বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
যেন বিচলিত নদীর সংখ্যাতীত তরঙ্গ । সেখানে একবার একটি পাহাড় দেখিয়া চমৎকৃত হইয়াছিলাম । সেটি একশিলা,সমুদয়ে একখানি প্রস্তর । তাহাতে একেবারে কোথাও কণামাত্র মৃত্তিকা নাই,সমুদয় পরিষ্কার ঝরঝর করিতেছে । তাহার একস্থান অনেক দূর পর্যন্ত ফটিয়া গিয়াছে,সেই ফাটার উপর বৃহৎ এক অশ্বথগাছ জন্মিয়াছে । তখন মনে হইয়াছিল,অশ্বথবৃক্ষ বড় রসিক,এই নীরস পাষাণ হইতেও রসগ্রহণ করিতেছে । কিছুকাল পরে আর একদিন এই অশ্বথগাছ আমার মনে পড়িয়াছিল,তখন ভাবিয়াছিলাম বৃক্ষটি বড় শোষক,ইহার নিকট নীরস পাষাণেরও নিস্তার নাই । অপরাহ্নে পালামৌয়ে প্রবেশ করিয়া উভয়পার্শ্বস্থ পর্বতশ্রেণী দেখিতে দেখিতে বনমধ্য দিয়া যাইতে লাগিলাম । বন বর্ণনায় যেরূপ শাল তাল তমাল,হিন্তাল শুনিয়াছিলাম,সেরুপ কিছুই দেখিতে পাইলাম না । তা,হিন্তাল একেবারেই নাই,কেবল শালবন অন্য বন্য গাছও আছে । শালের মধ্যে প্রকান্ড গাছ একটিও নাই,সকলগুলিই আমাদের দেশি কদম্ববৃক্ষের মতো,নাহয় কিছু বড়,কিন্তু তাহা হইলেও জঙ্গল অতি দুর্গম,কোথাও তাহার ছেদ নাই,এইজন্য ভয়ানক । এইরূপ বন দিয়া যাইতে যাইতে এক স্থানে হঠাৎ কাষ্ঠঘন্টার বিস্ময়কর শব্দ কর্ণগোচর হইল,কাষ্ঠঘন্টা পূর্বে মেদিনীপুর অঞ্চলে দেখিয়াছিলাম ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now