বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমি অঙ্কের একটি সংখ্যা। আমার নাম হলো ১। এটা কিন্তু আমার মা-বাবা দেয়নি। এটা দিয়েছে হলো মানুষ নামক সংখ্যারা। আমি কিন্তু তাদের চিনি না। আমি আমার বাবা ১০, মা ৭, বোন ৪ ও ভাই ৫ এর সঙ্গে থাকি। আমাদের কলোনিতে ১৫ পর্যন্ত সংখ্যা থাকে। আমার দাদিমা ও দাদা মারা গেছে। তাই তারা ‘কোটি’ কলোনিতে থাকে। আমরা সেখানে যেতে পারি না। আমাদের ভেতর আবার সংখ্যার নানা রকম ধরন আছে। যেমন জোড়, বিজোড়। আমি শুনেছি কোটি ছাড়াও হাজার, লক্ষেরও কলোনি আছে। সেখানে যেতে বেশ পড়াশোনা করতে হয়। আমাদের সব কলোনি থাকে অঙ্কের ভেতর। আমি যেহেতু সবচেয়ে ছোট, তাই কেউ আমাকে বেশি দাম দেয় না।
তবে আমার চেয়েও ছোট ০। ০ হলে কী হবে, যার পরে সে বসে, তার মূল্য বেড়ে যায় অনেক। তাই আমার বাবা আমাদের কলোনির মাতব্বর। আমি শুনেছি, আমার দাদার পরে নাকি তিনটা ০ ছিল! আমার ভাইও দাবি করে, তার পরেও একদিন তিনটা ০ হবে।
.যা হোক, আমি এখনো আমাদের মাস্টার ১৫-এর কাছে যাওয়া শুরু করিনি। আমাদের সবার দিনগুলো ভালোই কাটছে। তবে মানুষ নাম সংখ্যারা নাকি আমাদের দিয়ে অঙ্ক করে! অনেকে নাকি সেই অঙ্ক পারেও না! আমি ভাবি, অঙ্ক আবার করে কী করে? এখানে তো আমরা থাকি! আবার আমাদের নামে নাকি টাকা নামক কী যেন একটা আছে। মানুষের কাছে টাকা খুব দামি। টাকাও পৃথিবীতে বাস করে।
আমাদের অঙ্কবিজ্ঞানীরা কোটির পরে আর কোনো কলোনি আছে কি না, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। যাহ্, অনেক বেশি বলে ফেললাম। সাবধান, আমাদের এই অঙ্ক কলোনির কথা আবার রোমান সংখ্যাদের বোলো না যেন। তারা আবার আমাদের শত্রু কিনা! জেনে ফেললে আমাদের সর্বনাশ হয়ে যাবে!
মাহমুদা তাবাসসুম
নবম শ্রেণি, কুষ্টিয়া সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now