাক করতে বললো, ‘মার্চের দুই তারিখ তার বিয়ে।’ অর্থাৎ দুই মাস পর। কথায় আছে, যার সকালটা ভালো যায়, তার সারাটা দিন ভালো যায়। সকাল মন্দ হলে, তার সারাটা দিন মন্দ। এমপি হয়েছে নোমান চৌধুরী। কিন্তু এমপি হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে এরকম দুর্ঘটনা সে আশা করেনি। আরমান ছেলেটা সবসময় দূরে থাকলেও, ভাতিজা হিসেবে তাকে কখনো অবহেলা করেনি সে। কিন্তু সেই ছেলেটা এভাবে হত্যার শিকার হবে, তা সে ভাবতে পারেনি। সকালে এসআই আকরাম ফোন করে জানালো, আরমানের লাশ পাওয়া গেছে। গত এক মাসে কোনো জায়গা খুঁজে বাদ রাখেনি নোমান চৌধুরী। কিন্তু আরমানকে খুঁজে পাওয়া দূরের কথা, কে আরমানকে তুলে নিতে পারে, এটাও বের করতে পারেনি সে। রাজনীতিতে আসার পর থেকে মোটামুটি ভালোই শত্রু হয়েছে তার। কিন্তু এটা কোন শত্রু? আরমানের মৃত্যু কি তার সাথে শত্রুতার কারণে? নাকি তার নিজের কারণেই তার এই পরিণতি? নাকি তৃতীয় কোনো পক্ষের আবির্ভাব ঘটেছে? তা সে বুঝতে পারছে না। কলেজ থেকে আসার পর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে একটু ঘুমিয়েছিল আরিয়ানা। ফারজানার সাথে দেখা হওয়ার পর মনটা অনেক ফ্রেশ লাগছিল তার। এই কারণে ঘুমটাও গাঢ় হয়েছিল তার। ঘুম থেকে ওঠার পর তিনটা খবর পেল আরিয়ানা। আর সচরাচরের মতো খবরগুলো নিয়ে এসেছে হেনা। তার ফুপু চলে গিয়েছেন! ফুপু এরকম না বলে চলে যাওয়ায়, একটু আশ্চর্যও হয়েছে সে। এরকম না বলে চলে যাওয়া একদমই অনাকাঙ্ক্ষিত। এর আগে কোনোদিন এরকম ঘটেনি। দ্বিতীয় খবরটা হলো আরমানের হত্যার ঘটনা। পুরো পাবনাতে ঘটনাটা চাঞ্চল্য সৃষ্টি করলেও, আরিয়ানার মধ্যে তেমন চাঞ্চল্য আসেনি। তবে কারো হত্যা নিশ্চয়ই কাম্য নয়। আর তৃতীয় খবরটাই তাকে আশ্চর্যের চরম শিখরে নিয়ে গেছে। তার মামা আহমদ খান এসেছে! একা না, পুরো পরিবারের সাথে। চলবে.....


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ প্রজাপতির কুঠার (the silent axe)
→ প্রজাপতির কুঠার (The silent axe)
→ প্রজাপতির কুঠার (The silent axe)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now