বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অল্পবয়স্ক সুন্দরী কচি মেয়ে বিয়ে করতে চায় দুবাই ফেরত সাব্বির পনের বছরের কম হলে আরও ভালো।যদিও উনার বয়স ত্রিশ পেরিয়ে গেছে মাথায় অর্ধেক চুল উধাও তবুও উনার কমবয়সী সুন্দরী মেয়েই লাগবে।সে গরীব বাপের হলেও প্রবলেম নাই মেয়ে যদি অল্পবয়সী হৃষ্টপুষ্ট সুন্দরী হয় প্রয়োজনে মেয়ের বাবাকে তিন থেকে পাঁচলক্ষ টাকা দেবে।
বেশ কয়েক হাজার টাকা দিয়ে এলাকার পপুলার ঘটকদের মাঠে নামিয়ে দিলেন যে বাটপার গুলো কথায় কথায় মিথ্যে বলে মেয়ের বাবাদের বিয়েতে রাজি করায়।অবশেষে নবম গরীব বাপের একজন সুন্দরী মেয়ে পাওয়া গেলো বিয়ে হলো তার সাথে মেয়েটি প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি যে মেয়ের খেলাধুলায় পড়াশুনায় সময় কাটানোর কথা সে হয়ত ইচ্ছের বিরুদ্ধে প্রতিদিন নিরবে ধর্ষিত হবে যার কোন বিচার নেই হবেনা কোন আদালতে।
সত্যিই বড়ই অদ্ভুত গরীব বা মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির মেয়ে হওয়ার কারনে নিজের দ্বিগুণ বয়সী একজন লোককে বিয়ে করতে বাধ্য হয় বিনাবাক্য।কিছুই করার থাকেনা কারন দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারে মেয়েরা একপ্রকার বোঝার মত তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিয়ে দিয়ে দিতে চেষ্টা করেন অভিভাবকরা।আর এই সুযোগটা লুফে নেয় প্রবাসী কিংবা ব্যবসায়ী কিছু লোক নানারকম প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ে করে নেন অল্পবয়সী সুন্দরী মেয়েদের।
এরপরও অনেক পরীক্ষা দিতে হয় এসব মেয়েদের বিশেষ করে সতীত্বের পরীক্ষা বাসর শেষে বলে মেয়েটি সতী নাহলে নষ্টা। মানে মেয়েটি বিয়ের আগেই কারো সাথে সেক্স করেছে।কিন্তু যারা চিল্লানী দিয়ে এইসব কথা বলে তারা কি নিশ্চিত স্বামী লোকটা আগে কারো সাথে সেক্স করেনি?কিন্তু স্বামীদের সতিত্ব পরীক্ষা করার জন্য কোন ব্যবস্থা নেই সুতরাং পার পেয়ে যায় যুগে যুগে।
একটি মেয়ের মেয়ের বয়স আঠার বছর হলেই তার বিয়ের টাইম পার হয়ে যায় আর একটু বেশী হলে বুড়ি হয়ে যাবে।
বিয়ে দিতে পারলেই যেন বেঁচে যায় পরিবার সমাজ অভিভাবক সবাই।
কিন্তু একই বয়সের একটি ছেলের ব্যাপারে ধারনা সম্পুর্ন আলাদা মানে ছেলেটা এখনো সংসারের কিছুই বুঝেনা।অনেক সময় দেখা যায় চৌদ্দ পনের বছরের মেয়েদের বিয়ে দেয়া হয় জোর করে আর এই বয়সের ছেলেদের ব্যাপারে বলা হয় এখনো খেলার বয়স।একই বয়সের দুইজন ছেলে মেয়ে কিন্তু একজনকে বাধ্য করা হচ্ছে সংসার করতে আর অন্যজন খেলাধুলায় বা পড়াশুনায় হাসিখুশির মাঝে সময় কাঁটাবে।
যাই হোক সময় অনেক বদলে গেছে শিক্ষার উন্নতির ফলে বাল্যবিবাহ অনেকাংশে কমে গেছে কিন্তু সাব্বিরের মত লোক এখনো সমাজে প্রচুর তাই বাল্যবিবাহ নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছেনা।এ ব্যাপারে বাল্যবিবাহ আইনের যথাযথ প্রয়োগের ব্যবস্থা করা উচিত।মেয়েদের শুধু মেয়ে না ভেবে মানুষ ভাবলেই সমাজ সুন্দর হবে।
[] Hasan Ruddranil []
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now