বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পরীর গল্প---part---6

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Sumon Al Hasan (০ পয়েন্ট)

X Writing by #md sumon al hasan.মেয়েটা অামার কাছে এসে বল্লো অামাকে বাঁচাও। অামি রাস্তা থেকে একটা পাথর নিয়ে কুকুর গুলোর দিকে ছুড়ে মারলাম, কুকুর গুলো ভয়ে পালিয়ে গেলো। মেয়েটা অামার পাশে দাড়িয়ে ছিলো চাঁদের অালোতে মেয়েটাকে দেখতে অপূর্ব লাগছিলো। কোমরঅব্দি খোলা চুল বাশের কঞ্চির মতো নাক, টানা টানা চোখ, মনি গুলো হাল্কা নীল, কমলার কোয়ার মত ঠোট বিধাতা তাকে নিপুণ হাতে গড়েছেন। এমন নিখুঁত মেয়ে এর অাগে অামি কখনোই দেখিনি, এক পলকেই প্রেমে পড়ে গেলাম মেয়েটার। অাপনি এতো রাতে এখানে কেনো? =অামাকে তুমি করে বলো। অামি এখানে একটা কাজে এসেছি, পথের মধ্যে কুকুর গুলো অামাকে তারা করেছে। ধন্যবাদ অামার জীবন বাঁচানোর জন্য। তোমার নাম কি? এই ছেলে তোমার নাম কি? =হা করে মেয়েটার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে অাছি। কতো সুন্দর করে অাস্তে আস্তে কথা বলে মেয়েটা। এই ছেলে তোমার নাম কি? =হে? তোমার নাম কি? =অামি ফায়াজ। অামি ঈলিনা। =তোমার বাসা কোথায়? অনেক দূরে। এখন অামি যাই। =একা একা যেতে পারবে? হে পারবো। =অাচ্ছা সাবধানে যেও। মুখে যেতে বল্লেও মন থেকে কিন্তু মেয়েটাকে যেতে দিতে একদম ইচ্ছে করছে না। যাওয়ার সময় মেয়েটা একটা মুচকি হাঁসি দিয়ে সামনের দিকে হাটতে শুরু করলো। অামি দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখছিলাম তার চলে যাওয়া। হঠাৎ কেউ একজন পিছন থেকে অামার কাঁধে হাত রাখলো অামি পিছন ফিরে দেখি অাবির। -কিরে তুই এইখানে কি করিস? অামি পিছনে তাকিয়ে অাবির কে মেয়েটার কথা বলতে যাবো দেখি পিছনে কেউ ই নাই। -কি রে চুপ করে অাছিস কেন। কিছুনা। চল বাসায় চলে যাই। বাসার দিকে অাসতে অাসতে অামি কয়েক বার পিছনে তাকালাম কিন্তু মেয়েটাকে দেখলাম না। অাবির তোর কাছে সিগারেট অাছে। -হে অাছে। একটা সিগারেট জ্বালা। অামি অাবিরের মতো চেইন স্মোকার নাহ মাঝে মাঝে খাই। মেয়েটার জন্য খুব চিন্তা হচ্ছে। বাসায় অাসার পর ফ্রেশ হলাম বিয়ে বাড়ি তাই অনেকেই জেগে অাছে। ফ্রেশ হয়ে এসে দেখি তৃশা রুম এ অাবিরের সাথে কথা বলছে। অামাকে দেখে তৃশা বল্লো কি মিস্টার কোথায় গিয়েছিলেন? এইতো কাছেই ছিলাম। অামার চোখের সামনে শুধু মেয়েটার চেহারা ভাষছে। মনে হচ্ছে যুগ যুগ অাগের চেনা মুখ। অাবির তোরা কথা বল অামি অাসছি। -কই যাস? ছাদে যাবো। -অাচ্ছা যা। কিরে অাবির ওর কি হইছে তৃশা জিজ্ঞেস করলো? -জানি না রে। চিন্তিত মনে হলো, অামার কাছ থেকে সিগারেট নিয়ে খেলো। ফায়াজ স্মোক করে? -চেইন স্মোকার না, মাঝে মাঝে খায়। ছাদের এক কোনায় দাড়িয়ে অনেকক্ষণ যাবৎ ঈলিনার কথা ভাবছি, হঠাৎ অামার চারপাশ জুরে মিষ্টি একটা গন্ধ অাসতে লাগলো। গন্ধটা অামার খুব পরিচিত মনে হলো। কোথায় পেয়েছিলাম এই গন্ধটা ভাবতে লাগলাম। মনে পরেছে ঈলিনার সাথে দেখা হবার পর এই গন্ধটা পেয়েছি। অাকাশের দিকে তাকিয়ে চাঁদটা দেখছিলাম। হঠাৎ পাশ থেকে একটা মেয়ের কণ্ঠ শুনে চমকে উঠলাম। -অামার কথা ভাবছিলে? এই তুমি এখানে অাসছো কি ভাবে? ও একটা মুচকি হাঁসি দিয়ে বল্লো অামার যখন যেখানে ইচ্ছে অামি অনায়াসে যেতে পারি। অামি তোমার মতো মানব সন্তান না। অামি পরিস্থানের রাজকন্যা। অামার ছোট বোনের ঘুম ভাঙ্গানোর জন্য পৃথিবীতে এসেছি। =মানে? এর পর ঈলিনা ফায়াজকে সব খুলে বল্লো। ফায়াজের এখনো কিছুই বিশ্বাস হচ্ছে না। সব কিছু কেমন যেনো কাল্পনিক কাল্পনিক মনে হচ্ছে। অাচ্ছা তুমি যদি পরী হও তাহলে তোমার ডানা কোথায়। -অাছে তো। পৃথিবীতে অাসার পর অামি অামার মায়া শক্তি দিয়ে মনুষ্য রুপ ধারন করেছি। নিমিষে ঈলিনা মনুষ্য রুপ থেকে পরীর রুপ ধারন করলো। ওর পিঠে পালক যুক্ত দুটি সুন্দর পাখনা, মাথায় একটা মুকুট। হিরার মতো চিক চিক করছে ওর রুপ। অামি মুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে থাকলাম ওর দিকে। -তুমি অামাকে একটা সাহায্য করবে? বলো কি সাহায্য? -তুমি অামাকে ফুল টা এনে দিবে? মনে মনে বলতে লাগলাম ফুল কেনো তোমার জন্য জান'টা দিয়ে দিবো। =হে করবো। কিন্তু ফুলটা কোথায় অাছে? -ফুলটা এই গ্রামের একটা পুরনো ভাঙ্গা বাড়ির ভিতরে অাছে। অামি ঔ বাড়ির ভিতরে যেতে পারবো না। কারন বাড়িটা অভিশপ্ত।এক তান্ত্রিক তার যাদুশক্তি দিয়ে বাড়িটাকে বন্ধ করে দিয়েছে বাড়ির ভিতরে যে অশুভ অাত্মা অাছে ওরা কখনো বাহিরে অাসতে পারবে না বাহির থেকে ও কোন অাত্মা ভেতরে ঢুকতে পারবে না। তিন দিন পর ফুলটা ফুটবে। কিন্তু তুমি মনুষ্য পুএ তোমার শক্তি থেকে ঔ অাত্মা গুলো শক্তি অনেক গুন বেশি। ওরা তোমাকে ফুলটা অানতে দিবে না। বাড়িটার কাছে যাওয়ার পর অামার মায়া শক্তিও কাজ করে না। =এখন ফুলটা অানার উপায়? যদি কোন শুভ অাত্মাকে তোমার শরীরে প্রবেশ করানো যায় তা হলে সম্ভব। . চলবে...........


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২১৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পরীর গল্প---part---6

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now