বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
চারিদিকে কোনো পাহাড় নেই,কিন্তু জায়গার নাম পাহাড়পুর।এটি বাংলাদেশের এমন কি দুনিয়ার একটি বিখ্যাত জায়গা।কিন্তু এর সমপর্কে সবাই খুব ভালো জানেনা।প্রায় ১৪শ বছর আগে বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ভিক্ষুগণ কোনো বিশেষ একটা জায়গায় থাকতেন।সেখানে তাঁরা ধর্ম চর্চা করতেন আর শিষ্যদের শিক্ষা দিতেন।এরকম জায়গার নাম বিহার।প্রাচীন এ বিহার একসময় খালি পড়ে থাকে।একসময় মাটির স্তুপে এটি ঢাকা পড়ে পাহাড়ের মতো হয়ে যায়।সেই থেকে নাম হয়ে যায় পাহাড়পুর।দীর্ঘকাল পরে ১৮৭৯ সালে আলেকজান্ডার কানিংহাম এই বিশাল পুরাকীর্তি আবিষ্কার করেন।এটির আরেক নাম সোমপুর বিহার।এই বিহারটি নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।বিহার এলাকাটি প্রায় ৪০ একর জায়গা জুড়ে লালচে মাটির ভূমিতে বিস্তৃত।২৭ একর জমির উপর এর বিশাল দালান।উত্তর-দক্ষিণে এটি ৯২২ ফুট আর পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট বিস্তৃত।বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী রাজা দ্বিতীয় ধর্মপাল প্রায় ১২শ বছর আগে এটি নির্মাণ করেন।এর চারদিকে সারি বাঁধা ১৭৭টি ছোট ঘর আছে।সামনে দিয়ে আছে লম্বা বারান্দা।উত্তর দিকের ঠিক মাঝখানে আছে মূল দরজা।তারপরেই বড় হলঘর।পাশে দুটি ছোট হলঘর।সবমিলিয়ে প্রায় ৮০০ লোকের থাকার ব্যবস্থা ছিল।ভেতরটায় বিশাল উঠানের মাঝখানে বড় এক সুন্দর মন্দির।ধাপে ধাপে মন্দিরটা সাজানো আছে।পাহাড়পুর বিহারের পাশে আছে দেখার মতো একটি জাদুঘর।সেখানে সুন্দর করে সাজানো আছে বিহার থেকে খনন করে পাওয়া অনেক পুরাতন আর দূর্লভ জিনিসপত্র।এছাড়াও বিহারটির চারদিকে প্রায় ২০০০টি মাটির ফলক দিয়ে চার দিক সাজানো আছে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now