বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পাওয়ার গল্প
.
মেয়েটা ঘুমিয়ে যায় !!!
.
পাশেই ছেলেটা জেগে থাকে। ঘুমজড়ানো চোখ খুলে মেয়েটা বলে, "এই তুমি ঘুমুবে না? আসো ঘুমাই" ।।
ছেলেটা হাসে, হেসে বলেঃ "তুমি ঘুমোও,আমি আরেকটুপর ঘুমুবো "।
.
মেয়েটা চুপচাপ ঘুমিয়ে পড়ে। কনকনে শীত, ভারী কম্বল গায়ে দিয়ে শুয়ে থাকায় চট করে ঘুমিয়ে যায় মেয়েটা। ছেলেটা পাশ ফিরে তাকায়। ডান হাত বের করে নেয় কম্বলের ভেতর থেকে।অবাক চোখে ঘুমন্ত নিষ্পাপ চেহারাটার দিকে অপলক তাকিয়ে থাকে। কী অদ্ভুত এক মায়া চেহারাটার মাঝে। বন্ধ করা চোখের পাতা মাঝেমাঝে কেঁপে উঠে। ছেলেটা দেখতেই থাকে। কপাল ছুঁয়ে আছে একমুঠো চুল। ছেলেটার ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে হয়। মেয়েটা জেগে যাবে বলে ছোঁয় না।।
.
কনকনে শীতে ছেলেটার হাত ঠান্ডা হয়ে আছে। ছেলেটা ঠান্ডা হাত মেয়েটার গালে ছুঁয়ে মজা পায়। তার ছুঁতে ইচ্ছে হয়। ছোঁয় না,মেয়েটা জেগে যাবে বলে।
.
ছেলেটা অপলক দৃষ্টিতে শুধু তাকিয়েই থাকে। হঠাৎ বন্ধ চোখের পাতা নেচে উঠে। চোখের পাতা সরে ছোট্ট দুটো চোখ উঁকি দেয়। ঘুমজড়ানো কন্ঠে ভ্রু নাচিয়ে জিজ্ঞেস করে, " কী দেখো?" ।
ছেলেটা বলে, "কিছু না। আমার হাত অনেক ঠান্ডা"।
.
মেয়েটা চোখ বুঁজে মুচকি হেসে ছেলেটার হাত বালিশের উপর নেয়। সেই হাতের উপর তার গাল রেখে চুপচাপ শুয়ে থাকে। ঠান্ডা হাত লাগায় একধরনের শিউরে উঠা ভাব থাকে মেয়েটার তারপরও ভালো লাগছে। এ যে এমন একজনের হাত, যেই একজন শুধুই তার।
.
এবার ছেলেটা আবার তাকিয়ে থাকে। মেয়েটা আবার চোখ খুলে। পিটপিট করে তাকিয়ে বলেঃ
- এই শোনছ?
- হুমম বলো।
- তোমার হাত অনেক ঠান্ডা। সরিয়ে নাও?
- আচ্ছা।
.
ছেলেটা হাত সরিয়ে নেয়। অল্প অল্প মন খারাপের রেখা ভাসে গালে- চোখে। মেয়েটা চোখ বুঁজে আছে, তাই দেখেনা তবে বুঝতে পারে।
মেয়েটা আবার চোখ খুলে পিটপিট করে তাকায়।
- এই শোনছ?
- হ্যাঁ বলো ।
- বালিশটাও না খুব ঠান্ডা।
- এখন কী করা? বালিশ সরিয়ে নেব?
- উহুঁ
- তাহলে?
- তোমার বুকে মাথা রাখি?
.
মেয়েটা উত্তরের অপেক্ষা করেনা। চুপচাপ মাথা রাখে ছেলেটার বুকে। বুকের গহীন থেকে গর্জন আসে। গর্জন আসে ভালোবাসার,গর্জন আসে অনেক পাওয়ার,গর্জন আসে সুখের। চোখ বুঁজে মেয়েটা সে সুখ মেখে নেয়। এ বুক তার, শুধুই তার। এই ছেলেটা তার স্বামী, শুধুই তার।।
.
ছেলেটা হাসে। অনেক পাওয়ার হাসি। আলতো করে মেয়েটার চুলে হাত রাখে। ঠান্ডা হাত…......
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now