বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রপোজ

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান S M Fahim Ahmed (আম্মুর রাজপুত্র) (০ পয়েন্ট)

X _এইযে শুনছেন? _ আমাকে ডাকছেন? _ আশেপাশে তো কাউকে দেখছিনা। আমি নিশ্চয় আপনার পাশের বটগাছকে ডাকছিনা! _ জ্বি বলুন কি বলবেন। _ এভাবে কটকট করে তাকিয়ে আছেন কেন? সুন্দরী মেয়েদের সাথে ভদ্রতার সাথে কথা বলতে হয়। নম্রতার সাথে কথা বলতে হয়। _ আপনি সুন্দরী? আপনি নিজেকে সুন্দরী ভাবেন! হাহাহা। _ সুন্দরীরা নিজেকে সুন্দরীই ভাবে বান্দরীরা ভাবে না। যাকগে আপনি বড্ড বেশি বকবক করেন। যা বলতে ডেকেছি শুনুন। আপনি সুন্দর লেখেন _ যাক কিছু তো ভাল বললেন। ধন্যবাদ। _ এতো বকবক করেন কেন! পুরোটা তো শুনবেন! আপনি ভাল লেখেন এইটা আমার ভাষ্য না আমার বয়ফ্রেন্ডের ভাষ্য। _ এটা বলতে ডেকেছেন? কিছু বলার থাকলে আমি বকবক করি এই লাইন বাদে বলেন! _ এতো ভাব কেন আপনার? এফবিতে কিছু ফলোয়ার জুটাইছেন তাই এতো ভাব! _ শোনেন আপু আপনার কাজ না থাকলেও আমার অনেক কাজ আছে দরকারি কিছু বলার থাকলে বলেন নাইলে যাই। _ আইছেন প্রাইম মিনিস্টার! যতোরাজ্যের কাজ উনিই করেন! আমার বয়ফ্রেন্ডের জন্মদিন কাল। _ আজব পাগল মেয়ে তো আপনি। রাস্তাঘাটে দাড় করিয়ে বয়ফ্রেন্ডের জন্মদিনের দাওয়াত দিচ্ছেন! _ কেন জ্বলে? _ মাত্রাতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল না! আমার কেন জ্বলবে! _ এইযে শোনেন ভাব নিয়েন না আমি জানি আপনি আমারে লাইক করেন। _ আজব! _ এইটা মেয়েদের ডায়লগ। আপনার মতো বড় লেখকের মুখে মানাচ্ছেনা। _দেখেন আপনার ভুল ধারণা আমি আপনাকে পছন্দ করিনা। _ ওহ তাই! পরশু আমাদের ক্লাস পার্টির দিন চুপি চুপি আসছিলেন কেন? আমি খেয়াল করছি আপনি লুকায়ে আমার তিন চারটা ছবিও তুলছেন। সিনিয়র পার্সন তাই কিছু বলিনি। _ ইয়ে মানে আপনার ছবি কই তুললাম আপনাদের স্টজের ছবি তুলছি সামনে আমাদেরও ক্লাস পার্টি তাই। _ আইছে উনাদের ক্লাস পার্টির গল্প শোনাইতে! _ ওহ তাই না! আমার তো এখন মনে হচ্ছে আপনিই আমারে ফলো করেন। নাইলে আমি কি করতেছি না করতেছি আপনি খেয়াল করলেন কেম্নে! আমার তো মনে হয় আপনিই আমারে লাইক করেন। _ পাগলের সুখ মনে মনে। আমার বয় ফ্রেন্ডের জন্মদিনের জন্য আপনি কিছু লিখে দেবেন। সেজন্যই ডাকছি। _ এমনভাবে বলছেন যেন অর্ডার করছেন! আমার ঠ্যাকা পড়ছে আপনার বয় ফ্রেন্ডের জন্য কিছু লেখার। _ লিখবেন লিখবেন আমি জানি আপনি লিখবেন। এইবার আপনার নাম্বারটা দেন তো। _ আজব পাগলের পাল্লায় পড়া গেল তো আমি কেন আপনাকে নাম্বার দেবো। _ কেন রাসেলের কাছে যখন আমার নাম্বার চাইছিলেন তখন তো কেউ বলেনি আমার নাম্বার দিয়ে আপনি কি করবেন। আমি নাম্বার চাইছি লেখা শেষ হইছে কিনা জানতে ফোন করবো। _ দেখেন রাসেল হয়তো আপনাকে মিথ্যে বলেছে। আমি নাম্বার চাইনি। আর আমি আপনার বয়ফ্রেন্ডের জন্য লিখতে পারবোনা। _ তা পারবেন কেন! জ্বলে তো। যাইহোক কাল আমি আমার বয়ফ্রেন্ডকে প্রপোজ করবো। ও আমাকে অনেক আগেই একে তাকে দিয়ে প্রপোজ করাইছে এক্সেপ্ট করিনি। ওইটাইপ ভীতুর ডিমকে এক্সেপ্ট করাও যায়না। ভাবলাম নিজেই করবো আর কতো! আপনি তো আর লিখে দিলেন না আমিই লিখবো। _ ভীতুর ডিম কিন্তু আজীবন ভীতুই থাকে। যা করার ভেবে চিনতে করবেন। পরে না পস্তাতে হয় _ এতো কথা বলেন কেন! আপনার সাথে কাজ শেষ আপনি আসতে পারেন। _ না বলছিলাম কি আরেকবার ভেবে দেখবেন। _ এইযে একটু আগে বলছিলেন আপনার অনেক কাজ। এখন যান না কেন? _ জেনে শুনে একটা মেয়েকে জলে লাফ দিতে দেখেও কিছু বলবোনা এমন কাপুরুষ তো আমি না। _ আইছে আমার সুপুরুষ! আমাকে নিয়ে আমার ভাবতে হবেনা। আমার বয়ফ্রেন্ড অনেক ভাল আমাকে অনেক ভালবাসে। আপনাকে এসব ভাবতে হবেনা আসেন। _ নীলা! _ বাব্বাহ! আপনি আমার নামও জানেন। _ বেশি হয়ে যাচ্ছে কিন্তু। _ কিসের বেশি! _ আপনি সব জেনেও নাটক করছেন। _ আমি আবার কি জানি। কি বলছেন সবই তো মাথার উপর দিয়ে যায়। দেখেন ভাই আপনি লেখক তাই বলে যে আপনি ক বললেই সবাই কলম বুঝে যাবে তা তো না। বুঝিয়ে বলেন। _ আপনি কাউকে প্রপোজ করতে পারেন না। _ কেন পারিনা? দুইবছর তো হয়ে গেল এই ক্যাম্পাসে। সবাই একটার জায়গায় দশটা প্রেম করে আমি কেন পারবোনা। _ যখন বলছি পারেন না তো পারেন না। নীলা এবার অজিতের শার্টের কলার ধরে বলে, _ কেন পারিনা? বলো কেন পারিনা? _ কারণ তুমি জানো আমি তোমাকে.. _ তুমি আমাকে কি বলো? _ আমি তোমাকে... নীলা বোঝে অজিত রীতিমতো ঘামতে শুরু করছে। _ এই দুইবছরে লাট্টুর মতো পেছনে ঘুরতেছো আজ সীমা রে দিয়ে বলাও কাল রাসেলরে দিয়ে বলাও। তুমি ছেলেমানুষ! খাটাশ একটা। এতোদিন পর আজ তোমারে ধরছি তাও আমি তোমাকে এসে আটকে যায় আর না বহুত হইছে তোমাকে আর বলতে হবেনা। _ তুমি তো জানোই তাহলে কেন প্রশ্ন করো? _ জানি তো কি হইছে? সবকিছুর একটা সিস্টেম আছে। সিস্টেম মেইনটেইন না করতে পারলে দূরে হাঁটো। যাও তুমি আলাদা আমিও আলাদা। _ নীলা প্লিজ এমন করোনা। _ প্রপোজ করতে কি কামড়ায়! _ ভয় করে তো। তুমি যে গুন্ডা টাইপ যদি না বলে দাও আমি তো শেষ। তাই দুই বছর ধরে ঘুরেই যাচ্ছি করতে আর পারছিনা। নীলা আরো জোরে কলার ধরে হ্যাচকা টান দেয়, _ তাইলে তুই তোর ভয় নিয়েই থাক আমি গেলাম। আমার বয়ফ্রেন্ডরেই প্রপোজ করবো। _ কি কও তুমি তোমার কিসের বয়ফ্রেন্ড! _ কেন তোর জি এফ নাই বলে আমার বি এফ থাকবেনা সেইটা কোন সংবিধানে লেখা আছে? _ ছিঃ এমন তুই তোকারি কেন করছো? কেউ দেখলে কি বলবে? _ কি বলবে? সবাই তোরে হাড়ে হাড়ে চেনে। আমার পেছনে যখন লাট্টুর মতো ঘুরিস তখন ভাবিস না? বাই _ নীলা আমি জানি তুমিও আমারে ভালবাসো। যেওনা প্লিজ। নীলা হুট করেই ফুঁপিয়ে কাঁদতে থাকে। _ কাঁদো কেন? আচ্ছা বাবা আমারে একটা দিন টাইম দাও আর ওই ছাগল যেইটার কাল জন্মদিন ওইটারে তুমি প্রপোজ কইরোনা দোহাই লাগি। প্লিজ একটু হাসো। কাল আমি পুরো ক্যাম্পাসের সামনে তোমারে প্রপোজ করবো একটু হাসো। নীলা গটগট করে হেঁটে চলে যায়। অজিত এর মানে বোঝেনা। আচ্ছা ওর কি কালকের প্রপোজের জন্য প্র‍্যাক্টিস করা উচিত? আচ্ছা নীলা ওই বদমাইশটাকে প্রপোজ করবেনা তো? হুট করে নীলা পেছনে তাকিয়ে চিৎকার করে বলে। _ ছাগলের বাচ্চা ছাগল! বাড়ি গিয়ে ক্যালেন্ডার দেখিস নিজের জন্মদিন টাও মাথায় থাকেনা। যাইহোক কাল ঠিকঠাক প্রপোজ না করতে পারলে তুই সত্যিই ক্যানসেল বাড়ি যা প্র‍্যাক্টিস কর।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ প্রপোজ
→ প্রপোজ ♥♥
→ প্রপোজ
→ প্রপোজ
→ "প্রপোজ"
→ যেদিন তোমায় প্রথমপ্রপোজকরেছিলাম
→ গাধা আর একটি অভিনব প্রপোজ স্টাইল
→ প্রপোজ
→ জীবনে প্রথম প্রপোজ
→ একটি প্রপোজ
→ ভালবাসা দিবস আর প্রপোজ
→ আজব প্রপোজ মাইরী
→ আমি , গাধা আর একটি অভিনব প্রপোজ স্টাইল
→ প্রপোজ
→ প্রপোজ করি??

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now