বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পৃথিবীর অদ্ভুত ৬ টি মৃত্যু

"অদ্ভুতুড়ে" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সেজান জাকারীয়া (০ পয়েন্ট)

X **কঠোর নিয়মের গ্যাড়াকলে জীবনের ভরাডুবি রাজকীয় জীবন সব দিক থেকে সমৃদ্ধ হওয়ার কথা। সেভাবে চলছিল থাইল্যান্ডের রাজা মোংকুট এবং রানি পিয়ামের কন্যা সুনন্দা কুমারীরত্নর জীবন। ১৮৬০ সালে আক্ষরিক অর্থেই সোনার চামচ মুখে জন্মান তিনি। বয়স বাড়তে থাকে, রূপে-গুণে সবার মন জয় করতে থাকেন রাজকন্যা। আনন্দে কাটতে থাকে জীবন, পার করে ফেলেন উনিশটি বছর। বিশে যখন পা, ১৮৮০ সালে সপরিবারে আনন্দ উদযাপনের জন্য গ্রীষ্মকালীন প্রাসাদে যাচ্ছিলেন রাজকন্যা সুনন্দা। নদীর বুকে ভেসে চলেছিল বজরা। সঙ্গে তার মা। হঠাৎই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। নৌকাডুবি হয়। সবার চোখের সামনে জলে তলিয়ে যান মেয়ে সুনন্দাকে নিয়ে রানি পিয়াম। কারণ, দেহরক্ষীদের তাদের স্পর্শ করার অনুমতি ছিল না। এই রাজকীয় নিয়ম পালন করতে গিয়ে তারা রানি আর রাজকন্যাকে উদ্ধার করতে পারেননি! **দাড়ি যখন মৃত্যুর কারণ ১৫৬৭ সালের কথা। তখন গিনেস বুক অব রেকর্ড-এর কোনো অস্তিত্ব ছিল না। থাকলে পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে লম্বা দাড়ি রাখার জন্য হ্যান্স সেইনিনগারের নাম ওঠা কেউ ঠেকাতে পারত না। তার দাড়ি ছিল দেড় মিটার লম্বা। ওই দাড়ির জন্যই তার খ্যাতি এবং মৃত্যুও! ইতিহাস বলছে, একবার আগুনের হাত থেকে পালাতে গিয়ে দাড়িতে পা জড়িয়ে পড়ে যান হ্যান্স। বেকায়দায় পড়ার ফলে ঘাড় ভেঙে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার! **জীবিত ও মৃত ২০১১ সাল পর্যন্ত স্বামী ফ্যাগিলির সঙ্গে রাশিয়ার কাজানে ফ্যাগিলু মুখামেতজিয়ানভের দাম্পত্য জীবন ভালোই চলছিল। সমস্যা দেখা দিল এক রাতে, যখন বুকে ব্যথা শুরু হলো ফ্যাগিলুর। ৫১ বছরের স্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে যান স্বামী। ভর্তি করা হয় ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে। ১২ মিনিটের মাথায় ডাক্তাররা জানান, ফ্যাগিলু আর বেঁচে নেই। শুরু হয় শেষকৃত্যের আয়োজন। কফিনে দেহ নিয়ে পরিজনরা পৌঁছান কবরস্থানে। মাটি খোঁড়া হয়। শুরু হয় অন্তিম প্রার্থনা। এই সময়ে সবাইকে অবাক করে কফিনের মধ্যে নড়ে-চড়ে ওঠেন ফ্যাগিলু। তাকান চোখ মেলে। শুনতে পান, ধর্মযাজক তার আত্মাকে এই পৃথিবী ছেড়ে ঈশ্বরের সান্নিধ্যে যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছেন। পুরো ব্যাপারটায় এতটাই অবাক হন মহিলা যে এবার সত্যিই হার্ট অ্যাটাক হয়ে তার মৃত্যু হয়! **অভিনয় করতে গিয়ে মৃত্যু সময়টা ১৯৫৮। স্টুডিওতে শট নেওয়ার তোড়জোর চলছে। ব্যস্ত প্রোডাকশন হাউজের সবাই। ব্রিটিশ ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা গ্যারেথ জোন্স-ও তৈরি হচ্ছেন শট দেওয়ার জন্য। চিত্রনাট্য অনুযায়ী গ্যারেথকে একটা হার্ট অ্যাটাকের দৃশ্যে অভিনয় করতে হবে। অনেকে বলেন, ক্যামেরা চলার সময়েই না কি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় অভিনেতার! আবার, অনেকের দাবি, ক্যামেরা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে গ্যারেথ হৃদরোগে আক্রান্ত হোন। বিতর্ক যা-ই হোক, জীবনের মঞ্চে সত্যি মৃত্যুটাই দেখিয়ে গিয়েছিলেন গ্যারেথ জোন্স! **সেরা দৌড়ে মরণ হানা নিউইয়র্কের ৩৫ বছরের ফ্রাঙ্ক হায়েস জীবনের একটা ঘোড়দৌড়েও জিততে পারেননি। অবশ্য, প্রশিক্ষিত জকি তিনি ছিলেনও না। তিনি দেখাশোনা করতেন সুইট কিস নামে এক ঘোড়ার। মাঝে মাঝে জকির কাজও করতেন। ১৯২৩ সালের ঘটনা কিন্তু বদলে দেয় সব হিসেব। সেবার ঘৌড়দৌড়ের মাঝপথেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় ফ্রাঙ্কের! আশ্চর্যের ব্যাপার, তার দেহ কিন্তু আটকে ছিল লাগাম ধরেই! ঘোড়ার পিঠে! এবং সে বার সুইট কিস-ও দৌড়ে জিতে যায়! **বিয়ারের বন্যায় মৃত্যু ১৮১৪ সালে লন্ডন কিন্তু দেখেছিল এক ভয়াবহ ঘটনা। বিয়ারের বন্যায় ডুবে মৃত্যু হয় ৮ জনের! সে বার লন্ডনের এক বিয়ার কারখানায় এক বড়সড় বিস্ফোরণ হয়। ফেটে যায় বিয়ারের পিপে। পরিণতিতে ১৪ লাখ ৭০ হাজার লিটার বিয়ারের স্রোতে ভেসে যায় কারখানা থেকে পার্শ্ববর্তী এলাকা। সেই বিয়ারের স্রোত পথ বেয়ে নেমে আসে এলাকার বিভিন্ন বাড়ির বেসমেন্টে। ডুবে মৃত্যু হয় এক পরিবারের


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পৃথিবীর অদ্ভুত ৬ টি মৃত্যু

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now