বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
তবে মানুষের দেহের এত অহংকার কেন?
আশা করি তোমাদের ভাল লাগবে। আমাদের মহল্লায় জনি নামের একটি ছেলে ছিল। গায়ের রং কালো হলেও ছেলেটার ফেইস দেখতে গোলগাল এক কথায় ভাল লাগার মত।
জনি তমা নামের একটি মেয়েকে খুব ভালবাসত। তমা কলেজে পড়ে ধনী ঘরের একমাএ দুলালী। জনি তমাকে প্রপোজ করে, তমা জনিকে মারাত্বক ভাবে অপমান করে। তমা আমার ক্লাসমেট ছিল যার ফলে ঘটনাটির অধিকাংশ আমার জানা আছে।
সে দিন কলেজে নবীণ বরণ অনুষ্ঠান ছিল। জনি তমাকে রাস্তায় পুনরায় তার ভালবাসার অনুভূতি জানায়। তমা জনিকে একেবারেই শয্য করতে পারতো না। এর কারণ একটা হতে পারে, তমার হয়ত অন্য কোন ছেলের সাথে রিলেশন ছিল।
তাছাড়া জনি দেখতে কালো তেমন শিক্ষিত না এবং ফেমিলির অবস্হা ভাল ছিল না কিন্তু জনির ভালবাসা ছিল তমার প্রতি একদম পিউর।
সে দিন কলেজের গেইটের পাশে জনিকে দাড়িয়ে থাকতে দেখেছিলাম। জনি নামের ছেলেটি রাতে তমার বাসায় আসে এবং তমার ফেমিলি তাকে হয়ত অপমানসহ মারপিট করে। ফাইনালি জনি বুঝতে পারে যে তমা আর
কখনো তার জীবন সঙ্গী হবে না। জানি না বিধাতা কেন মানুষের মাঝে ধনী গরীব এর প্রাচীর করেছেন।
পরের দিনের ঘটনা। সকাল ১১ টা জনির ঘরের দরজা বন্ধ।
অনেক ডাকাডাকি করার পরেও কোন সাড়া না পেয়ে মহল্লার লোকজন দরজা ভেঙ্গে ফেলে। এবং জনির ফাঁসিতে জুলে থাকা মূত লাশ আবিস্কার করে।
এই পূথিবীর ভালবাসার মায়া ছেড়ে জনি চলে গেছে পড়পারে। যেখানে হয়ত চেহারা বা সম্পদ এর পাথ্যক্য নেই। ফুলের সৌরভ আর মানুষের যৌবন চিরদিন থাকে না!! এই পূথিবীর সকল মানুষের কাছে আমার একটি প্রশ্নঃ একটি মানুষ যদি তিন দিন গোসল না করে, তখন মানুষের
দেহ থেকে হয়ত র্দুগন্ধ বের হয়।
তবে মানুষের দেহের এত অহংকার কেন??
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now