বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অতৃপ্ত আত্মা-৬

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X অতিপ্রাকৃতিক উপন্যাস "অতৃপ্ত আত্মা" আফজাল হোসেন -------------------- (পর্ব ৬) নয় সুমির বরাবরের অভ্যাস খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠার। কিন্তু আজকাল তার ঘুম থেকে … উঠতে দেরি হচ্ছে। সাইকিয়াট্রিস্টের দেওয়া এক গাদা করে ওষুধ খাওয়ার ফলে। পারুল আছে বলে তবু রক্ষে ৷ পারুল আগে আগে উঠে নাস্তা-টাস্তা বানিয়ে রেডি করে রাখে ৷ সুমিকে আর হাত লাগাতে হয় না। সুমি ধীরে সুস্থে বাথরুম্ থেকে ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে নাস্তার টেবিলে গেল। টেবিল ফাঁকা। নাস্তা তৈরি হয়নি। এত বেলা হয়ে গেল এখনও পারুল নাস্তা করতে পারেনি… কী ব্যাপার? সুমি রান্না ঘরের দিকে গলা বাড়িয়ে হাঁক ছাড়ল… এই, পারুল, পারুল, কী করছিস? এখনও নাস্তা রেডি করতে পারিসনি?!’ পারুলের কোনও সাড়া এল না। সুমি নিজেই রান্না ঘরে গেল। আশ্চর্য। সেখানে পারুল নেই। তা হলে কি পারুলও আজ বেলা করে ঘুমাচ্ছে? পারুলের থাকার ব্যবস্থা রান্নাঘরের পাশেই ছোট্ট একটা কামরায়। সুমি পারুলের কামরার দিকে গেল। দরজা ভেজানাে। সুমি দরজা ঠেলে কামরার ভিতরে ঢুকল। ভিতরটা অন্ধকার। জানালা টানালা সব বোধহয় বন্ধ। কেমন স্যাতস্যাতে, নােনতা নােনতা গন্ধ নাকে লাগছে ৷ সুমি অন্ধকারে হাতড়ে সুইচবোর্ড খুঁজে বাতি জ্বালল। বাতি জ্বালতেই সুমি আঁতকে ‘পারুল !!! বলে চিৎকার দিয়ে উঠল ৷ এরপর কয়েক মুহূর্তের জন্য যেন বোবা হয়ে গেল। কারণ তার বিস্ফারিত চোখের সামনে বিছানার উপর পারুল মরে সটান হয়ে পড়ে রয়েছে। পারুলের ঘাড়টা মটকানাে, ভাঙা। ঘাড়টা এমন ভাবে মটকানাে হয়েছে যে মাথা সম্পূর্ণ পিছন দিকে ঘুরে গেছে। জ্বিভ বেরিয়ে রয়েছে বিঘতখানেক। চোখ দুটো ওল্টানাে। নাকের ফুটো থেকে জমাট থিকথিকে একটা রক্তের ধারা নেমেছে। কােমরের নীচও ভিজে রয়েছে চপচপে রক্তে। সুমি উদ্ভ্রান্তের মত ছুটে গিয়ে জাহিদকে ঘুম থেকে জাগিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে খবরটা জানাল। এর পরই মূর্ছা গেল। খবর পেয়ে থানা থেকে পুলিশ এল ৷ আশপাশের বেশ কিছু লোকজনও ভিড় জমাল। সাধারণত বাড়ির কাজের মেয়ে খুন হলে পুলিশ প্রথমেই সন্দেহ করে বাড়ির লোকজনদের। ওসি সাহেব সেই সন্দেহ থেকে ৰিভিন্ন উল্টো পাল্টা প্রশ্নে প্রশ্নে জাহিদ আর সুমিকে জর্জরিত করতে লাগল। জাহিদ আর সুমিকে সন্দেহ করার যথেষ্ট কারণও রয়ছে …পুলিশের। পুরো বাসা ছিল ভিতর থেকে বন্ধ ৷ তারা তিনজন ছাড়া বাসায় আর কেউ ছিল না। বাসার কোনও দরজা বা জানালা ভাঙা নয় যে, বাইরে থেকে কেউ ভিতরে ঢুকে খুন করে পালিয়ে গেছে। পুলিশ জেরায় জেরায় জেরবার করে এক পর্যায়ে জাহিদ আর সুমিকে রেহাই দিল। পােস্টমর্টেমের জন্য ডেডবডি নিয়ে চলে গেল। ধীরে ধীরে লোকজনের ভিড়ও কমতে লাগল ৷ বিকেল নাগাদ গ্রাম থেকে জাহিদের বাবা মা _ এবং সুমির বাবা এসে পৌছলেন। সুমি তাদেরকে দেখতেই হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগল, ‘আমি আর এক মুহূর্তও এখানে থাকব না। আমি আপনাদের সঙ্গে গ্রামে চলে যাব। আমি আগে থেকেই বলছি এই ঘরে একটা পিশাচ ঘুরে ৰেড়ায়। তা না হলে পারুলের মত বাচ্চা মেয়েটাকে অমন নৃশংসভাবে কে মারল! আমি আর এক মুহূর্তও এ বাড়িতে থাকর না।’ সুমির বাবা মেয়েকে শান্ত করার জন্য বললেন; “ঠিক আছে, মা আমরা ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই তােকে নিয়ে রওনা দেব। জাহিদ ক্ষিপ্ত গলায় বলে উঠল, ‘না, সুমিকে নিয়ে যেতে পারবেন না। সুমি এখানেই থাকবে ৷ পুলিশ হয়তো তদন্তের জন্য আবারও আসবে। তখন সুমিকে না পেলে ঝামেলা করবে ৷ জাহিদের মা ছেলের কথা শুনে বললেন, ‘মেয়েটা এখানে থাকতে চাইছে না, ভয় পাচ্ছে… পাগলের মত করছে, এর পরও ওকে তুই যেতে দিবি না ? !‘ জাহিদ কঠোর গলায় বলল, ‘না, ওকে যেতে দেব না। ওর এখানেই থাকতে হবে। জাহিদের বাবা ছেলের রুদ্রমূর্তি দেখে বেশ অবাক হলেন ৷ তিনি চড়া গলায় বললেন, ‘তৃই এমন করছিল কেন বল তো?! বউমা কিছু দিনের জন্য আমাদের ওখানে গেলে কী এমন ক্ষতি হবে? জাহিদ এবার আরও কঠোর এবং আক্রোশের গলায় বলল… লাভ-ক্ষতি বুঝি না, ওকে যেতে দেওয়া যাবে না।‘ জ্যহিদের মা ছেলেকে বোঝানোর ভঙ্গিতে বলতে লাগলেন, সুমি না হয় দুই তিন দিন পরই আবার ফিরে আসবে। তুইও তো আমাদের সঙ্গে যেতে পারিস। যে _ ঘরে জলজ্যান্ত একটা মেয়ে খুন হয়েছে… সেখানে মানুষ কী করে রাত কাটায়! আর খুনটা তো অদ্ভুত রহস্যময়। জাহিদ রাগে ফেটে পড়া গলায় বলে উঠল, তোমাদের কে থাকতে বলছে? তোমরা এক্ষুনি ৰিদেয় হও। সুমি এখানেই থাকবে ৷ এই বাড়িতে আমার সঙ্গে। জাহিদের মা আর সহ্য করতে না পেরে হাতে উঁচিয়ে জাহিদকে একটা চড় মারতে চাইলেন ! চড় গালে পৌঁছবার আগেই জাহিদ তাঁর হাতের নাগাল থেকে ছিটকে সরে গেল। জাহিদের মা এরপরও এগিয়ে যাচ্ছিলেন ৷ কিন্তু সুমি ছুটে এসে তাঁকে থামাল। আর কান্না জড়িত গলায় বলল… ‘থাক, মা, আমি এখানেই থাকব। আপনাদের সঙ্গে যাব না।‘ জাহিদের মা জেদি গলায় বললেন, না, বউমা… তুমি আমাদের সঙ্গে যাবে। দেখি কে … তোমায় আটকায়।’ জাহিদ আর কোনও উচ্চবাচ্য করল না। ঝিম মেরে বসে রইল। ঘন্টা দুই বাদে জাহিদের বাবা মা আর সুমির বাবা সুমিকে সঙ্গে নিয়ে রওনা দিলেন। সুমি অবশ্য কিছুটা আপত্তি করছিল, ও যখন কিছুতেই চাইছে না, আমি যাই, আমি না হয় থেকেই যাই।’ সুমির কথা শুনে জাহিদের মা ক্রোধাম্বিত গলায় বললেন , ‘ও চাইলেই হবে নাকি ! দশ সুমির শ্বশুরবাড়ি আর বাবার বাড়ি পাশাপাশি গ্ৰামে৷ ঘণ্টা চারেকের হাঁটা পথ। রিকশাভ্যানে গেলে এক দেড় ঘন্টা লাগে ৷ সুমি প্রথম দুদিন শ্বশুর বাড়িতে কাটিয়ে বাবার বাড়িতে এসেছে। সুমির বাবা ইসমাইল তালুকদারের অনেক দিনের ইচ্ছে ওঁনাদের গ্রামের মহিলা ফকির ‘মাকুলির কাছে সুমিকে নিয়ে যাবেন… । মাকুলিকে দিয়ে ঝাড় ফুঁক তাবিজ কবজের তদ্বির করাবেন। সত্যিই যদি সুমির উপর কোনও জীন ভূতের আছর হয়ে থাকে মাকুলি …সেই আছর কাটাতে পারবেন ৷ দুর দুরান্তের গ্রাম গঞ্জ থেকে লোকজন মাকুলির কাছে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আসে। মাকুলির কাছে যেতে হয় রাত বারোটার পরে। তার আস্তানা গ্রামের একেবারে উত্তরে। সেখানে তেমন লোক বসতি নেই বললেই চলে ৷ চারদিকে শুধু ঘন বন জঙ্গল ৷ সেই বন জঙ্গলের মাঝে ছোট্ট একটা কুড়ে ঘরে মাকুলি থাকেন ৷ রাত বারোটার পর ইসমাইল্ তালুকদার সুমিকে নিয়ে মাকুলির কাছে এসেছেন। মাকুলির কুঁড়ে ঘরের দরজা খোলাই ছিল ৷ তারা ভিতরে ঢুকে পড়ল ৷ ভিতরটা কেমন অন্ধকারাচ্ছন্ন… ধোয়াটে। ঘরের চার কোনায় চারটা মাটির প্রদীপ নিভু নিভু হয়ে জ্বলছে l কেমন মাথা ঝিম ঝিম করা এক ধরনের সুগন্ধে ভরে আছে ঘরের বাতাস ৷ মাকুলি ঘরের ঠিক মাঝখানে মেঝেতে ৰিছানাে পাটির উপর পদ্মাসনে চোখ বন্ধ করে বসা ৷ বোধহয় ধ্যানমগ্ন অবস্থায় আছেন। তার সামনে একটা আগরৰাতি দানিতে কতগুলো আগরবাতি জ্বলছে। সেগুলো থেকে তীব্র গন্ধ বেরোচ্ছে। সেই ধোয়াতেই সমস্ত ঘর ভরে আছে ৷ শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছে। মাকুলির গায়ে ধবধবে সাদা আলখাল্লার মত পোশাক ৷ তাঁর গায়ের রংও বরফের মত সাদা। মাথার চুলগুলো তুষারের মতন। এমনকী ভ্রুও ৷ খুনখুনে এক বৃদ্ধা ৷ সুমি আর সুমির বাবা ইসমাইল তালুকদার হাটু গেড়ে মাকুলির সামনে বসল। ইসমাইন তালুকদার মাকুলির ধ্যান ভাঙানাের জন্য অতি বিনয়ী গলায় ডাকলেন, ‘ফকির মা ফকির মা। ডাক শুনে মাকুলি চোখ খুললেন ৷ বয়সের ভারে ঘোলাটে চোখ ৷ সেই চোখে তীব্র চাউনি ৷ ইসমাইল তালুকদার বিনয়ী গলায় বলতে গেলেন গেলেন… "ফকিৱ মা, আমার মেয়টার উপর বোধহয় ভূতের...মাকুলি হাত উঁচিয়ে ’ ইসমাইল তালুকদারকে থামিয়ে দিয়ে সুমির দিকে তাকিয়ে পুরুষালী গলায় বললেন, ‘_দেখি, তোর বাম হাতটা বাড়া তো। সুমি বাম হাত বাড়িয়ে ধরল। মাকুলি ওর _ বৃদ্ধাঙ্গুলটা চেপে ধরে গভীর দৃষ্টিতে আঙুলটার ‘নখের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। এরপর সুমির হাত ছেড়ে দিয়ে তিন বার হাততালি দিলেন ৷ অমনি ভোজবাজির মত পলকে অতি রূপবতী একটা মেয়েকে দেখা গেল তাঁর ডান পাশে দাঁড়ানো৷ মেয়েটা যে কোনও সাধারণ মেয়ে নয় তা বোঝা যাচ্ছে। চোখের ইশারায় মেয়েটাকে কী যেন বললেন। অমনি মেয়েটা আবার গায়ের হয়ে গেল। আবার মেয়েটার আবির্ভাব ঘটল। এবারে তার দু হাতে ধরা ৰিশাল এক গামলা। আলো আঁধারিতে ঠিক বোঝা যাচ্ছে না… গামলাটা ‘ …পিতলের নাকি সোনার। মেয়েটা গামলাটা মাকুলির সামনে রাখল্। গামলা ভর্তি পানির মত স্বচ্ছ তরল ৷ সেই তরল থেকে মিষ্টি অথচ ঝাঁঝালো একটা গন্ধ বেরোচ্ছে। গোলাপ জল টল জাতীয় কিছু হতে পারে। মাকুলি আবার তিনবার হাততালি দিলেন। অমনি মেয়েটা হাওয়ায় মিলিয়ে গেল। মেয়েটা গায়েব হবার পর মাকুলি তাঁর পুরুষালী গলায় সুমিকে বললেন… এই গামলার ভিতরে তোর বাম হাতটা চুবিয়ে রাখ। সুমি তার বাম হাতটা গামলার ভিতরে চুবিয়ে দিল ৷ মাকুলি চোখ বুজে বিড়বিড় করে দোয়া দরুদ জাতীয় কিছু পড়তে লাগলেন। অনেকক্ষণ ধরে একই অবস্থায় সুমি পামলার তরলে হাত চুবিয়ে বসে আছে আর মাকুলি : বিড়ৰিড় করে দোয়া দরূদ পড়েই যাচ্ছেন ৷ এক পর্যায়ে খোলা দরজা দিয়ে যেন গরম বাতাসের একটা হলকা ঘরে ঢুকে পড়ল। সেই হলকা… সারা ঘরে ঘূর্ণির মত পাক খেতে লাগল ঘরের চার কােনায় জ্বালানো মাটির প্রদীপগুলাে দপদপ করে উঠল। মাকুলি দোয়া পড়ার গতি আরও বাড়িয়ে দিলেন। গামলার তরলের রং পরিবর্তন হতে লাগল ৷ স্বচ্ছ তরলটা ধীরে ধীরে গাঢ় লাল্ রঙে ছেয়ে যেতে শুরু করল ৷ দেখে মনে হচ্ছে, যেন সুমির হাত দিয়ে টাটকা রক্ত বেরিয়ে অমন লাল করে দিচ্ছে। লাল হতে হতে গামলার সমস্ত তরল রক্তের মত ঘন হয়ে গেল। সেই ঘন তরঙ্গের ভিতর থেকে অসংখ্য বুদ্বুদ উঠতে লাগল। বুদ্বুদগুলো ফেটে ফেটে চিত্রময় অস্পষ্ট কিছু ফুটে উঠে নিমেষেই মিলিয়ে যাচ্ছে। মাকুলি কিছুটা নুয়ে গভীর মনোযোগের সাথে বুদ্বুদ ফেটে যে রূপ নিচ্ছে সেগুলো দেখতে লাগলেন। অনেকক্ষণ ধরে দেখার পর মুখ তুলে সুমিকে বললেন, ‘এবার তোর হাতটা ওঠা। সুমি হাত উঠিয়ে নিল ৷ সঙ্গে সঙ্গে বূদ্বুদ ওঠা থেমে গেল ৷ মাকুলি এক দলা থুথু ছুঁড়ে মারল গামলার গাঢ় লাল রঙের তরলের উপর। অমনি তরলটা দাউদাউ করে আগুন জ্বলে উঠল ৷ সেই আগুনের ভিতর ফুটে ঊঠল একটা ভয়ঙ্কর বিকৃত মুখাকৃতি, যেন জীবন্ত ৷ ছটফট করছে ৷ মুখটা দেখে সুমি, ‘ও -মা!! বলে ছিটকে পেছনে সরে গেল ৷ মাকুলি তাঁর পুরুষালী তেজী গলায় বলে উঠলেন, এই মুখটাই তো তােকে দেখা দেয়, …না? … সুমি ভীত গলায় বলল …" হ্যাঁ ,ফকির মা।" মাকুলি ,বললেন, “ভয় পাসনে।ও এখন আর কিছুই করতে পারবে না। ও এখন আমার হাতে বন্দি ৷ ওদিকে না তাকিয়ে আমার কথা মন দিয়ে শোন। তোর তো প্রায় চার মাস আগে বিয়ে হয়েছে, তা কার সঙ্গে বিয়ে হয়েছে, তুই কি জানিস?,! সুমির বাবা অবাক হয়ে বলে উঠলেন,কেন, ফকির মা ! ওর তো বিয়ে হয়েছে পাশের গ্রামের জলিল হাওলাদারের ছেলে জাহিদের সঙ্গে।‘ ‘তােরা যেটা জানিস সেটা ভুল ৷ ওর বিয়ে হয়েছে এই অতৃপ্ত আত্মাটির সাথে।" (শেষ পর্ব আগামীকাল) ---------------------- ।। একাকী কন্যা ।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অতৃপ্ত আত্মা-৬

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now