বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অর্ধাঙ্গিনী- ৪

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান তাবাসসুম ধ্রুবা (০ পয়েন্ট)

X কিছুক্ষণ পর ইরা দুটো চায়ের কাপ☕☕ নিয়ে ঘরে আসলো। আমার হাতে একটা কাপ তুলে দিয়ে নিজে আরেকটা নিলো। আমার ঠিক পাশে বসলো। চায়ে চুমুক দিতেই ও বলল, --- কেমন হয়েছে? --- ভালো। --- শুধু ভালো? --- না,খুব ভালো। --- ধন্যবাদ। আজ ঘরটা গুছিয়ে দিয়ে গেলাম। এরপর আবার নোংরা করবেন। পরেরবার এসে গুছিয়ে দিয়ে যাব। আজ উঠি। অনেক্ষণ বেরিয়েছি বাসা থেকে। --- আচ্ছা, আপনি কি আমার ঘর গুছিয়ে দেওয়ার জন্য এসেছিলেন? --- ঘর গুছানোর প্ল্যান তো ছিল না,,তবে একসাথে চা খাওয়ার প্ল্যান ছিল। আমি আসি। ভালো কথা কাল কলেজ যাবেন তো? --- জ্বী। --- গেলেই ভালো। কাল দেখা হবে। ইরা কাপে অর্ধেক চা রেখেই চলে গেলো। এরপর ইরা সবসময় কলেজে আঠার মতো লেগে থাকে আমার সাথে। কে জানে কি মজা পায় আমার সাথে থেকে। ড্যাবড্যাব করে চেয়ে থাকে। মোটামুটি চলছিল দিনকাল। হঠাত একদিন গ্রাম থেকে খবর আসলো মা নাকি অসুস্থ। মৃত্যুশয্যায়। মৃত্যুর আগে আমাকে দেখতে চান। তাই গ্রামে যেতে হবে। হাতে টাকা পয়সা কিচ্ছু নেই। কীভাবে যাব বুঝতে পারছিলাম না। হঠাতই মনে পড়লো ইরার কথা। ওকে ফোন দিলাম। --- হ্যালো,, --- হ্যা,ধ্রুব বলেন, কি মনে করে? --- আসলে আমার কিছু টাকার প্রয়োজন। দিতে পারবেন? --- হুম,, কত টাকা? --- আপাতত ২০০০/= হলেই চলবে। --- ঠিক আছে,, আপনি ক্যাম্পাসে আসুন। আমি টাকা নিয়ে আসছি। --- হুম আমি ক্যাম্পাসে পৌছানোর কিছু সময় পর ইরা আসলো। আমার হাতে টাকা দিয়ে জানিতে চাইলো কি হয়েছে। আমি বললাম,আমি কয়েকদিনের জন্য দেশে যাচ্ছি। তাই লাগবে।সেদিন রাতের গাড়িতে রওনা দেই। ভোর ৫ টায় গিয়ে পৌছাই। গিয়ে শুনি মা আগেই মারা গেছেন। আমাকে দেখে যাওয়ার সুযোগটাও তার হলো না। আমি ঘরে গিয়ে চারপাশটা দেখি। এখানেই ছিল আমার বেড়েওঠা। বাবা যখন মারা গেলো তখন থেকে মা আমাকে একা সামলিয়েছে। আলমারি খুলে একটা সিন্দুকের ভেতর অনেকগুলা টাকা পেলাম। গুনে দেখি ৩০০০০। এতো টাকা মা কোথা থেকে পেলো সেটা নিয়ে ভাবছিলাম। হঠাতই পাশের বাসার মামা এসে বললো এই টাকা তোমার মা তোমার জন্য রেখে গেছে। তুমি চিকিৎসার জন্য যে টাকা পাঠাতে, সেই টাকা তোমার মা খরচ করতেন না। আমার চোখে পানি চলে আসলো। মাকে কবরে শুইয়ে দিয়ে রাতের গাড়িতেই ফিরে আসি। গাড়িতে বসে ভাবছি,,, জিবনের সবচেয়ে বড় ঝামেলাটা মিটে গেলো। মাও নেই বাবাও নেই। আর আমি,,,,খেয়ে না খেয়ে ঠিকই জীবন টা চলে যাবে। (To be continue...)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২১২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অর্ধাঙ্গিনী- ৪
→ অর্ধাঙ্গিনী- পর্ব ৩
→ অর্ধাঙ্গিনী- পর্ব ২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now