বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখিকা - Polok Hossain
অরনিতা খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতে পারে না।এই দুই দিন সকাল সাতটার এলার্ম দিয়ে রেখেছিলো ঘুম থেকে উঠার জন্য।কিন্তু আজকের জন্য আর এলার্ম দেওয়া হয় নি।যার জন্য সকালে উঠতে দেরী হয়ে গেছে।উদয় বললো-
-মা তোমার খোজ নিয়ে গিয়েছিলো একটু আগে।নাস্তা করতে ডেকেছে আমাদের।
অরনিতা কিছু না শোনার ভান করে বিছানা ছেড়ে উঠে পরলো।
ওয়ারড্রবে অনেকগুলো শাড়ি।শাড়িতে বোঝাই ড্রয়ার।সালোয়ার কামিজ মাত্র দুই তিনটা।বিয়ের প্রথম কয়েকদিন শাড়ি পরে থাকা নব বধূদের জন্য এক ধরনের ভদ্রতা।তাই অরনিতাকেও বাধ্য হয়ে শাড়ি নিতে হলো।নীল আর গোলাপি শাড়ির মধ্যে অরনিতা নীল শাড়িটা হাতে নিলো।উদয় এতোক্ষণ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখার ভান করে তাকিয়ে রয়েছিল অরনিতার দিকে।অরনিতার হাতে নীল শাড়ি দেখে উদয় ওকে শুনিয়ে শুনিয়ে বললো-
-আকাশের রঙ অসুন্দর।নীল!এইট
া কোনো রঙ হলো!নীলের বদলে আকাশটা অন্য রঙেরও থাকলে দারুন লাগতো।
অরনিতা একবার উদয়ের দিকে তাকালো আরেকবার তাকালো হাতের শাড়িটার দিকে।উদয়ের এই কথা বলার অর্থ সে বুঝতে পেরেছে।তাই ইচ্ছে করেই নীল শাড়িটাই নিলো।উদয়ের সব অপছন্দের জিনিসই সে করবে।যেইটা পছন্দ করবে না সেইটাই বেশী বেশী করবে ওর সামনে।এই তার জেদ।নীল শাড়িটা পরিবর্তন করতে না দেখে উদয় আবারও বললো-
-নীল তো ভালোবাসার রঙ।এর মানে কেউ একজন আমাকে ভালোবেসে ফেলেছে এইটা তারই সংকেত হিসেবে দেখানো হচ্ছে।
উদয় কিছুটা ইচ্ছে করেই বললো যেন অরনিতা নীল শাড়িটা রেখে গোলাপি শাড়িটা হাতে নেয়।ঠিক তাই হলো।অরনিতা এইবার নীল শাড়িটা রেখে গোলাপী শাড়িটা হাতে নিলো।উদয়ের বিপরীতে গিয়েই সে সব কাজ করবে।
.
অরনিতা গোলাপি শাড়িটা পরলো।শাড়ি পরাটা পুরোপুরিভাবে হয় নি।আচলটা হয়তো একটু বেশী লম্বা দিয়ে ফেলেছে।কুচি দেওয়ার জায়গাতে কাপড় কুঁচকে আছে।কে জানে এই শাড়ি পরার কায়দা কি!অরনিতার কাছে খুব বিরক্ত লাগছে।তবুও কোনোরকম পেঁচিয়ে শাড়ি পরে নিলো।
.
উদয়ের বড় ভাই সায়েম এর মেয়েটির নাম পরী।পরীর বয়স পাঁচ বছর।পরী উদয়ের রুমে এসে বললো-
-চাচ্চু,দাদু তোমাকে আর চাচীকে ডাকছে।
উদয় পরীকে কোলে তুলে বললো-
-দাদুকে গিয়ে বলো আমরা এক্ষুণি আসছি।
বাচ্চাদেরকে দেখলেই অরনিতার ইচ্ছে হয় গাল ছুঁয়ে আদর করে দিতে।অরনিতা পরীর সামনে এগিয়ে গিয়ে পরীকে বললো-
-হাই কিউটি,তোমার নাম কি?
-আমার নাম পরী।
-বাহ..সুন্দর নাম।তুমি কিন্তু দেখতেও পরীর মতোই।
উদয় পরীর দিকে তাকিয়ে বললো-
-জানো পরী,আমাদের বাসায় হিটলারও আছে।
অরনিতা রাগান্বিত চোখে উদয়ের দিকে তাকিয়ে বললো-
-কি বোঝাতে চাচ্ছেন?
-তুমি রাগ হচ্ছ কেন?হিটলার বলতে আমি নিজেকে নিজেও বোঝাতে পারি।
-আমি জানি আপনি হিটলার বলতে কাকে বোঝাচ্ছেন!আপনি সত্যি-ই একটা সাইকো!
উদয় হেসে হেসে বললো-
-সাইকো ছেলের কপালে সুন্দরি মেয়ে জুটে গেছে।এইটা তো আমার ভাগ্য।
-আসলেই আমার কপালে সমস্যা আছে।যার জন্য আপনার মতো একজন আমার কপালে জুটেছে।
-আমার কপালে আরও বড় ধরনের সমস্যা আছে।যার কারনে হিটলার বউ পেয়েছি।
পরী দুজনের দিকে পিট পিট করে তাকিয়ে আছে।একবার তাকাচ্ছে উদয়ের দিকে আরেকবার তাকাচ্ছে অরনিতার দিকে।
অরনিতা বললো-
-দেখুন,আপনার সাথে আমার ঝগড়া করতে ইচ্ছে করছে না।বাড়ির মানুষ টের পেলে কি ভাববে!
-এইটা তো প্রথমে তোমার বোঝা উচিৎ।কারন ঝগড়ার সূচনা হয় তোমাকে দিয়ে এবং উপসংহার হয় আমাকে দিয়ে।
অরনিতা মাথায় লম্বা ঘোমটা টেনে রুম থেকে বেরিয়ে গেলো।আর কিছুক্ষণ থাকলে হয়তো ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু শুরু হয়ে যাবে।
.
.
রুনা কম কথার মানুষ।বাড়ির সবার সাথে তিনি কম কথা বললেও কাজের মেয়েটার সাথে তিনি বেশী কথা বলেন।এইটা তিনি নিজেও জানেন।রুনা সকাল থেকে রান্নাঘরে।সাথে কাজের মেয়ে হালিমাও কাজ করছে।বাসায় গেস্ট আসবে নতুন বউকে দেখতে।রুনা হালিমাকে কাজের নির্দেশ দিয়ে বললো-
-জলদি করে পেয়াজগুলো কাট।আজ কি তোর হাত চলছে না!
হালিমা দ্রুত বটিতে হাত চালালো।
রুনা চুলায় রান্না বসিয়েছেন।তিনি লক্ষ্য করলেন অরনিতা ঘোমটা মাথায় দাঁড়িয়ে আছে।তিনি বললেন-
-উদয় কোথায়?
-রুমে।
-নাস্তা করতে বসো তোমরা।আজ মেহমান আসবে।তোমাকে দেখতেই আসবে।তুমি তৈরি থেকো।
নতুন বউ হওয়ায় এমনিতেই সারাক্ষণ রোবটের ভূমিকা পালন করতে হয় আবার গেস্ট আসলে তো রোবটিক্সভাবে কথাবার্তাও বলতে হবে।এতো খুব কঠিন কাজ।অরনিতা হ্যা সূচক মাথা নাড়ালো।এই কঠিন কাজটাও এখন তাকেই করতে হবে।
.
.
অরনিতার ফোন বাজছে।অরনিতা রুমে নেই।এইমাত্রই বেরিয়েছে।উদয় বুঝতে পারছে না ফোনটা সে তুলবে কি তুলবে না।তোলার পর হিটলার মহারাণীর তেজ নিশ্চয়ই বেড়ে যাবে।ফোনটা বেজে বন্ধ হলো কিন্তু দুই সেকেন্ড পর আবারও বাজতে শুরু করলো।ফোনের এই একটা সমস্যা।ইউজার পাশে থাকলে সে বাজে না,পাশে না থাকলেই বাজতে শুরু করে।উদয় ফোন স্ক্রিনে তাকিয়ে দেখলো 'নিহিলা' নামে কেউ একজন অরনিতাকে ফোন দিচ্ছে।উদয় ফোন রিসিভ করলো।
-হ্যালো।
অপরপ্রান্ত থেকে মেয়েলি কন্ঠের জবাব এলো-
-হ্যালো,অরু আছে?অরুকে ফোনটা দিন প্লিজ।
-অরু কে?
-অরনিতা
-হ্যা অরনিতা আছে।আমি অরনিতার হাজবেন্ড।অরনিতাকে দিচ্ছি,একটু অপেক্ষা করুন।
মেয়েলি কন্ঠের ব্যাক্তি উল্লাসিত কন্ঠে বললো-
-কি বললেন!আপনি ওর হাজবেন্ড?কেমন আছেন দুলাভাই?
উদয় কিছু না বুঝে বললো-
-ভালো।কিন্তু আপনি কে?
-আমি নিহিলা।অরুর ফ্রেন্ড।
-ওহ.আচ্ছা।কেমন আছেন?
-আমি ভালো আছি।আগে বলুন অরুকে কেমন লাগে আপনার?
মেয়েটা যেহেতু অরনিতার বান্ধুবী,ওর সাথে ঠাট্টা করাটা অপরাধের তালিকায় পরবে না।উদয় বললো-
-অরনিতাকে একটুও ভালো লাগে না।
-কি বললেন?ভালো লাগে না!
-না।অরনিতা হচ্ছে আমার লাইফের সাতানব্বইতম মেয়ে।বুঝতেই পারছেন এর আগে আমার লাইফে কতোটা মেয়ে এসেছিলো।
নিহিলা টানা স্বরে বললো-
-দুলা..ভাই..অরু কি এসব জানে!
উদয় হাহা করে হেসে বললো-
-হয়তো না।আর জানলেই বা কি হবে বিয়ে তো হয়েই গেছে আমাদের।
-আপনি দেখি রোমিও।আপনার নাম দিলাম রোমিও দুলাভাই।
-নামটা পছন্দ হয়েছে।
-দুলাভাই,অরুকে বলবেন নিহিলা ফোন করেছিলো।আমি এখন রাখি দুলাভাই।
ফোন রাখা মাত্রই উদয়ের মনে হলো রুমের দিকে কেউ একজন এগিয়ে আসছে।হয়তো অরনিতা।উদয় অরনিতার ফোনটা আগের জায়গায় রেখে দিলো যেন অরনিতা কিছু টের না পায় যে ওর জন্য আসা কল উদয় ধরেছিলো।
অরনিতা হাতে চা নিয়ে এসেছে।উদয়কে চায়ের কাপ এগিয়ে দিয়ে অন্যদিকে তাকিয়ে বললো-
-এই নিন,চা।
-Thanks অরু।
অরনিতা চমকে গিয়ে বললো-
-কাকে বললেন অরু?
-এইখানে তুমি ছাড়া আর কে আছে?
-আমাকে অরু বলে ডাকবেন না প্লিজ।অরু নাম আমার ফ্রেন্ডরাই শুধু আমাকে ডাকে।
-ধরো,আমিও তোমার ফ্রেন্ড।
-আমি আপনাকে ফ্রেন্ড ভাবি না।
-স্বামীও তো ভাবো না।তাহলে ভাবোটা কি?
-দেবদাস ভাবি।অন্য আরেকজনের ছ্যাকা খাওয়া প্রেমিক ভাবি আপনাকে।
-আমিও তোমাকে আমার বউ না।এডলফ হিটলারের বউ ভাবি।ভুলক্রমে এই যুগে জন্মে গেছো।তোমার জন্ম হিটলারের যুগে হওয়া উচিত ছিলো।
-দেখুন,আপনি আমার মেজাজ খারাপ করছেন।আর শুনুন,আজ নাকি গেস্ট আসবে।আশা করি আমরা তাদের সামনে স্বামী-স্ত্রীর একটা সুন্দর ভূমিকা পালন করবো।
উদয় কিছু বললো না।বলতে গেলেই তর্ক আরও দীর্ঘ হয়ে যাবে।এরপর হবে তর্ক যুদ্ধ।যুদ্ধ যতো এড়িয়ে চলা যায় ততোই মঙ্গল।
.
.
রুনা রান্নাবান্না সেড়ে ফেলেছেন।তার মাথা ধরেছে।এক কাপ চা না খাওয়া পর্যন্ত শান্তি নেই।রুনা হালিমাকে ডাকলেন-
-হালিমা,এক কাপ চা বানিয়ে নিয়ে আয়।
হালিমা আসার আগেই অরনিতা এসে বললো-
-বসুন,আন্টি।আমি চা বানিয়ে দিচ্ছি।
এই বলে অরনিতা রান্নাঘরের দিকে চলে গেলো।'আন্টি' বলে ডাকাতে রুনা অবাক হলেন।একটু না।অনেক বেশী।এই কয়দিনে মেয়েটি অবশ্য কোনো সম্বোধন করে ডাকে নি তাকে।শুধু প্রশ্নের জবাব এক কথায় দিয়েছে।আজ-ই প্রথম 'আন্টি' বলে ডাকলো।শাশুড়িকে কেউ আন্টি বলে ডাকে!কি আজব কান্ড।মেয়েটাকে এই ব্যাপারগুলো বুঝিয়ে দিতে হবে।
হালিমা হুট করে এসে বললো-
-আম্মা,ডাকসিলেন?
হালিমার কথা শুনে মেজাজ আরও বিঘরে যাচ্ছে তার।এমনিতেই মাথা ধরে আছে।যখন ডাকা হয়েছে তখন আসে নি এখন এসে খবর নিচ্ছে।রুনা চেচিয়ে বললেন-
-গর্দভ মেয়ে।দিলি আরও মাথাটা ধরিয়ে।দৌড়ে রান্না ঘরে যা।বউটা চা বানাচ্ছে।সব ঠিকঠাক মতো হচ্ছে কি না দেখে আয়।সাহায্য করিস ওকে।
হালিমা চলে গেলো।
.
.
অরনিতা চা বানাচ্ছে।সবকিছু ঠিকঠাক মতোই হয়েছে।শুধু চিনিটা পরেছে বেশী।চায়ে মিষ্টি বেশী হলে সেই চা আর খেতে ইচ্ছে হয় না।চা কে শরবত মনে হয়।অরনিতাও চাকে শরবত বানিয়ে ফেলেছে।চা বানানো শেষে এক চামচ মুখে দিয়ে সে নিজেও টের পেলো বিষয়টা।হালিমা এসে দাঁড়িয়ে আছে।হালিমা চুপচাপ অরনিতার চা বানানো দেখছে।কেউ পাশে থাকলে অরনিতার চুপচাপ থাকতে ইচ্ছে হয় না।হালিমাকে সে জিজ্ঞেস করলো-
-নাম কি তোমার?
-হালিমা নাহার।
-কবে থেকে এই বাসায় কাজ করছো?
-আমি ছোট থেইকাই আছি এই বাসায়।মা-বাপ কারা,কই থাকে,কি করে কিছুই কইতে পারি না।
-বি এফ আছে?
-এইডার মানে?
-মানে হচ্ছে প্রেমিক আছে?
হালিমা লজ্জিত স্বরে বললো-
-জ্বী না।
-খুব ভালো।আমাদের বাসায় একটা মেয়ে কাজ করতো।অনেক প্রেম করতো।আশেপাশের অখাটে বখাটে ছিল ওর প্রমিক।
হালিমা খিলখিল করে হেসে দিলো।
অরনিতা বললো-
-জানো,আমি যখন কলেজে ছিলাম তখন ছেলেরা আমাকে ভয় পেতো।আমি গুন্ডি টাইপ ছিলাম তো তাই।
হালিমা আবারও হেসে ফেললো।অরনিতা বললো-
-দেখো তো হালিমা,চা টা কেমন হয়েছে?
হালিমা এক চামচ মুখে দিয়ে মুখ বাকিয়ে ফেললো।অরনিতা ওর মুখের ভঙ্গি দেখে বললো-
-চা ভালো হয় নি?তাই না!
-হইসে..কিন্তু চিনি একটি বেশী পইরা গেসে।
-সেটা জানি কিন্তু কি করবো বুঝতে পারছি না।
-চা একটু পানি দিয়া বাড়াইয়া আবার জ্বাল দেন।
-গুড আইডিয়া।থ্যাংক্স হালিমা।
হালিমা হাসলো।অরনিতা বললো-
-আমি চা দিতে যাই।আমাকে রেডি হতে হবে।গেস্ট যেকোনো সময় এসে পরতে পারে।
এই বলে অরনিতা রুনাকে চা দিতে গেলো।চা দিতে গিয়ে দেখলো পরী রুনার রুমে বসে আছে।একা একা কাগজ কলম নিয়ে কি যেন করছে।উদয়ের বড় ভাই ভাবী দুজনেই চাকরি করেন।তাই পাঁচ বছরের ছোট মেয়েটা সারাদিন ঘরের কোনে পরে থাকে।রুনা একাই তাকে সামলান।পরীকে দেখে অরনিতা সামনে এগিয়ে গিয়ে বললো-
-তোমার দাদু কোথায়?
-ছাদে গিয়েছে।
-দাদুকে বলে দিও চা টেবিলে রেখেছি।ক্যামন!
পরী মাথা নাড়ালো।সে বলে দিবে।
.
.
উদয় বাদামী রঙের একটি শার্ট পরেছে।শার্টের রঙ দেখে অরনিতার হাসি পাচ্ছে।মিস্টার ক্রাশের চয়েজ কি ফালতু!আর সে নাকি ভার্সিটির জাতীয় ক্রাশ ছিল।অরনিতা খিলখিল করে হেসে ফেললো।উদয়কে দেখিয়ে দেখিয়ে অনেকটা ইচ্ছে করেই হাসলো সে।উদয় অবাক হয়ে তাকিয়ে বললো-
-কি হলো!হাসার কি হলো এখানে?
অরনিতা হাসি থামিয়ে বললো-
-আপনার চয়েজ এতো ক্ষ্যাত আগে জানতাম না।আবার আপনি ভার্সিটির জাতীয় ক্রাশ ছিলেন!হাস্যকর।
-ঠিকই বলেছো।আমার চয়েজ ক্ষ্যাত দেখেই তোমাকে বিয়ে করেছি।
-কি বললেন আপনি?আমি ক্ষ্যাত?
-না।তোমাকে তো বলি নি।আমার চয়েজ যে কতো ক্ষ্যত সেইটাই বোঝালাম।
অরনিতা উদয়ের সামনে থেকে উঠে গিয়ে বললো-
-আপনার সাথে কথা বলে মুখ ব্যাথা করার ইচ্ছে আমার নেই।আজকেই আমাদের কথা বলার শেষ দিন।এরপর থেকে আমারা একই রুমে থেকে দুজন বোবা হয়ে থাকবো।কেউ কারো সাথে কথা বলবো না।তাহলে আমাদের মাঝে আর ঝগড়াও হবে না।
-ঠিকাছে।যদি তুমি বোবা হয়ে থাকতে পারো তাহলে আমিও রাজি আছি।
To be Continued...
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now