বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পিশাচ শিশু-(৩)

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Shayer Ahmed (০ পয়েন্ট)

X মেয়েটি, ছেলেটিকে ঘরে তুলে নিতে বললে সে তাকে পরিহাস করে। মেয়েটি ছিল সাহসী। এই অন্যায় মেনে নেওয়ার পক্ষে ছিল না। গ্রামবাসীদেরকে ঘটনা জানিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। রাতারাতি তাদের বইয়ের সকল সাক্ষী গ্রাম থেকে উধাও হয়ে যায়। ছেলের বাবা ঘটনা সব জানতে পারে। নিজের বংশের কলঙ্ক ঢাকতে মেয়েটির নামে সালিশ বসায়। শুরু হয় প্রহসনের বিচার। বিচারে মেয়েটিকে একঘরে করা হয়। ছেলেটির পরিবারের ভয়ে দিনের বেলা কেউ মেয়েটিকে সাহায্য করতে সাহস না পেলেও রাতে কেউ কেউ এসে সাহায্য করত। এরি মাঝে মেয়েটি একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়। ছেলের বাবা বুঝতে পারে, গ্রাম্বাসী ভয়ে কিছু না বললেও, তারা জানে এটা তারই ছেলেত সন্তান। রাগে অন্ধ হয়ে সে একদল পালা দুর ্বৃত্তকে পাঠায় মা ছেলেকে শেষ করতে। তারা মেয়েটির ঘরে বাইরে থেকে তালা মেরে আগুন লাগিয়ে দেয়। মা, ছেলে আগুনে পুড়ে মরে। এই ঘটনার কয়েকদিন পরই ঐ ধনী ব্যক্তি তার সুপত্রকে শহরে পাঠিয়ে দেয়। ঘটনার প্রায় এক বছর পর ঐ ছেলে গ্রামে ফিরে আসে। সে বিয়ে করে, তার মতই আরেক ধনীলোকের মেয়েকে। অঘটনের শুরু সে দিন থেকেই, সেদিনই তার ছোটবোন গায়ে আগুন লেগে পুরে মারা যায়। মেয়ে তার বাবার খুব আদরের ছিল। এই আঘাত সহ্য করতে পারেনি। স্ট্রোক করে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়। তার আরো দুই ছেলে ছিল। স্পতাহের ব্যব্ধানে দুজনেই পুরে মরে। একজন নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে, আর একজন ব্জ্রপাতে। ব্যবসায় নামে ধস। তারপর একদিন, তার সি ছেলেটিকে পাওয়া যায়, ঠিক সেখানে, যেখানে একসময় মেয়েটির বাড়ি ছিল। সারা শরীরে অসংখ্য ক্ষত চিহ্ন। মনে হয় কোন প্রানী তার মাংস জিবন্ত খুবলে খেয়েছে। চোখ ছিল বিস্ফোরিত, তাতে রাজ্যের আতঙ্ক। সবচয়ে আশ্চর্য এই তার হৃদপিণ্ডটি বুক থেকে বের করে তার হাতের মুঠোয় ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর পরের ঘটনা খুবই সামান্য। কিছুদিন পরে অঈ লোকের বিধবা পুত্রবধূকে তার পিতা এসে নিয়ে যায়। বাড়ির চাকরবাকররা এক সময় কেটে পরে। ইতিমধ্যে লোকটি কিছুটা চলাফেরার ক্ষমতা অর্জন করে। এভাবে একাকি থাকতে থাকতে, একদিন নিজের হাতে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে আত্যহত্যা করে। গ্রামবাসীরা অনেকেই রাতের বেলা একটা শিশুকে আগুন পুড়তে দেখত। যে দেখত সে বেশিদিন বাঁচত না, কয়েকদিন পর যে কোনভাবে আগুনে পুড়ে মারা যেত। চাচামিয়া তরুণ হওয়া পর্যন্ত এই ঘটনা ঘটেছে। তারপর আজ আবার! আজকে আমিও দেখেছি ঐ প্রতিশোধপরায়ণ শিশুটির প্রেত্মাকে। কিন্তু আমি জানি, আমার কিছু হবে না।....সমাপ্ত


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পিশাচ শিশু-(৩)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now