বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
Writing by #md Sumon Al Hasan
Part-1
.
ফায়াজ কলেজের সবচেয়ে
ব্রিলিয়ান্ট ছাএ, দেখতেও
হিরোদের মত। কলেজের সব
বন্ধুরা ফায়াজকে অনেক
পছন্দ করতো। ভদ্রতার দিক
দিয়ে ফায়াজ কলেজের
সবার উর্ধে। ফায়াজের
বেষ্ট ফ্রেন্ড হলো অাবির।
ছাএ হিসেবে অাবির
ফায়াজের মতো
ব্রিলিয়ান্ট না হলেও
বুদ্ধিতে অনেক এগিয়ে।
ফায়াজ অার অাবির একই
ফ্লাট এ থাকে, মেস্ এর মতো
না কারন মেস্ এ তো এক রুম এ
দুই জন তিন জন ও থাকে ওরা
দুই জন অালাদা অালাদা রুম
এ থাকে। বাসায় টিভি
ফ্রিজ থেকে শুরু করে সব
ফার্ণিচারই অাছে। অাবির
অবশ্য কিছু দিন কলেজের হলে
ছিলো, হোস্টেলের খাবার
কতটা অাপডেট সেইটা তো
অাপনারা কম বেশি সবাই
জানেন।অাবির দু মাস ও
হোস্টেলে টিকে নি।
হোস্টেল ছেড়ে ফায়াজের
বাসায় উঠেছে। কাজের
বুয়া প্রতিদিন ঘর গোছানো
থেকে শুরু করে কাপড় কাচা
রান্না-বান্না সহ সব কাজ
করে দিয়ে যায়। ফায়াজ
অার অাবির উচ্চ মধ্যবিও
পরিবারের ছেলে।
ফায়াজের বাবা ব্যবসায়ী
অার মা সরকারি চাকুরী
করেন। ফায়াজ মা-বাবার
অনেক অাদরের একমাএ
সন্তান। অার অাবিরে
বাবা রিটায়ার্ড সরকারী
কর্মকর্তা মা গৃহিণী।
অাবিরা দুই ভাই এক বোন।
অাবিরের বড় ভাই ব্যাবসা
করেন। বিয়ে করেছেন দুই
বছরের একটা মেয়ে ও
অাছে। অাবিরের ছোট
বোন ক্লাস টেন এ পড়ে।
সারাদিন বন্ধুদের সাথে
ঘুরো ঘুরি অাড্ডা দিতে
ওরা দুজনই বেশ উপভোগ
করতো বিশেষ করে রাতে
বাইক রাইড করা।
ফায়াজের সাথে বাইকের
অন্যরকম টান অাছে। প্রায়
রাতেই অাবিরকে নিয়ে
ফায়াজ বাইক রাইডএ বের
হয়। ওদের একটা বাইক
রেচিং টিম ও অাছে
ফায়াজের কাজিন মিশুও
ওদের সাথে মাঝে মাঝে
রাইড করে।
,
,
অাবির অফ পিরিউড এ
কেম্পাসের বারান্দায়
দাড়িয়ে একটা বই
পড়তেছিলো, দোতালায়
উঠে অাবিরকে বারান্দার
সামনে দেখে বিদ্যুৎ
গতিতে মিম অাবিরের
কাছে অাসলো।মিম
অাবিরের গার্ল ফ্রেন্ড।
অাবির দেখেও না দেখার
ভান করে বইয়ের দিকে
মনোযোগ দিলে। মিম এমন
ভাবে অাবিরের দিকে
তাকিয়ে অাছে যে এক্ষুনি
ওরে খুন করে ফেলবে।
বইএর পাতা উলটাতে
উলটাতে অাবির বল্লো কিছু
বলবা?
চোখে-মুখে অনেক রাগ
নিয়ে ভারি গলায় মিম
বল্লো হুম।
অাবির মিম এর দিকে
তাকিয়ে বল্লো কি?
-তুমি ইমাকে কি বলছো?
=কই কিছু বলি নাই।
-একদম মিথ্যা বলবা নাহ,তুমি
ওরে বলো নাই অামি
তোমারে জালাই একটু পর পর
ফোন দেই সিগারেট
খাওয়ার জন্য নিষেধ করি
রাতের বেলা বাহিরে ঘুরো
ঘুরি করতে মানা করি
অাস্তে বাইক চালাইতে
বলি? এই সব কেনো বলি
তোমার খারাপের জন্য?
নাকি তোমার ভালোর জন্য?
কি হলো চুপ করে অাছো
কেনো? ভালোবাসি তাই
জালাই অারো জালাবো
কিন্তু দুনিয়াতে এতো মানুষ
থাকতে ঔ কুটনি টারে
কেনো বলতে গেছো যার
পেটে কোন কথাই থাকে
না।
= ওরে কুটনি বলবা না। ও
অনেক ভালো অনেক লক্ষি
একটা মেয়ে। ভুলো যেও না
ওর মাধ্যমেই অামাদের
সম্পর্কের শুরু হয়েছে।
-হে হবেই তো ভালো
বাংলাদেশের সব মেয়েরাই
ভালো খুব লক্ষি শুধু অামি
ছাড়া।কারন অামি
তোমাকে অন্য মেয়েদের বয়
ফ্রেন্ড দের মতো ছাড়
দেইনা তাই অামি খারাপ।
=হইছে ঘেন ঘেন কইরো না
বুচ্ছি।
-কি অামি ঘেন ঘেন করি?
=না তুমি ঘেন ঘেন করবা
কিভাবে তুমিতো কথাই
বলতে পারো না বোবা।
-অাবির ফাজলামো কইরো
না অামি অনেক সিরিয়াস
তোমার এই বদ অভ্যেস গুলো
ত্যাগ করো। তোমার
ভালোর জন্যই তোমাকে
বলি। অামি চাইনা তোমার
অসচেতনতার কারনে
তোমার বড় কোন ক্ষতি হওক।
হাঁসতেছো কেন?
=হাঁসি অাসলে কি কাঁদবো
নাকি?
-সব সময় ফাজলামি ভালো
লাগে না তোমার সাথে
অামি অার কোন কথাই
বলবো না।
রাগ দেখিয়ে চলে গেলো
মিম।
ওর রাগ করার রাইট অাছে
কেউই চাইবে না তার
ভালোবাসার মানুষটার
কোন ক্ষতি হোওক।
মিম কে নিয়ে ভাবতে
ভাবতে বেজে উঠলো ফোন।
পকেট থেকে ফোন বের করে
দেখি ফায়াজ কল করছে। কল
ধরলো অাবির।
-হেলো অাবির কলেজ থেকে
ফেরার সময় রেস্টুরেন্ট
থেকে খাবার কিনে
অানিস বুয়া অাজকে অাসে
নি।
=অাচ্ছা ঠিক অাছে, জ্বর
কমছে তোর? এখন কেমন
লাগছে?
-মোটা মুটি ভালো
=জ্বর কমছে?
-হে কমেছে বাট মাথা
ব্যাথা করছে অনেক।
=অাচ্ছা তুই রেষ্ট নে অামি
অার ২টা ক্লাস করে
অাসছি।
চার দিন যাবৎ ফায়াজের
জ্বর সখ করে বৃষ্টিতে ভিজে
জ্বর বাধিয়েছে। কিছু দিন
অাগে বাইক এক্সিডেন্ট
করে পা ভেঙ্গেছিল এইসব
ভাবতে ভাবতে ক্লাসে
ঢুকলো অাবির। ক্লাস শেষ
করে খাবার নিয়ে বাসায়
এসে দেখে ফায়াজ ঘুমাচ্ছে।
ফায়াজ যখন ঘুমায় ওরে ছোট্ট
বাচ্চাদের মতো লাগে।
.
চলবে...........
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now