বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
নস্ট জীবন আমার,,,,,
আমি সায়মা, আমার ফোনে টাকা,নাই কল করো
একটা এসএমএস আসলো জয়ের ফোনে।
-আমি ফোন দিলাম সায়মাকে
-জয়:হ্যালো।
-সায়মা:হ্যালো,কেমন আছো তুমি??
-জয়:ভাল। তুমি কেমন আছো??
-সায়মা:ভাল না আমি....
-জয়:কেন? তোমার আবার কি হইছে,,,??
-সায়মা:আমার কিছু টাকা লাগবে.।
-জয়:টাকা দিয়ে কি হবে। তোমার আব্বুকে টাকা বলো দিতে টাকা।
-সায়মা:আব্বু টাকা দিবে না বলছে।
-জয়:কেন টাকা দিবে না,,,,? তুমি তো তার মেয়ে।
-সায়মা:আব্বু বলছে মেয়েদের না কি বেশি পড়তে হয় না।কারন মেয়েরা স্বামী বাড়ি
গিয়ে কাজ করে খেতে হয়।
-জয়:হায়রে আল্লাহ এটা কেমন বাবা।
মেয়ের লেখাপড়ার টাকা দিতে চায় না।
আমাদের তো পরীক্ষার অনেক দেরি তাহলে
টাকা দিয়ে কি করবে।
-সায়মা:আমি কোচিং টাকা দিব।তাই টাকা
লাগবে তুমি দিতে পারবে,,??
-জয়:আমি টাকা কোথায় পাবো।দেখি কি
করতে পারি। রাখি তাহলে এখন।
-সায়মা:ঠিক আছে। টাকা কিন্তু আমার
লাগবেই,,,,,,.......
এই সর্ম্পকটা শুরু হয় ২০০৬ সালে যখন
আমি ক্লাস পঞ্চম শ্রেনীতে পড়ি।
আমাদের স্কুলে সমপণী পরীক্ষা শুরু হয়।সেই
পরীক্ষার দিন প্রথম দেখা আমার সায়মাকে।
আমি যে হলে পরীক্ষা দিতেছি সেই হলে
সায়মাও পরীক্ষা দিতেছে। আমার চার সিড
সামনে সায়মার সিড। এই ভাবে পরীক্ষা
চলে যাচ্ছিল।শেষের পরীক্ষার দিন জানতে
পারলাম মেয়ের বাড়ি আমাদের পাশের
গ্রামের আমার ফুফুর বাড়ি কাছে। আমাদের
পরীক্ষা শেষ হয়েছে।
রেজাল্ড বের হল তেমন একটা ভাল হল না।
পড়ে আমি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম।নতুন
স্কুল কাউকে চিনি না।প্রথম ক্লাস করতে যেদিন গেলাম।ক্লাসে ঢুকেই দেখি সেই মেয়ে যাকে আমি পরীক্ষা সময় দেখেছিলাম।আমি একটু খুশি হলাম মেয়েটিকে দেখে।পরে দেখি আমার এক
ফুফাতো ভাই আমার ক্লাসেই।
আমি প্রতিদিন মেয়েটিকে ফলো করতে থাকি।মেয়েটি ছিল
খুব ভাল ছাত্রী তাই সব স্যার তাকে আদর
করতো।
এই ভাবে চলছিল একতরফা প্রেম।আমি কোন
ক্লাসেই সব বিষয়ে পাশ করতে পারি নাই।
৮ম শ্রেণী শেষ করে নবম শ্রেনীতে
উঠলাম। তারপর এক অনুষ্ঠানে গেলাম আমরা
সব বন্ধুরা মিলে.......
মেয়েরাও গেল আমাদের
সাথে। তখন আমার এক বন্ধু সায়মার সাথে
আমাকে নিয়ে কথা বলার সুযোগ করে দিলো।তখন আমি সায়মাকে প্রফোজ করি,, কিন্তুু সে এক সর্তে রাজি,,,
সর্তটা হলো ভালো রেজাল্ট করে দেখাতে হবে তাহলেই সে রাজি। তার পর থেকে আমি
সারা দিন রাত নামায আর বই নিয়ে বসে
থাকতাম।পরে পরীক্ষা তে আমি ক্লাসে ২য়
হলাম। সায়মা চিন্তাও করে নাই যে আমি
পারবো।সেই শুরু আমাদের ভালবাসা কিন্তু
সুখ বেশিদিন টিকলো না।
এখন আবার পুর্বের কাহিনীতে ফিরে যাই।
জয় টাকা পাবে কই এই নিয়ে মাথায় চিন্তা
ঢুকে গেলো।আম্মুর থেকে কিছু টাকা চুরি
করে নিয়ে রাখলাম।
তারপরও কিছু টাকা কম আছে।তাই চিন্তা
করলাম আমি কারো বাড়ি কাজ করে হলেও
টাকা দিতে হবে।তাই কাজ খুজতে লাগলাম
স্কুলে কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে।
যাতে সবাই জানে আমি স্কুলে।আমাকে কেউ
কাজ দিতে চাই না। কারন আমাদের
পরিবারের জন্য গ্রামের বড় বাড়ি আমাদের
তাই।একটা জায়গায় ইট নেয়ার কাজ পেলাম
অন্য লোকদের চেয়ে ৫০ টাকা কমে।এই
ভাবে ৫ দিন কাজ করে।আম্মুর থেকে চুরি
করা টাকা আর কাজের টাকা মিলিয়ে
১৫০০ দিলাম সায়মাকে।
তার পর টেষ্ট পরীক্ষার পরে শুনি সায়মার
কাবিন হয়ে গেছে।আমাদের এলাকার এক
নেতার সাথে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১২
বিয়ে।বিয়ে হল আমি গেলাম বিয়ে দেখার
জন্য আমার সামনে কেমনে কবুল বলে।তার
আমি বাড়ি থেকে চলে গেলাম ময়মনসিংহ।
তাই মারার জন্য অনেক চেষ্টা করলাম
ঘুমের বড়ি খাইলাম ৩ ঘন্টা অজ্ঞান হয়ে
থেকে মরতে পারলাম না। আর একবার
ঘুমের বড়ি খাইলাম ৬৪ ঘন্টা অজ্ঞান থাকার পরে
জ্ঞান আসলো।
এক দিন ২তলা ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পা
ভেংঙে আরো মেডিকেলে খরচ মিলে ৮ লাক্ষ
টাকা নষ্ট করি।
হাইরে সায়মা তোর জন্য
কি না করছি মানুষের বাড়ি কাজ করলাম
রক্ত বিক্রি করে শাড়ী কিনে দিলাম।
আমাকে এতই কষ্ট দিলে যা আমি এখন আর
সইতে পারছি না।তার জন্য সারা দিন
নেশা আর নেশা।মদ, গাজা, সিগারেট নিয়ে
ব্যস্ত থাকি।
৫ বছর নামায কি জানি না এবং ঈদের
মাঠেও যাই না।আমি এখন ভালবাসা পাগল।
তার পর একটা বিয়ে করলাম ৪ মাস ২৮
দিন থেকে আগের প্রেমিকের জন্য চলে
গেলো।
এবার গলায় দড়িয়ে হলেও মরবো।
আমি ভালবাসা চাই আমি একটা সুন্দর জীবন
চাই আমি বাচঁতে চাই।
আমার জীবনটা কেন এমন হলো,,,,,?????????.......?????
#কেমন লেগেছে কমেন্ট করে জানাবেন প্লিজ,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now