বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অতিপ্রাকৃতিক উপন্যাস
"অতৃপ্ত আত্মা"
আফজাল হোসেন
---------------------
(পর্ব ৪)
ছয়
ডাক্তারের চেম্বার থেকে জাহিদ আর সুমি বাসায় ফিরেছে। ডাক্তার দশ দিনের ওষুধ লিখে দিয়েছে। দশদিন পর আবার যেতে বলেছে ৷ সুমির অসুস্থতার খবর পেয়ে গ্রাম থেকে জাহিদের বাবা মা এসেছেন। সকালেই জাহিদ মোবাইল ফোনে তার বাড়িতে এবং সুমির বাড়িতে খবর জানিয়েছে ৷ সুমির বাবারও আসার কথা, সঙ্গে একটা কাজের মেয়ে নিয়ে ৷
সুমির মধ্যে আজ অসুস্থতার চিহ্নমাত্র নেই। ডাক্তারের চেম্বার থেকে ফিরেই রান্না বান্নায় নেমে পড়েছে ৷ শ্বশুর শাশুড়ি আসায় ভাল ভাল সব আয়োজন করছে ৷ পােলাও… বড় বড় গলদা চিংড়ির মালাইকারি, মটরশুঁটি… দিয়ে কৈ মাছ ভুনা… খাসীর মাংসের কালিয়া, গরুর মাংসের কােফতা, রুই মাছের মাথা দিয়ে মুড়িঘণ্ট আর ধনে পাতার চাটনি। সুমিকে রান্নায় সাহায্য করছেন শাশুড়ি হালিমা বেগম। হালিমা বেগম খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে… সুমিকে সুমির ভয় পাওয়া নিয়ে জিজ্ঞেস করছেন। সুমি কৌশলে এড়িয়ে যাচ্ছে। বয়স্ক মানুষকে শুধু শুধু দুশ্চিন্তায় ফেলে কী লাভ।
হালিমা বেগম বলছেন, “আচ্ছা, বউমা… তুমি কী দেখে ভয় পাও?’
সুমি বলল, ‘আৰার কী দেখে ! কিছুই না। সারাদিন বাড়িতে একা একা থাকি… একটু ভয় ভয় তো লাগবেই।’
‘না… জাহিদ বলল, একা হলেই নাকি তোমার পেছনে কী এসে র্দাড়ায়।"
সুমি, হাসতে হাসতে বলল… "আপনার ছেলে যাতে আমাকে বাসায় একা ফেলে বেশিক্ষণ বাইরে না কাটায় , সেই জন্য এসব বলি।"
রাত দশটা নাগাদ সুমির বাবাও এসে পৌছলেন। তিনি সঙ্গে একটা কাজের মেয়ে নিয়ে এসেছেন ৷ তেরো চোদ্দ বছর বয়সী একটা মেয়ে। মেয়েটার নাম পারুল ৷ মেয়েটার বাবা মা কেউ নেই… অনাথ। দেখতে খুবই সুশ্ৰী।
সুমির বাবা আসার পরপরই সবাই মিলে খেতে বসল। সুমির হাতের রান্না খেয়ে সুমির শ্বশুর শাণ্ডড়ি, বাবা, সবাই একেবারে মুগ্ধ হয়ে গেলেন। ও যে এত ভাল রান্না করতে জানে তা তাঁদের জানা ছিল না।
খাওয়া দাওয়ার পর্ব শেষ করে পান মুখে দিয়ে সবাই মিলে বসার ঘরে বসলেন ৷ সুমির বাবা, ওর শ্বশুর শাশুড়িকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ‘আচ্ছা, বেয়াই বেয়ান, সুমিকে কিছুদিনের জন্য আমাদের ওখানে নিয়ে গিয়ে কোনও পীর ফকির দিয়ে ঝাড় ফুঁক করালে কেমন হয় ? আমাদের গ্রামে ‘মাকুলি নামে এক মহিলা ফকির আছেন তিনি এই সব ঝাড় ফুঁক খুব ভাল করেন। আমার ধারণা তাঁকে দিয়ে তদবির করালে…… …"
সুমির বাবাকে কথা শেষ করতে না দিয়েই জাহিদ বলে উঠল, …‘ওই সব পীর ফকির ওঝায় আমার মোটেও বিশ্বাস নেই। আধুনিক যুগ, এখন কী আর পীর ফকিরের দিন আছে! সুমিকে একজন বড় সাইকিয়াট্রিস্ট ডাক্তারকে দেখানো শুরু করেছি ৷ আশা করছি তাঁর চিকিৎসায়ই সব ঠিক হয়ে যাবে।"
জাহিদের মা বললেন ‘সব রোগ ডাক্তারে যাবে না ৷ জীন ভূতের আছর হলে সেক্ষেত্রে পীর ফকির ওঝারই প্রয়োজন পড়ে। মনে নেই ছোট সময় তুই রোজ রোজ ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখে চিৎকার করে উঠতি। শেষ পর্যন্ত এক ফকির বাবার পানি পড়া খেয়ে তুই ঠিক হয়েছিলি।‘
জাহিদের বাবা বলে উঠলেন_ "সাইকিয়াট্রিস্টের চিকিৎসাও চলুক, সঙ্গে পীর ফকিরও দেখুক। অসুবিধা কী ? ! যে চিকিৎসায় ভাল হয়।"
জাহিদ বিরক্ত গলায় বলল "সাইকিয়াট্রিস্টের চিকিৎসায়ই ও ঠিক হয়ে যাবে ৷ এছাড়া ওর সমস্যাও তো তেমন কিছু নয়। শুধু শুধু ভন্ড পীর ফকিরের কাছে যাওয়ার কোনও দরকার নেই।"
সুমির বাবা হার মানা গলায় বললেন, "ঠিক আছে, বাবা, তুমি যা ভাল মনে করো তাই করো।’
সাত
জাহিদের বাবা মা এবং সুমির বাবা চলে গেছেন। যে কদিন ছিলেন, সুমির মধ্যে কোনও অস্বাভিকতা তারা দেখেননি। তাঁরা বেশ আশস্ত মনেই বাড়ি চলে গেছেন।
আজকাল জাহিদ অফিস যাবার পর সুমির আর একা থাকতে হয় না। সুমির বাবার নিয়ে আসা কাজের মেয়ে পারুল সুমিকে সঙ্গ দেয়। পারুল মেয়েটা বেশ ভাল। চটপটে স্বভাবের। যে কােনও কাজই বুঝিয়ে সুঝিয়ে দিলে করতে… পারে। ঘরের কাজে সুমির অনেক সাহায্য হয়।
বেলা বারোটা। জাহিদ যথারীতি অফিসে ৷ সুমি রান্না ঘরে ইলিশ মাছ ভাজছে। পারুলকে পাঠিয়েছে শোবার ঘর ঝাট দিতে। পারুলই রান্নার জন্য মাছ ধুয়ে, পিঁয়াজ মরিচ কুচিয়ে দিয়ে গিয়েছে।
সুমি মাছ ভাজতে ভাজতে হঠাৎ টের পেল , ওই জিনিসটা আবার ওর ঘাড়ের পেছনে এসে দাড়িয়েছে। তপ্ত নিঃশ্বাস ফেলছে ৷ সঙ্গে সঙ্গে ভয়ে ওর গায়ের লোম দাড়িয়ে গেল ৷ ঘুরে পিছনে তাকাতে যাবে এমন সময় শোবার ঘর থেকে পারুলের ভয়ার্ত গলার বিকট চিৎকার ভেসে এল।
সুমি পড়ি মরি করে ছুটে শোবার ঘরে এসে দেখে … পারুল অজ্ঞান হয়ে…মেঝেতে পড়ে রয়েছে। উপুড় অবস্থায়। পারুলের মাথা থেকে কােমর অবধি থাটের তলায় ঢোকানো। শরীরের বাকি অংশটা খাটের তলা থেকে বাইরে।
সুমি পারুলকে খাটের তলা থেকে সম্পূর্ণ বাইরে এসে চোখে মুখে পানি ছিটানোর পর পারুলের জ্ঞান ফিরল ৷ সুমি জিজ্ঞেস করল "পারুল, কী হয়েছে তাের?!…
পারুল ভীত গলায় হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে বলল, "আফা, আফনেগাে বাড়ি আর থাকুম না। আমারে দ্যাশে পাডাইয়া দেন ৷’
সুমি কিছুটা চটে যাওয়া গলায় বলল, “কী হয়েছে তোর, সেটা আগে বল? কী দেখে ভয় পেয়েছিস?"
পারুল ভীত গলায় কাঁদতে কাঁদতে যা জানাল তা হলো, সে ঘর ঝাড়ু দেওয়ার এক পর্যায়ে খাটের নীচটা ঝাড়ু দিতে যায়। তখন দেখতে পায় খাটের নীচে জাহিদ বসে রয়েছে ৷ পারুল চমকে অবাক গলায় বলে, ভাইজান, আফন এহানে ক্যামনে?! আফনে না অপিসে গেছেন ?‘
জাহিদ ফিসফিস করে বলে, "তাের আপারে চমকে দেবার জন্য লুকিয়ে রয়েছি ৷ শোন, তুই আরও কাছে আয়, কথা আছে ৷ ’
পারুল মনে করে সুমি আপার সঙ্গে কোনও দারুণ মজা করার ফন্দি আঁটার জন্য জাহিদ তাকে আরও কাছে ডাকছে। পারুল নিদ্বিধায় এগিয়ে যায়। পারুলের মনে কিছুটা খটকাও লাগে ৷ জাহিদ ভাইজান অমন ফ্যাঁসফ্যাঁসে গলায় কথা বলছে কেন?! আবার তার গা থেকেও মাংস পোড়ার মত ৰিচ্ছিরি গন্ধ বের হচ্ছে?!
কাছে পৌছে পারুল সংকুচিত গলায় বলে… ‘কী কইবেন কন ভাইজান …?"
জাহিদ কিছু না বলে আচমকা পারুলের গলা জড়িয়ে ধরে কুকুরের মত জিভ বের করে পারুলের সমস্ত মুখমণ্ডল চাটতে থাকে৷ কী ভয়ঙ্কর দুর্গন্ধ সেই জ্বীভে। পারুল চিৎকার দিয়ে ওঠে৷ একটা চিত্কারই সে দিতে পারে৷ পরক্ষ্যণেই জাহিদের রূপ ধরা পিশাচটার পোড়ো, ঝলসানো, কালচে হাত তার মুখ চেপে ধরে। সে জ্ঞান হারায় ৷
সুমি অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে পারুলকে শান্ত করেছে। কয়েকবার খাটের তলাটা দেখিয়ে ভয় ভাঙানাের চেষ্টা করেছে ৷ খাটের তলায় কেউ নেই, কিচ্ছু নেই, তাতেও পারুলের ভয় পুরোপুরি কাটছে না ৷
দুপুরে জাহিদ খেতে এল। ও অনেক ভাবে পারুলকে বোঝাতে লাগল… "শোন, পারুল, তুই জানিস, তোর সুমি আপা একা হলেই কিছু দেখে ভয় পায়। ভয়ঙ্কর, ভৌতিক কিছু ৷ ওই ব্যাপারটা তোর মনের ভিতর গেঁথে গেছে। তুই মনে মনে সারাক্ষণ ভাৰিস সত্যিই এঘরে কিছু আছে নাকি ?!খাটের নীচটা দিনের বেলায়ও বেশ অন্ধকার থাকে। তাই সেই অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে তোর মনের ভাবনাটা আরও তীব্র হয়৷ তখন তোর হ্যালুসিনেশন হয় ৷ হ্যালুসিনেশন বুঝৰি না, মানে ধান্ধা দেখিস।"
মাঝ রাত। খাটের নীচ থেকে আসা কান্নার … শব্দে সুমির ঘুম ভেঙে গেছে ৷ ঘরে লাল রঙের ডিমবাতি জ্বলছে ৷ রাত বিরাতে সুমি যাতে ভয় পাওয়ার হাত থেকে রেহাই পায়, তাই সাইকিয়াট্রিস্ট ডিমবাতি জ্বেলে রেখে ঘুমানোর পরামর্শ দিয়েছেন ৷ সুমির পাশে জাহিদ মরার মত ঘুমাচ্ছে। আজ আর সুমি জাহিদের ঘুম ভাঙাবে না। সে নিজেই ভয়ের মুখোমুখি হবে। ভয়কে জয় করবে। আজ দুপুরে পারুল যখন ভয় পেয়োছিল তখন সে পারুলকে বিভিন্নভাবে সাহস দিয়ে পারুলের ভয় ডাঙানোর চেষ্টা করেছে। তা হলে তার নিজের বেলায় নিজেকে কেন সাহস দিতে পারবে না?!
সুমি কান খাড়া করে কান্নার শব্দটা শুনছে ৷ সদ্য জ্বন্মানাে কোনও বাচ্চার চাপা কান্নার শব্দ যেন। থেমে থেমে কান্নার শব্দটা হচ্ছে।
সুমি নিঃশব্দে ৰিছানা থেকে নেমে পড়ল। যতই বুকে সাহস রাখার চেষ্টা করুক এর পরও বেশ ভয় পাচ্ছে সে। ভয়ে গলা শুকিয়ে যাচ্ছে ৷ হাত পা কাঁপছে। মনে মনে বার বার নিজেকে প্রবোধ দিচ্ছে… খাটের নীচে কিচ্ছু নেই… কোনও… কান্নার শব্দ হচ্ছে না … সৰই ভ্রান্তি, সবই ৰিভ্রম ৷
সুমি উবু হয়ে খাটের তলায় উঁকি দিল ৷
লাল ডিমবাতির আবছা আভা সেখানে ৷ কিছুটা চোখ সয়ে আসতেই চোখে পড়ল, ছোট্ট একটা বাচ্চা। খুবই …ছোট! যেন মায়ের পেট থেকে গর্ভপাত হওয়া কোনও অপরিণত বাচ্চা। পাটকাঠির মত রোগা শরীর। স্ফটিকের মত স্বচ্ছ গায়ের রং। শরীরের ভিতরের হাড়… রক্তনালি, হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, নাড়িভুঁড়ি ইত্যাদি সবই স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। চোখ দুটো ভাঁটার মত জ্বলছে ৷ ভাটার মত জ্বলন্ত চোখ দুটি দিয়ে এক দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ সুমির দিকে তাকিয়ে থেকে, বাচ্চাটা হামা দিয়ে সুমির দিকে আসতে লাগল।
কান্নার বদলে খলবল করে হাসতে হাসতে ৷ যেন সুমিকে দেখতে পেয়ে খুব খুশি হয়েছে ৷ সুমির হাত পা বরফের মত জমে গেছে ৷ সে সরে আসতে চাইছে, কিন্তু জমে যাওয়া হাত পা কিছুতেই নাড়াতে পারছে না। বাকশক্তিও যেন হারিয়ে ফেলেছে ৷
বাচ্চাটা সুমির কাছে পৌছে গেছে। লাফ দিয়ে উঠে সুমির গলা পেঁচিয়ে ধরেছে ৷ এত জোরে ধরেছে যে সুমির শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে ৷ অতটুকু বাচ্চা কিন্তু গায়ে যেন আসুরিক শক্তি ৷
হাসফাস করতে করতে সুমির গলা দিয়ে গোঁ গোঁ করে এক ধরনের দম বন্ধ হওয়া শব্দ বেরুতে লাগল। সেই শব্দে জাহিদের ঘুম ভেঙে গেল। জাহিদ বুঝতে পারল শব্দটা হচ্ছে খাটের নীচে। সঙ্গে সঙ্গে জাহিদ ৰিছানা থেকে নেমে খাটের নীচে উঁকি দিল ৷
খাটের নীচে সুমি চিত হয়ে পড়ে রয়েছে। নিজের গলা নিজেই প্রচণ্ড আক্রোশে চেপে ধরে আছে। সেই কারণে গলা দিয়ে দম বন্ধ হওয়া গোঁ গোঁ শব্দ বেরোচ্ছে ৷ … জাহিদ ব্যাকুল হয়ে সুমিকে ডাকতে ডাকতে ওর হাত দুটো টেনে গলা থেকে সরিয়ে ফেলল। সঙ্গে সঙ্গে সুমির হুঁশও ফিরল। চোখ খুলল। জাহিদকে দেখতে পেয়ে হাউমাউ করে কেঁদে উঠল ৷ খাটের নীচ থােক সুমিকে বের করে, ফ্রিজের এক গ্লাস ঠান্ডা পানি খাইয়ে কিছুটা ধাতস্থ করার পর, জাহিদ সুমির কাছ থেকে কী ঘটেছে সব শুনল।
সব শুনে জাহিদ বলল, ‘সবটাই ঘটেছে ঘুমের মধ্যে। তুমি স্বপ্ন দেখেছ।"
সুমি কান্নাজড়িত দৃঢ় গলায় বলল, "বিশ্বাস করো মোটেই স্বপ্ন নয়! যা ঘটেছে একেবারে সত্যি।"
জাহিদ অসহিষ্ণু গলায় বলল, "যদি স্বপ্নই না হবে তা হলে আমি সেই ভৌতিক বাচ্চাটাকে দেখলাম না কেন? আমি তো দেখেছি তুমি নিজেই তোমার গলা চেপে ধরে আছ।’
সুমি বলল, "তােমার কথা মেনে নিয়ে ধরলাম স্বপ্নই দেখছিলাম, কিন্তু আমি খাটের নীচে গেলাম কী করে?! আমি তো খাটের উপরে বিছানায় ঘুমিয়ে ছিলাম ৷"
"ঘুমের মধ্যে গিয়েছ। অনেকের এমন ঘুমের মধ্যে হাটা…চলার অভ্যাস থাকে। আমি তো সাইকিয়াট্রিস্ট না, সাইকিয়াট্রিস্টরা এর ভাল ব্যাখ্যা দিতে পারবে ৷ সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে আবার কবে যেন যাবার কথা?”
"আগামীকাল। আজই তো দশ দিন পার হলো। উনি তো দশ দিন পরই যেতে বলেছিলেন ৷"
(ক্রমশ)
------------
।। একাকী কন্যা ।।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now