বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পরীর গল্প---part---7

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Sumon Al Hasan (০ পয়েন্ট)

X Writing by #md sumon al hasan.এখন শুভ অাত্মা কোথায় পাবে? -জানি না। তবে এই গ্রামে অনেক অাত্মা অাছে। অাচ্ছা তখন তোমাকে কুকুর গুলো দৌড়ালো কেনো? -অামরা মনুষ্য রুপ ধারন করার পর শুধু মাএ মানুষের উপর অামাদের মায়া শক্তি প্রয়োগ করতে পারি কিন্তু পশু-পাখির উপর অামাদের মায়া শক্তি কাজ করে না। ওরা অামাদেরকে পরী রুপেই দেখতে পায়। তাই কুকুর গুলো অামাকে তাড়া করেছিলো। হুম বুঝলাম, কিন্তু তুমি কিভাবে বুঝতে পারছো যে অামি পাপ মুক্ত মানব সন্তান। -কুকুর গুলো তাড়া করার সময় অামি ভয়ে যখন তোমার কাছে অাসি তখন অামার হাতের সাথে তোমার হাত এর স্পর্শ লাগে অার অামি তোমার সব অতীত দেখতে পাই। তেমার অতীতে কোন পাপ ছিলো না তুমি পাপ মুক্ত মানব সন্তান দের মধ্যে একজন। অামি ওর কথা শুনে অবাক হয়ে গেলাম। অবশ্য নিজের কাছে ভালো লাগছে, অামি একজন পাপ মুক্ত মানুষ। অামি ঈলিনার দিকে তাকিয়ে অাছি, চাঁদের অালোতে ওকে অপূর্ব সুন্দর লাগছে, মনে হচ্ছে জনম জনমের চেনা যতই দেখছি ততই ওকে অামার ভালো লাগছে, অামার মধ্যে অলরেডি প্রেমের কামডাউন শুরু হয়ে গেছে জানি না এর শেষ কোথায়। ওকে দেখে অনেক চিন্তিত মনে হচ্ছে। অামি ওর হাত দুটো ধরে বল্লাম চিন্তা করোনা সব ঠিক হয়ে যাবে, অামি অাছি তো। ও একটা মুচকি হাঁসি দিলো। অামার ভালোলাগার সর্বচ্চো অনূভূতি ঈলিনার হাঁসি। হঠাৎ ঈলিনা বল্লো তৃশা অাসতেছে। অামাকে অদৃশ্য হতে হবে। বলেই অদৃশ্য হয়ে গেলো। এমন সময় দেখি তৃশা ও হাজির। এই যে মিস্টার এতোরাতে ছাদে কি করেন? -চাঁদের সাথে কথা বলছিলাম। অাজকের চাঁদটা অনেক সুন্দর তাই না। -জ্বি। অামি ওকে এই মুহুর্তে এইখানে এক্সপেক্ট করছিলাম না, ইনফেক্ট চরম বিরক্ত লাগছে। অনেক রাত হয়েছে ঘুমোবেন না? -হে একটু পরে। অাচ্ছা তাহলে অাপনি চাঁদ দেখেন অামি ঘুমোতে যাই। গুড নাইট। -হুম গুড নাইট। তৃশা চলে যাবার পর ঈলিনা অাবার দৃশ্যমান হলো। এতোক্ষণ অামাদের কথোপকোথন সুনেছে। -একটা কথা বলি রাগ করবে না তো? অামি বল্লাম হে বলো। -তৃশা তোমাকে পছন্দ করে। ও যে তোমাকে ভালোবাসে এই কথাটা বলার জন্য ছাদে উঠেছিলো। কি বলো এইসব? -অামি সত্যি বলছি। কিন্তু অামিতো ওকে ভালোবাসি না। -অামি জানি তুমি ওকে ভালোবাসো না। অার এটাও জানি তুমি কাকে ভালোবাসো। অাচ্ছা ঈলিনা একটা ব্যাপার অামার মাথায় ঢুকছে না ও যে তৃশা এইটা তুমি জানলে কি ভাবে? -ঐ যে তোমার সাথে অামার স্পর্শ। অামি তোমার সব অতীত দেখে ফেলেছি তুমি যাদের কে চিনো তাদের কে অামি ও চিনি। ও অাচ্ছা এখন বুঝলাম। -ফায়াজ তুমি রুম এ যাও ঘুমিয়ে পরো। অনেক রাত হয়েছে। তুমি ঘুমাবে না? -অামার না ঘুমালেও কোন সমস্যা হবে না। অামি গ্রাম টা তে খুজে দেখি কেন শুভ আত্মার সন্ধান পাই কি না। যাও ঘুমিয়ে পড়ো শুভ রাএি বলে ঈলিনা অদৃশ্য হয়ে গেলো।অামিও ছাদ থেকে নেমে অাসলাম। রুম এ এসে দেখি অাবির ঘুমাচ্ছে। অামিও অাবিরের পাশে শুয়ে পরলাম। ফোনটা হাতে নিয়ে দেখি রাত ২.৩০ কিভাবে সময় গুলো কেটেছে টেরই পাই নি। ঘুম অাসছিলো না শুয়ে শুয়ে ঈলিনার কথা ভাবতে থাকলাম। ভাবতে ভাবতে একটা পর্যায় ঘুম চলে অাসলো। মাঝ রাতে একটা স্বপ্ন দেখলাম অামি অনেক সুন্দর একটা জায়গায় হাটছিলাম। ছোট ছোট ঝর্ণা বেয়ে পরিস্কার নীল রং এর পানি প্রবাহিত হচ্ছে। চারপাশে বাহারী রং এর ফুল। অনেক প্রজাপতি উড়ছে। সাদা রং এর পায়রা গুলো বাববাকুম করছে, মেঘের ভেলা দিয়ে বানানো এটা সিঁডি। সিঁডি দিয়ে নেমে অাসছে একটা মেয়ে, মেয়েটার ঠোটের কোণে এক চিলতে হাঁসি বেঁচে থাকার জন্য এমন একটা হাঁসি যথেস্ট। অামিও মেয়েটার দিকে এগিয়ে যেতে থাকলাম। সিঁডি বেয়ে নিচে নেমে এসে অামাকে অর্ভথনা জানালো অামার হাত ধরে নিয়ে গেলো সিঁডির একটা ধাপে। দুজনেই বসলাম সিঁডিতে মেয়েটা অামাকে তার কোলে মাথা রাখতে বল্লো, অামি তার কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়লাম। মেয়েটা অামার চুল গুলো টেনে দিচ্ছে।অন্যরকম এক সুখ অনুভব হচ্ছে হৃদয়ে, পরম সুখের মোহনায় অামি চোখ বন্ধ করলাম গভীর নিদ্রায় অাচ্ছন্ন হলো অামার শরীর। . চলবে..........


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পরীর গল্প---part---7

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now