বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
খানিকটা অবাক
হলাম। পরে জানতে পারলাম মেসেজ না
করা, আমাকে জেলাস করা, পুরোটাই
সাজানো ছিল। আর তার প্রধান হাতিয়ার ছিল
আমার সবচেয়ে কাছের বান্ধবী সিমি।
চোখের জলটা থামাতে পারলাম না। সবার
সামনেই কেদে দিলাম। একটা কান্না
মানুষকে এতটা সুখ দিতে পারে জীবনে
প্রথম অনুভব করলাম।
শুরু হল ভালবাসার আকাশে কষ্ট সুখের সাত
রঙ মিশিয়ে একি স্বপ্ন দুটি হৃদয় দিয়ে আঁকা।
ও আমাকে সুখ পাখি বলে ডাকে। ওর
পাগলামি গুলা যেন একি সাথে আমকে কাদাই
আবার হাসাই। অদ্ভুত একটা অনুভুতি।
আমকে নিয়ে ওর গান। স্বপ্নের ভেলায়
চড়ে তারার দেশে যাওয়া। হাত ধরে
বৃষ্টিতে ভেজা। মাঝ রাতে আমকে
দেখার নাম করে আমার বাড়ির সামনে এসে
দাড়িয়ে থাকা। ক্লাস ফাকি দিয়ে মুভি দেখতে
যাওয়া। একই স্বপ্ন হাজার বার ভেঙ্গে নতুন
করে গড়া। সব কিছু মিলিয়ে যেন আমার
একটা পৃথিবী সুখের স্বর্গ ও।
দেখতে দেখতে একটা বছর কেটে
গেল। ওর বি.বি.এ শেষ হল আর আমি ৪র্থ
বর্ষে উঠলাম। যে ভয়টা বুকের ভেতর
সব সময় কাজ করত সেটাই হল। আমার আর
নাহিদ এর সম্পর্কের কথাটা বাসাই জানা জানি
হয়ে গেল।
আব্বু আম্মুর ইচ্ছের বাইরে আপু পালিয়ে
গিয়ে তার ক্লাস-মেট সহেল ভাইয়াকে
বিয়ে করেছিল। ওদের ৪বছর এর
রিলেশন বিয়ের এক বছরের মাথাই ছাড়াছাড়ি।
এ ব্যাপারটাই যেন আমার স্বাধীনতার
একমাত্র ঘাতক।
সাময়িক ভাবে আমার ভার্সিটি
যাওয়া বন্ধ। ফোনটাও আব্বুর কাছে। এক
কথায় বন্দি আমি। আপুর ব্যাপারটার পর আব্বু
অনেক অসুস্থ হয়ে পরেছিল এখনো
সেই ধকল কাটিয়ে উঠতে পারেনি।
আব্বুর
ইচ্ছের বাইরে কিছু বলা মানে তাকে
মৃত্যুর পথে একধাপ এগিয়ে নেয়া। কিছুই
বলতে পারলাম না।
এক সপ্তাহের মধ্যে আমার বিয়ে ঠিক
করলো আব্বুর ব্যবসায়ী বন্ধু রাজ্জাক
আঙ্কেলের ছেলে সুমন এর সাথে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now