বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
: আম্মু দেখ ফ্রেন্ড এর সাথে কি হেসে হেসে কথা বলছে আমারা কি এতই শুত্রু হয়ে গেলাম।
: থাক। কিছু বলিস না।এমনি মন খারাপ।
মেহের (মেহেরুন) ফোনে ফ্রেন্ড এর সাথে কথা বলছিল হেসে হেসে যা তার ছোট বোন কিছুতেই সহ্য করতে পারছে না।একমাত্র কারন আজ এক সপ্তাহ মেহের বাসায় কারো সাথে দরকার ছাড়া কথা বলে না,হাসে না। পেছিনে কারন ও আছে।আসল অপরাধী মা,প্রাথমিক সহযোগী ছিল ছোট বোন।তাই তাদের সাথে ভীষন রাগ।বাট ছোট বোনটা একদম তার সাথে কথা না বলে থাকতে পারে না,,,,
: আম্মু ভাল লাগছে না।
: শুয়ে থাক।
সুমু খুবিই অসহ্যকর অবস্থা মধ্যে আছে।না পারছে বোন কে কিছু বলতে,কারন এখন বলালা মানে ঝগড়া,না পারছে বোনের সাথে হাসিখুশি ভাবে কথা বলতে,অবশেষ এ সুমু তার বোনকে না বলা কথা গুল লিখতে বসে গেল কারন এখন আর বোনকে রাগাতে ইচ্ছে করছে না।আর মাত্র কিছু দিন তারপরতো পরের ঘরে ছলেই যাবে।
প্রিয়নী
জানি তুই ভাল আছিস আবার খারাপ।আর আমি একটু ও ভালো নেই কারন তোর অই ঘোমড়া মুখ।যা আমি একদম সহ্য করতে পারি না।জানি তুই আমার উপর ক্ষেপে আছিস।বিয়ের ব্যাপারে আমি আম্মুর হেল্প করেছি।বাট তাই বলে তুই আমাকে এই শাস্তি দিবি??বুকটা এমনিতেই শূন্য শূন্য লাগছে,অতীতের দিনগুলো আজ খুব মনে পড়ছে। দুইজনের ছোটা ছুটি,খেলায় মগ্ন যার কারনে আম্মু ডাকতে ডাকতে গলা পাঠিয়ে পেল্লেও শুনতাম না। দুইজন মিলে সোপার নিচে ঘর বানাতাম।আর সেই ঘরে খেলতে খেলতে ঘুমিয়ে পড়তাম আর আম্মু সারা বাড়ি খুজে শেষ।তুই জানিস তোকে হিংসে করতাম খুব যখন আম্মু আমার জন্য কিছু না এনে শুধু তোর জন্য আনতো। কান্নাই করে দিতাম।মনে পড়েতোর চুল বড় ছিল তাই আম্মু স্পেশাল একটা তেল এনেছিল।আমাকে দেখায় নি।তখন আমার চুল ছোট তাও আমি কান্না করেছি অনেক তুই দেখিসনি।আম্মু শুধু তোকে ভালবাসে আমাকে না এইটা ভেবে।বাড়িতে যখন থাকতাম একদিন তুই, আমি,পপি উঠনে হাটতেছিলাম পপির কাদে তুই যখন হাত রেখেছিস আমার ইচ্ছে করেছে এক ঝটকায় হাত সরিয়ে তোকে নিয়ে আসি,আমার সেই অনুভুতি তোর অজানা।কেমন ভালবাসা এটা কে জানে।সেইদিনের কথাই বলি।কম্পিউটার ক্লাসে তোদের ব্যাচে একদিন ক্লাস করতে গিয়ে দেখি একটা মেয়ে তোকে খুব আপ্পি আপ্পি বলতছে,খুব ভাব,,,অই মেয়েটাকে আমি এখনো নিতেই পারি না।কেন জানি বোন হিসেবে তোর ভাগটা কাউকে দিতে পারি না।এমন অনেক অনেক কথা মনে জমা আছে যা তুই জানিস না,জানিস না ধুরে থাকতে কতটা চোখের পানি জরিয়েছি আমি তোকে মননে করে।ভাবতেই আতংকে উঠি তুই আরো ধুরে চলে যাচ্ছিস। আমার ভালবাসাটা আলাদা।তোকে রাগানোর মাঝেই আমি মজা পাই।আবার তুই রেগে গিয়ে যখন তোর মুখে আমাবস্যা নেমে আসত সেটাও আমিই সহ্য করতে পারতাম না।তাই আবার সেখানে জ্যোৎস্নার আলো পিরিয়ে আনার যুদ্ধ। আজ অন্তরটা খুব শুন্য অনুভব হচ্ছে,,,,আর হয়ত তোকে রাগাতএ পারব না,তুই রেগে নিচের দিকে তাকালে তোর খোপা খুলে তোকে পেত্নী বানাতে পারব না,তোর দরকারি জিনিস্টা লুকিয়ে বলব না আমি জানি না,অনেক কষ্ট করে কিছু তৈরি করে কেমন হয়েছে সেটা জানার জন্য তুই আর আমার কাছে আসবি না,আমি সত্যটালুকিয়ে বলব না ছিঃ এটা এমন কেন।কারন আর মাত্র কয়টা দিন তারপর তুই নতুন একটা জায়গায়,নতুন মানুষদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যাবি।ক্ষনীকের জন্য আমাদের কাছে আসলেও তখন হয়ত ঝগড়া করা হবে না।আমার ভালবাসা যে এই ঝগড়াড় মাঝে।
তুই আমার এই চিঠি দেখবি না হয়ত।আমার উপর রাগ অভিমান নিয়েই নতুন জীবনে পা বাড়াবি। সত্যি কথা বললে তুই অখুশি থাকলেও আমি এই ভেবে শান্তি পাই একটা মুক্তির পথে তুই পা বাড়াচ্ছিস।যদিও এই পথটাই আমাদের আতংকের স্থান।বাট ঝুকি নিয়ে না আগালে কোন কিছুই সমাধানি মিলবে নারে,আর পরিস্থিতি অনুযায়ী এটাকে সমাধানও বলতে পারছি না মৃত্যুকেই একমাত্র সমাধান মনে হয়। এটা হতে পারে স্বস্তির একটা স্থান যদি আল্লাহ চায়।তবে এই নতুন স্থানেই আবার লুকুচরি জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে।যে লুকুচুরির মাঝেই আমরা জন্মেছি,,,,,
ইতি
তোর প্রিয়নী
বর্তমানে শত্রুনী।
শেষ এর লেখা গুলো কি লিখছে সুমুও বুঝতে পারছএ না।একদিকে ভয় আতংক অন্য দিকে মুক্তির পথ তার বোনের কি হয় সেটা আল্লাহ ই জানে।একমাত্র ভরসা আল্লাহ। সুমু আবার মায়ের কাছে গেল,,
:আম্মু খারাপ লাগছে অনেক।
:খেয়ে ওষুধ খেয়ে নে।আর ঘুমিয়ে পড়।
:তুমি চেনই শুধু ওষুধ ।
কথাটি বলে সুমু অন্য মনস্ক।অন্তরে তার একাটিই কথা মা এ খারাপ লাগা শরীলে নয় মনের একদম গভীরে।এটি খুব আপন কেউ দূরে চলে যাওয়ার ব্যাথাগো মা,,,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now