বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
.
---বাবা তুই কেমন আছিস রে?(মা)
--আমি ভাল নেই মা। দুই দিন ধরে
না
খেয়ে রইছি।(নাবিল)
---কি বলিস রে বাবা,তুই দুই
দিন ধরে না
খেয়ে আছিস? কেন? কি হইছে বাবা
তুই
কি অসুস্থ নাকি??(মা)
--না মা আমি অসুস্থ না।। আসলে
আমার
কাছে কোন টাকা নাই।তাই
দুইদিন ধরে
না খেয়ে আছি।।(নাবিল)
--টাকা শেষ হলো কিভাবে
সাতদিন
আগে না তকে পাঁচ হাজার টাকা
দিলাম।
পাঁচ দিনেই পাঁচ হাজার টাকা
শেষ। কি
করলি এতো টাকা দিয়ে?(মা)
--মা টাকা গুলো চুরি
হয়েগেছে।ভার্সির
টিতে যাওয়ার সময় বাস থেকে কে
যেনো
মানি ব্যগ টা চুরি করে নিয়ে
গেছে।
(নাবিল)
--বাবা তর এতো টাকা চুরি হয়
কিভাবে
বুঝিনা।এখন তো আমার কাছে
কোন টাকা
নাই। কয়দিন কাজ করেছিলাম।
তাই টাকা
গুলো পেয়েছিলাম।কিন্তু এখন
আমি
অসুস্থ বাবা হাটতে পাচ্ছিনা
কোমর
ব্যথা কিভাবে কাজ করবো বল?
(মা)
--মা তোমার কাজ করতে হবে না।
বাড়ির পিছনে দশ শতাংশ যায়গা
আছে
না সেই যায়গা বিক্রী করে
দাউ।
তার পরে আমি আমার যখন লেখা
পড়া
করা শেষ হবে তখন আমি একজন বড়
ডাক্তার হবো আর তখন অনেক
টাকা পয়সা
রোজগার করা যাবে তার পরে
আবার ঐ দশ
শতাংশ যায়গা কিনবো। (নাবিল)
--আচ্ছা বাবা তাই করবো।তুই
ডাক্তার
হলে তখন আমার আর কোন চিন্তা
থাকবে
না।তরে ডাক্তার বানানোর
জন্য এই দশ
শতাংশ জমি কেন?এই বাড়িটাও
বিক্রী
করে দিতে পারি তবুও আমার
স্বপ্নটা পুরন
কর বাবা।ডাক্তার হয়ে
গরিব,দু:খি দের,,
অসহায় মানুষ দের ফ্রি
চিকিৎসা করবি।
তর বাবার মতো যেনো কেও
চিকিৎসার
অভাবে মারা না যায়।(মা)
--মা তোমার দুআ যদি আমার সাথে
থাকে তাহলে আমি একজন বড়
ডাক্তার
হতে পারবো।আর তুমি আজকে
আবার পাঁচ
হাজার টাকা পাঠিয়ে দিয়ো?
(নাবিল)
-ওকে বাবা। আমি কারো কাছ
থেকে ধার
নিয়ে তকে পাঠিয়ে দিবো।।
তুইও কারো
কাছ থেকে কিছু ধার নিয়ে পেট
ভরে ভাত
খেয়ে নিস।তা না হলে লেখা
পড়ায় মন
বসবে
না।(মা)
--ওকে মা।। তা হলে ভালো থেকো।
নিজের দিকে খেয়াল রাইলো।আর
আমার
জন্য চিন্তা কইরো না।(নাবিল)
--আচ্ছা বাবা তুইও ভাল
থাকিস।।আমার
জন্য চিন্তা করিস না ভাল মতো
লেখা
পড়া করিস।(মা)
-আচ্ছা মা দুআ কইরো।
.
-
.এতক্ষন মোবাইলে মা ছেলের
কথা হলো।
মার স্বপ্ন ছেলেকে ডাক্তার
বানাবে।
কারন নাবিলের বাবা চিকিৎসার
অভাবে
মারা যায়। তাই নাবিল কে
ডাক্তার
বানিয়ে গ্রামের গরিব,দু:খি
দের ফ্রি
চিকিৎসা দিবে।
এর জন্য নাবিলের মা অনেক
কষ্ট করে
টাকা রোজগার করে।মানুষের
বাড়ি কাজ
করে। এতেও হয় না। তাই একটু
একটু করে
জায়গা বিক্রী করে ছেলেটাকে
লেখা
পড়ার খরচ দেয়।
মা চিন্তা করে জায়গা জমি
বিক্রী
করেও যদি ছেলেকে ডাক্তার
বানাতে
পারি।তাহলে একদিন না একদিন
আমার
সব আমার কষ্ট দুর হয়ে যাবে।
আর তখন বসে
বসে খাবো।
আমার একটা মাত্র ছেলে। আর
কোন
সন্তান নেই।তাই আমি আমার
নাবিলের
যদি পছন্দ থাকে তাহলে সেই
মেয়ের
সাথে নাবিলের বিয়ে দিবো।
.
-
.নাবিলের মা নাবিল কে ঢাকায়
পাঠায়
লেখাপড়া করার জন্য বড়
ডাক্তার হওয়ার
জন্য।
কিন্তু নাবিল ঢাকায় এসে
একটা মেয়ের
প্রেমে পড়ে যায়। এক পর্যায়ে
দুই জন
দুইজনকে ভালোবেসে ফেলে।
তখন সেই মেয়েটিকে নিয়ে
নানান
জায়গা ঘুরতে যাওয়া হয়
রেষ্টুরেন্টে
খাওয়া হয়।।প্রায় এমনটা করে
থাকে
নাবিল।তাই নাবিল মার কাছে
নানা
ধরনের অজুহাত দেখিয়ে টাকা
নেয়।।।
আজকে বলছে টাকা চুরি
হয়েগেছে।।
আরেক দিন বলছে কোচিং করছি
মাসে
চাঁর হাজার টাকা লাগবে
কিন্তু নাবিল
কোচিং না করেই টাকা নেয়।।
পরীক্ষার
ফি এক হাজার টাকা নাবিল বাড়ি
থেকে
মার কাছ থেকে পরীক্ষার ফি
নেয় পাঁচ
হাজার টাকা।।তার পরে আরো কত
কি....
বই কিনতে লাগবে একশ টাকা
বাড়ি
থেকে নিবে পাঁচশ টাকা।।
এভাবে
নাবিল তার মার কাছ থেকে টাকা
নিয়ে
সেই মেয়েটার সাথে ঘুরে
বেড়ায়।।আর
এদিক দিয়ে লেখা পড়া লাটে
উঠেছে।
একদম লেখা পড়া করে না সব সময়
ঐ
মেয়েটাকে নিয়ে ভাবে আর বাড়ি
থেকে
মার কাছ থেকে কি অজুহাত
দেখিয়ে
টাকা আনবে সেইটা ভাবে।
.
-
.নাবিলের প্রেমিকার আজ
জন্মদিন।
নাবিল তার কাছে বলেছে। আমার
বাবার
কোটিকোটি টাকা,
বড় লোকের ভাব ধরেছে এরজন্য
নিলা
নাবিলের সাথে প্রেম করছে
কারন নিলা
ও কোটিপতির মেয়ে।
নিলা বলছে তুমি আমাকে আজকে
হিরার
একটা আংটি দিবে?
নাবিল থতমত করে বলে,
আরে এটা কোন ব্যপারি না।এখন
তুমি যাও
রাতে আমি নিয়ে আসবো তোমার
জন্য
হিরার আংটি জান।
.
-এখন নাবিল চিন্তায় পরে গেলো
আমি
এতো টাকা পাবো কোথায়?
মার কাছে যে ফোন করে টাকা
চাইবো
সে সাহসটা পাচ্ছি না কারন
দুই দিন
আগে আবার দশ হাজার টাকা
আনছি।
আমার যে কোন একটা ব্যবস্তা
করতে হবে।
তা না হলে যে আমি নিলার কাছে
আমার
মুখ দেখাতে পারবো না।
নাবিল চলে গেলো হিরার
দোকানে।
হিরা চুরি করতে। ভাই ওটা
দেখান,, ঐ টা
দেখান, ঐ কনারের টা,, ঐ নীল
কালারের
টা, এভাবে অনেক গুলো হিরার
আংটি
তারা সামনে এনে নিলো তার
মধ্যে
থেকে একটা পকেটে ঢুকিয়ে
দিলো, কেও
দেখতে পারে নাই।আচ্ছা ভাই
রাখেন
পছন্দ হয় না অন্য দোকানে
দেখছি।
যখন ঐ দোকান থেকে নাবিল বের
হচ্ছে এক
পা বাহিয়ে দিছে আর তখনি
সিগনাল
দেওয়া শুরু করলো।
কারন তারা হিরার আংটির সাথে
একটা
বক্স দেয়। যে ঐ বক্স টা নিবে
না সেই ধরা
পরবে এটা নাবিল যানতো না।
পরে নাবিল কে সার্চ করা হলো।
হিরার
আংটি টা পাওয়া গেলো। নাবিল
কে
এসে পুলিশে ধরে নিয়ে গেলো।
তার
খোজ কেউ নিতে আসে নাই।আসবে
কি
করে??
-নাবিলের মা জানে নাবিল ভালো
মতো লেখাপড়া করছে।আর নিলার
সামনে নাবিল কোন মুখ নিয়ে
দাড়
.
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now