বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অপরিসীম ভালোবাসা

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Tuhin (গ্যাংস্টার) (০ পয়েন্ট)

X সকাল ৬ হঠাৎ মিরাজের মোবাইলে কল। এতো সকালে কেউ ফোন দেয়ার মতো নয়। হালকা হালকা ঘুমভাঙ্গা চোখে মোবাইল স্কিনে চোখ রাখতেই চোখটা বড় হয়ে গেল। স্নেহার কল, সাধারণত এতো সকালে তার কল সে কখনো আশা করে নি। কলটা রিসিভ করেই ওপর পাশে স্নেহার কান্নামাখা কন্ঠটা ভেসে উঠে। মিরাজের মনটা সকাল সকাল খারাপ হয়ে গেলো। ফোনো তাদের মাঝে এই কথা হয় যে : স্নেহা : তুমি কোই?? ( কান্না কান্না কন্ঠে ) মিরাজ : এতো সকালে মানুষ কোথায় থাকে ( রাগান্বিত স্বরে ) স্নেহা : বিকাল ৪ টায় দেখা করো,ইমারজেন্সি কথা আছে। মিরাজ : কেন কি হয়েছে বলো ( অনুরোধ স্বরে ) ফোনের লাইনটা কেটে গেল। এরপর অনেকবার ফোনে ট্রাই করে কিন্তু বন্ধ পায়। এতে সারাদিন সে টেনশনে থাকে। ভার্সিটি গিয়ে আজ প্রথম সে ক্লাস না করে ক্যাম্পাসে গিয়ে বসে থাকে। কখন দেখা হবে সে বিষয় ভাবতে থাকে। বিকাল চারটার আগে মিরাজ সেখানে গিয়ে উপস্থিত যেখানে প্রথম তাদের দেখা হয়েছে। ১ ঘন্টা অপেক্ষা করার স্নেহা এলো। স্নেহা কোনোদিন মিরাজের সাথে দেখা করতে দেরী করেনি আজ দেরী করলো। এদিকে মিরাজের টেনশন হচ্ছে কেন দেরী হচ্ছে। মিরাজ ভেবেছিল মনে হয় স্নেহার বাসার থেকে বিয়ের কাজ চলছে কিন্তু আসলে তেমন কিছু নয়।।স্নেহার বাবা সরকারী চাকুরী কর্মরত একজন। ঢাকা থেকে ট্রান্সফার হবে কলকাতা। এটাই বললো স্নেহা। মিরাজের মনটা আরো বেশী খারাপ হয়ে গেলো। কারণ চোখের আড়াল হয়ে যাবে। কাল সকালেই তারা কলকাতার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবে। এ কথা বলতেই মিরাজের চোখ দিয়ে অশ্রু পড়া শুরু করলো। ৬ বছর তাদের রিলেশন। কিন্তু মিরাজ মধ্যবিত্ত গরিব ঘরের ছেলে তাই স্নেহার সাথে জোড়গলায় কথাও বলতে পারে না। তাদের দুইজনের চোখ দিয়েই পানি পড়ছে। দুজনই বসে আছে কেউ কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।স্নেহা বাসায় চলে গেলো বেশী সময় না থেকে। কলকাতা গেলো আজ ৮ বছর হয়ে গেলো। এর মধ্যে কলকাতা পৌছে প্রথম প্রথম স্নেহা মিরাজকে প্রতিদিন একবার করে কল করতো, তারপর সপ্তাহে একবার তারপর মাসে একবার । প্রায়,দুইবছর এমনে চলতে থাকে তারপর আর তাদের মাঝে কথা হয়নি কারণ স্নেহা ফোন করতো না আর মিরাজকেও স্নেহা যতক্ষণ ফোন না করে ততক্ষণ ফোন করতে বারণ করছে । মিরাজ পড়ার ফাকে কয়েকটা টিউশনি করতো তখনও নিজ পায়ে স্বাবলম্বী হতে পারেনি কিন্তু আজ সে বুযেটের সিনিয়র অফিসার এখনও সে স্নেহাকে ভালোবাসে এবং মিস করে এর মাঝে স্নেহার কলকাতা এক ছেলের সাথে বিয়ে হয়ে যায় এবং তাদের সন্তান ও পৃথিবীতে চলে আসে। মিরাজ আদৌ তা জানতে পারেনি। হঠাৎ একদিন এক অপরিচিত নম্বর থেকে মিরাজের মোবাইলে ফোন অপরপাশে এক নারীর কন্ঠ । কন্ঠটা খুব চেনা চেনা লাগছে কিন্তু গলার স্বরটা অনেক চেঞ্জ হয়ে গেছে তাই বুঝতে পারেনি কে হতে পারেনি। ফোনে তাদের মাঝে অনেক কথা হলো। মেয়েটি জানতে চাইলো মিরাজের সাংসারিক জীবন কেমন কাটছে কিন্তু জানতে পারে মিরাজের আজও বিয়ে হয়নি কারণ মিরাজ একটি মেয়েকে ভালোবাসতো এবং আজও ভালোবাসে এবং সেই মেয়ের জন্য সে আজও অপেক্ষা করে আছে। মিরাজ বুঝতে পারেনি তার অপেক্ষা শুধু অপেক্ষাই থেকে যাবে ............... মিরাজের পরিবারে কেউ বেচে নেই তাই মিরাক্জ আজও একা শুধু স্নেহার অপেক্ষায় প্রহর গুণে। মোরাল : চোখের আড়াল হলে মানুষ মনের আড়ালও হয়ে যায়


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অপরিসীম ভালোবাসা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now