বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অতঃপর ভালবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Rafi Orton (০ পয়েন্ট)

X :কি রে কই তুই ? :আমি কলেজের লাইব্রেরিতে যাচ্ছি । :তোকে না বলসি আমাকে নিয়ে যাইস । :এহহ ।শখ কত ? :তুই আসবি কি না বল ? :আচ্ছা থাম । :আরে কই আসি শুনতো। :ওহো ।ভুলে গেছিলাম ।কই তুই? :আজিব পোলা ।গেটে আয় । :আচ্ছা থাম ।আইতাছি । এতক্ষন কথা হচ্ছিল অভি আর ইভার মাঝে । প্রাইমারি স্কুল থেকে তারা একজন অপরজনের বন্ধু ।শুধু বেস্ট ফ্রেন্ড নয় , তার থেকেও বেশি কিছু ।কিন্তু তারা একজন অপরজনকে ভয়ে কিছু বলে না ।যদি না করে তা হলে তা তারা সইতে পারবে না ।এখন তারা দুজনে একই কলেজে পড়ে ।যাতায়াত ও একসাথে করে বাসে করে ।একজন অপরজনকে তুই করে বলে ।ঝগড়া করা তাদের প্রতিদিনের কাজ ।কিন্তু একবার ইভা রাগ করলে বেচারা অভির পকেট ফাকা হয়ে যায় ।কারন তখন রাগানোর শাস্তি হিসাবে ইভাকে ইচ্ছামত ফুচকা খাওয়াইতে হয় ।তাই অভি তাকে ডাকে ফুচকা পাগলি বলে ।এই নিয়ে চলে তাদের নিত্যদিন । (পরেরদিন কলেজে যাবার সময় ইভা অপেক্ষা করছে অভির জন্য ।অবশেষে সে এল...) ইভা :এতক্ষন লাগে । অভি :আরে আমার সাইকেলটা ঠিক করতে দিয়ে আসলাম ।তাই দেরি হয়ে গেল । ইভা :তোর ঐ খাটারা সাইকেল ।হুহহ । আভি :ঐ আমার সাইকেল খাটারা না । তোর বরের এর চেয়েও খাটার থাকবে ।হাহাহা ইভা :হুহ ।আমার বরের অনেক বড় গাড়ি থাকবে । অভি: ও তাই নাকি !তাইলে তো আমার দেখা সবচেয়ে বড় গাড়িটা তর বরের হবে রে । ইভা : এত করে যখন নামটা বলতে চাচ্ছিস তখন বলে ফেল । অভি :ট্রাক ।আমার দেখা সবচেয়ে বড় গাড়ি ।ঐটাতে করে তর বড় আসবে । হা হা হা ।(এই বলে অভি :কলেজ গেট দিয়ে এক দৌঁড় ।কে আর পায় ওরে ) ইভা :কি কইলি ! থাম খালি । কিন্তু অভিকে আর পাওয়া গেল না ।এক দৌঁড়ে সে ক্লাসে চলে গেছে । (কয়েকদিন পরের ঘটনা ) অভির খুব মন খারাপ ।দুই তিনদিন আগে ইভাকে একটা ছেলে প্রোপোসাল দেয় কিন্তু ইভা না করে দেয় ।এই কারনে অভির খুব মন খারাপ ।হয়ত তাকেও ইভা না করে দিতে পারে । অপরদিকে আরেক কাহিনী ।ইভার এক ফ্রেন্ড অভির কথা ইভাকে বলে যে সে তাকে পছন্দ করে ।আভির সাথে ইভা যেন তার বন্ধুক্ত করিয়ে দেয় ।এ কথা শুনে ইভা তো রেগে আগুন । পরেরদিন সে সব কিছু জানানোর জন্য অভিকে পার্কে ডাকে ।আর অভিও ঠিক করে নেয় যে সে ইভাকে সব কিছু বলে দিবে ।যা হবার হবে ।তাই পরেরদিন অভি পার্কে গিয়ে ইভার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে ।তার পরনে নীল শার্ট আর সাদা প্যান্ট ।হঠাত্ সে দেখতে পায় রাস্তা দিয়ে তার দিকে নীল শারি পড়া একটা মেয়ে আসতেছে ।একি ! এ যে ইভা ।নীল শারিতে তাকে নীলপরী নাগছে ।আর মাথায় সাদা হিজাবে তাকে আরও অসাধারন লাগছে ।একসময় ইভা আসল । অভি তো হা হয়ে দেখে আছে । ইভা :লাইফে কি আমাকে এর আগে দেখ নাই যে এইভাবে দেখতেছ ? অভি :না মানে ,আসলে ।মানে .... ইভা :এত মানে মানে কিসের ।হুম !! (অভি ভাবল এখন বলতে না পারলে আর কখনও হয়ত পারবে না ।তাই সে ইভার সামনে বসে চোখ বন্ধ করে বলে ফেলে তার মনের সব কথা ।) অভি : আসলে কখন যে তোকে ভালবেসে ফেলেছি তা নিজেও জানি না ।শুধু এটুকু বলব বাকি জীবনটা তোকে ভালবেসেই কাটাতে চাই । (এক নিঃস্বাসে কথাগুলা বলে অভি থামল ।তাকিয়ে দেখে তার দিকে ইভা রাগত দৃষ্টিতে দেখছে ।) ইভা :এতদেরি লাগে ।আর তুই কি !তুমি বলতে পার না । আর ফুল কই ? অভি :আসলে না ,মানে মনে ছিল না । ইভা :আচ্ছা ঠিক আছে ।রাজি হব যদি আমাকে ধরতে পার ? এই বলে ইভা হাসতে হাসতে এক দৌঁড় । অভিও তাকে ধরার জন্য ছুটে ।কিন্তু ইভা ভুল করে রাস্তায় চলে যায় ।অভি তার পিছনে পিছনে যায় কিন্তু তারপর একটা বিকট শব্দ শুনতে পায় ।আর কিছু তার মনে নেই ।তারপর যখন সে চোখ খুলল তখন সে তার পায়ে আর পিঠে খুব ব্যথা অনুভব করল ।অভি তার আশেপাশে অনেক মানুষ দেখল ।তার মা ও ইভা কেন জানি কাঁদতেছিল ।অভি তাদেরকে কি হয়েছে বললে তার মা তাকে জরিয়ে ধরে কাঁদতে থাকে ।পরে সে সব কিছু জানতে পারে ।দুদিন আগে সে ইভাকে ধরতে গিয়ে রাস্তায় চলে গিয়েছিল ।সেখানে একটা ট্রাক তাকে ধাক্কা মারে ।কপাল ভাল যে ট্রাক টা ব্রেক করে ।তা না হলে অভিকে আর পাওয়া যেত না ।দুদিন ধরে সে সেন্সলেস হয়ে আছে ।ইভা এ দুইদিন কিছু খায় নাই ।সারাক্ষন খালি কেঁদেছে আর নিজের দোস দিয়েছে । সেদিন সন্ধায় ইভা ও অভি ছাড়া সবাই বাইরে ডাক্তারের কাছে .... অভি ইশারায় ইভাকে ডাক দেয় । অভি : (ইভার হাত ধরে)এইবার তো হাঁ বল ।ধরতে তো পেরেছি ।হাহাহা । ইভা কিছু বলে না ।তার ঠোঁটদুখানি কাঁপতে থাকে আর সে অভির হাতটি আরও শক্তকরে ধরে থাকে দুহাত দিয়ে । অভি খালি মুচকি হাসে আর বলে : ইমা,ফুচকা পাগলি আবার কাঁদতেও পারে !হাহাহা । (এরপর তাদের জীবনের নতুন পর্ব শুরু হয় । পাঠক বন্ধুরা ,এখানেই ইতি করছি । ধন্যবাদ slightsmile emoticon slightsmile emoticon ) [বি.দ্র : গল্পটি কাল্পনিক ।ভুলত্রুটি মার্জনীয় ]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অদ্ভুত বিয়ে..অতঃপর ভালবাসা
→ অতঃপর ভালবাসা
→ অতঃপর ভালবাসা
→ একটি মিথ্যা ভালবাসা অতঃপর প্রতিশোধ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now