বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অপারেশন 97......১২

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X অপারেশন 97...... জুলহাজ ফয়সাল বার আমাকে প্রথম যে রুমটায় রাখা হয়েছিল সেখানে নিয়ে আসা হয়েছে। আমি বসে আছি আর অহনার জন্য অপেক্ষা করছি। আর মাত্র দুঘণ্টা বাকি আছে "অপারেশন 97" বাস্তবায়নের। অথচ অহনা এখনো আসছেনা। অহনা যদি এখন না আসে তাহলে বাংলাদেশকে চিরতরে ফসল উৎপাদন থেকে বন্ধা হয়ে যেতে হবে। আল্লাহর ওপর ভরসা করা ছাড়া আমার এখন কিছুই করার নেই। আমি আল্লাহ আল্লাহ করছি। আধঘণ্টা পেরিয়ে গেছে এখনো অহনার কোন খবর নেই। আরো দশমিনিট পর দরজায় আওয়াজ হল। তাকিয়ে দেখি অহনা ওর হাতে দুটো ব্যাগ একটায় ল্যাপটপ আরেকটা ওর ভ্যানিটিব্যাগ। কিন্তু ভ্যানিটিব্যাগটা একটু বেশি ফোলা লাগছে। গুরুত্ব না দিয়ে ল্যাপটপের ব্যাগটা নিয়ে বললাম অনেক দেরী করে ফেলেছ। ও বলল ইচ্ছে করে করিনি। সবাই একটু আগে এখান থেকে অন্য কোথাও চলে গেছে মাত্র পাঁচজন আছে তোমাকে পাহারা দেয়ার জন্য। আমি বললাম বাকিরা কোথায় গিয়েছে? ও বলল জানিনা তবে কাছে কোথাও হবে। - তোমাকে ব্যাগ দুটো আনতে দেখে কিছু বলেনি? ও বলল, আমাকে কেউ দেখেনি। আমার আব্বুকে গতকাল ছেড়ে দিয়েছে আমাকেও আর আসা লাগবেনা বলেছে। ভাগ্যিস গতকাল তোমার এখান থেকে যাওয়ার সময়ই আমার কাছের চাবির একটা নকল বানিয়ে নিয়েছিলাম। - গুড খুশি হলাম বুদ্ধি আছে তোমার বলে ল্যাপটপটা তাড়াতাড়ি বের করলাম। আর এক ঘন্টা আছে মাত্র। আমি সার্ভারটায় ঢুকলাম। চেয়ে দেখি ড্রোনগুলো বাংলাদেশের সীমানায় ঢুকে গেছে। ড্রোনগুলোর কন্ট্রোল নিতে হবে আমার। তারপর এগুলো ভারত মহাসাগরে ধ্বংস করে ফেলব। কিন্তু তার আগে আরেকটা কাজ করতে হবে। আমি আমার একাউন্টে প্রবেশ করলাম। সেখানে এখন আরিফের থাকার কথা। ও আমার ফ্রেন্ড আমি আরিফ আর অয়ন সবচেয়ে ভালো বন্ধু। ও নিজেও বাংলাদেশ ব্যাংকগুলোর ওয়েবসাইটের একজন হ্যাকার। ঢুকে দেখি ও অনেক গুলো মেসেজ দিয়েছে। আমি ব্যাংক হ্যাক করার সময় পাসওয়ার্ড দিয়ে হ্যাক করেছিলাম তার কারণ পাসওয়ার্ডে একটা মেসেজ ছিল যেটা শুধুমাত্র আরিফ বুঝতে পারত। ও যখন সাইট চেক করবে তখন যেন এটা ওর চোখে পরে। মেসেজটা ছিল আমার আর আরিফের একটা সাংকেতিক ভাষা যার দ্বারা আমি আর আরিফ নিজেদের মাঝে কথা বলতাম অন্যকেউ বুঝত না। ও পুরো ব্যাপারটা জানতে চেয়েছে। আমি সংক্ষেপে মূল কাহিনীটা বললাম। তারপর বললাম ড্রোনগুলো বাংলাদেশের সীমানায় চলে এসেছে। তুই এখন ওরা কোথায় আছে সেটা ট্রাক কর আমি ড্রোনগুলো দেখছি। ও বলল ঠিক আছে। ওর সাথে কথা বলে অহনার দিকে তাকালাম আর সাথে সাথেই আঁৎকে উঠে দাঁড়িয়ে গেলাম। ও আমার দিকে রিভলভার তাক করে আছে। আমাকে তাকাতে দেখে বলল অনেক হয়েছে এবার হাত তুলো। আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল তুমি কী কর সেটা দেখার জন্য। এখন তুমি আর তোমার বন্ধু দুজনেই স্বর্গে যাবে ও হ্যা তোমার ওই বন্ধুটাও আছে অহন না কী যেন নাম সেও। আমি হতাশ হয়ে গেলাম তীরে এসে তরী ডোবার মত। আর দাঁড়াতে পারছিনা ধুপ করে বসে পড়লাম। ও আমাকে ভয় পেতে দেখে হি হি করে হেসে দিয়ে বলল, যাক তাহলে তোমাকে ভয় দেখাতে পেরেছি। আমি দুটো পিস্তলের ব্যবস্থা করেছিলাম কাজে লাগতে পারে ভেবে। এই নাও তোমারটা। ওর কথা শুনে লজ্জা পেলাম, একটা মেয়ের কাছে এভাবে বোকা হয়ে যাব ভাবতে পারিনি। আবার প্রচুর রাগ ও হলো এই সিরিয়াস সময় কেউ এমন ফাজলামি করে। আমি গম্ভীর হয়ে বললাম এই সময় তোমার এটা করা উচিত হয়নি আমি ও এর শোধ নিব। ও হেসে দিয়ে বলল দেখা যাবে। আমি ঘড়ি দেখলাম সময় আর বেশি নেই যা করার এখনি করতে হবে। সার্ভারটায় আবার প্রবেশ করলাম প্রথমে ভেবেছিলাম ড্রোনগুলোর কন্ট্রোল নেয়া কঠিন হবে না। কিন্তু বুঝতে পারছি ধারণাটা ভুল ছিল। ড্রোনগুলোর কন্ট্রোল নেয়া শুধু কঠিনই না অসম্ভব প্রায়। ল্যাপটপের দিকে চেয়ে আছি স্ক্রিনে পুরো বাংলাদেশের ম্যাপ ভেষে আছে সেখানে বিভিন্ন জায়গায় ১৬০ টি লাল বিন্দু আছে অর্থাৎ এইগুলো হলো টার্গেট স্থল আর ৪৫ টি সবুজ বিন্দু এগুলো হলো ড্রোন। আমি কোনভাবেই ড্রোনগুলোর কন্ট্রোল নিতে পারছিনা অথচ ড্রোনগুলো দ্রুত থেকে দ্রুত যার যার টার্গেটের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে... (চলবে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অপারেশন 97......১২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now