বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অপ্রাসঙ্গিক:-[|] (পর্ব -১)

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X আমার এক বন্ধু রনি হঠাৎ করে আমাদের অফার দিল ওর মামার বাড়িতে যেতে। শুনে আমরা পাঁচ বন্ধু হই হই করে উঠলাম। পরীক্ষা শেষ, কোন কাজ নেই। শুধু বসে বসে আড্ডা দিতে আর ভাল লাগছিল না। তাই প্লান করার কিছুদিনের মাঝেই বেড়িয়ে পরলাম। আমরা পাঁচজন ছিলাম রনি, সূমিত, আনিস, রাজীব আর আমি। গ্রামে গিয়ে চমক লাগলো আমাদের। গ্রামাটি আসলেই বেশ সুন্দর ছিল আর গ্রামের মানুষ গুলোও ছিল বেশ সহজ সরল। কিন্তু গ্রামটাতে এই বিজ্ঞানের যুগেউ ছিল কেমন যেন এক অদ্ভুত গোঁড়ামী আর অজ্ঞতা। থাক আর গ্রামের কথার দিকে না গিয়ে আসল কথায় আসি।এবার মূল গল্পটি শুরু করি। একদিন আমরা সবাই মিলে একটা ফাঁকা ধান ক্ষেতের পাশে বসে গল্প করছিলাম।গল্প করতে করতে কখন যে সন্ধ্যা হয়ে গেল কেউই টের পাইনি। গল্প করতে করতে হঠাৎ আমাদের চোখে পড়লো একটি বড়ই (কূল) গাছ আর তার পাশেই একটা পুকুর। পুকুর পাড়ে কি যেন একটা উঁচু ঢিবির মত কিছু একটা। হালকা কুয়াশা থাকায় ভালোভাবে কিছু বোঝা যাচ্ছিল না। সূমিত আবার কবর খুব ভয় পেত। তাই আমরা সেটা নিয়ে বেশ কিছুক্ষন মজা করলাম। এমনিতেও সন্ধ্যা হয়ে আসছিল তাই আমরা কথা বেশি না বাড়িয়ে সেখান থেকে চলে এলাম বাড়িতে। সারাদিন ঘুরেফিরে খুব ক্লান্ত ছিলাম সবাই। তাই রাত্রে খেয়ে শুয়ে পরলাম তাড়াতাড়িই। পরদিন খুব সকালে ঘুম ভেঙ্গে দেখি সবাই ঘুমে কিন্তু রাজীব বিছানায় নেই। ভাবলাম হয়ত আরো আগেই উঠে গেছে। বিছনায় গড়াগড়ি করতে করতে হঠাৎ শুনি বাইরে কিসের যেন খুব চেঁচামেচি হচ্ছে। তাড়াতাড়ি বাইরে গিয়ে দেখি রাজীব শুয়ে আছে জ্ঞানহীন ভাবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম – রাজীবের কি হয়েছে! আমার বন্ধুর মামা বললেন তিনি যখন ভোরে নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন তখন দেখেন রাজীব পুকুরপাড়ের বড়ই গাছের নিচে বসে খুব কাঁদছে। মামা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন যে কি হয়েছে, কিন্তু রাজীব কোন কথাই না বলে শুধু কাঁদতেই থাকলো। মামা কিছু না বুঝতে পেরে রাজীবকে সাথে করে বাড়ি নিয়ে এলেন। বাড়ি পৌছেই রাজীব জ্ঞান হারিয়ে ফেলল। মামা ভাবছিলেন শহুরে ছেলে পেলে তো, রাতে হয়ত কারো সাথে মনমালিন্য হয়েছে তাই বাইরে গিয়ে কাঁদছিলো। আমি শুনে অবাক হলাম- কই রাতে তো রাজীব সবার সাথে বেশ হাসি ঠাট্টা করলো, আমার সাথে মারামারিও করলো শোবার জায়গা নিয়ে, কিন্ত তখন তো এমন কোন কিছু কেউ করেনি যে এভাবে মাঝরাতে বাইরে গিয়ে কাঁদতে হবে! ব্যাপার শুনে আমার অন্য বন্ধুরাও অবাক হল। যা হোক আমরা সবাই বসে রাজীবের জ্ঞান ফেরার অপেক্ষা করতে লাগলাম।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অপ্রাসঙ্গিক:-[|] (পর্ব -১)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now